আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বের বৃহত্তম প্যাকেটজাত খাদ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি নেসলের শেয়ারের দাম গতকাল বৃহস্পতিবার অনেক বেড়ে যায়। এর কারণ দুটি। প্রথমত, তাদের বিক্রি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, কোম্পানিটি হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে খরচ কমানোর বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এর ফলে নেসলের শেয়ারের দাম ২০০৮ সালের পর গতকাল এক দিনে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
মার্কেটওয়াচ জানিয়েছে, নেসপ্রেসো ও কিটক্যাটের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর মালিক এই কোম্পানির নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিলিপ নাভরাতিলের নেতৃত্বে সম্প্রতি ব্যাপক ব্যয় সংকোচন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
নাভরাতিল এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ব বদলে যাচ্ছে। নেসলেকেও আরও দ্রুত বদলাতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কঠিন কিন্তু প্রয়োজনীয় কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যার মধ্যে আগামী দুই বছরে কর্মীর সংখ্যা কমানো হবে।
সুইজারল্যান্ডের ভেভেতে অবস্থিত নেসলে তৃতীয় প্রান্তিকে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ অর্গানিক সেলস গ্রোথ (জৈব বিক্রয় বৃদ্ধি) রিপোর্ট করেছে, যা কোম্পানি সংকলিত ৩ দশমিক ৭ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।
ইউবিএসের বিশ্লেষক গুইলাউম ডেলমাস বলেন, গুরুত্বপূর্ণভাবে এই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্পূর্ণরূপে আরআইজির কারণে হয়েছে।
নাভরাতিল গত ১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন, তাঁর পূর্বসূরি এক কর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঘটনায় বরখাস্ত হওয়ার পর।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নাটকীয়ভাবে কৌশল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন নাভরাতিল। তিনি আগের ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ফ্রাঁ ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্য বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ বিলিয়ন ফ্রাঁ করার পরিকল্পনা করেন।
এর অংশ হিসেবে কোম্পানিটি মোট কর্মীর ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১৬ হাজার পদ বাতিল করবে, যার দুই-তৃতীয়াংশ অফিসভিত্তিক কর্মী।
নাভরাতিল বলেন, প্রতিষ্ঠানটি আরও দ্রুতগতিতে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে চায়। আর এর জন্য পারফরম্যান্সভিত্তিক মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।

বিশ্বের বৃহত্তম প্যাকেটজাত খাদ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি নেসলের শেয়ারের দাম গতকাল বৃহস্পতিবার অনেক বেড়ে যায়। এর কারণ দুটি। প্রথমত, তাদের বিক্রি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, কোম্পানিটি হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে খরচ কমানোর বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এর ফলে নেসলের শেয়ারের দাম ২০০৮ সালের পর গতকাল এক দিনে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
মার্কেটওয়াচ জানিয়েছে, নেসপ্রেসো ও কিটক্যাটের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর মালিক এই কোম্পানির নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিলিপ নাভরাতিলের নেতৃত্বে সম্প্রতি ব্যাপক ব্যয় সংকোচন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
নাভরাতিল এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ব বদলে যাচ্ছে। নেসলেকেও আরও দ্রুত বদলাতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কঠিন কিন্তু প্রয়োজনীয় কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যার মধ্যে আগামী দুই বছরে কর্মীর সংখ্যা কমানো হবে।
সুইজারল্যান্ডের ভেভেতে অবস্থিত নেসলে তৃতীয় প্রান্তিকে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ অর্গানিক সেলস গ্রোথ (জৈব বিক্রয় বৃদ্ধি) রিপোর্ট করেছে, যা কোম্পানি সংকলিত ৩ দশমিক ৭ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।
ইউবিএসের বিশ্লেষক গুইলাউম ডেলমাস বলেন, গুরুত্বপূর্ণভাবে এই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্পূর্ণরূপে আরআইজির কারণে হয়েছে।
নাভরাতিল গত ১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন, তাঁর পূর্বসূরি এক কর্মীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঘটনায় বরখাস্ত হওয়ার পর।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নাটকীয়ভাবে কৌশল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন নাভরাতিল। তিনি আগের ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ফ্রাঁ ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্য বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ বিলিয়ন ফ্রাঁ করার পরিকল্পনা করেন।
এর অংশ হিসেবে কোম্পানিটি মোট কর্মীর ৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১৬ হাজার পদ বাতিল করবে, যার দুই-তৃতীয়াংশ অফিসভিত্তিক কর্মী।
নাভরাতিল বলেন, প্রতিষ্ঠানটি আরও দ্রুতগতিতে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে চায়। আর এর জন্য পারফরম্যান্সভিত্তিক মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১ দিন আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১ দিন আগে