আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি, ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ নিবন্ধিত সব প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট বা জবাবদিহি এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইতিমধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও দেশি-বিদেশি পরামর্শকের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কমিশনে নিবন্ধিত সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি একক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএসইসি-আরবিসিএ রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্ম’। এবার সেই প্ল্যাটফর্মে প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সমস্ত নিবন্ধিত সংস্থা স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার, ফান্ড ম্যানেজার, ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি, ট্রাস্টি, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও কাস্টডিয়ানকে বিএসইসি-আরবিসিএ রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্মে ১৮ থেকে ২০ জুন এই লিঙ্কের মাধ্যমে: . dse. com. bd: 7070 /বিএসইসির ইউজার অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্টিং (ইউটিএ) করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, সফটওয়্যারটিতে যদি কোনো পর্যবেক্ষণ থাকে, তাহলে ই-মেইলের মাধ্যমে ২২ জুনের মধ্যে বিষয়টি জানাতে বলা হলো। উল্লেখ্য, ব্যবহারকারীর আইডি ও প্রাথমিক পাসওয়ার্ড কোম্পানির মনোনীত ই-মেইল আইডির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হবে।
ডিএসই প্রতিটি নিবন্ধিত সংস্থার জন্য প্ল্যাটফর্মে সর্বাধিক দুটি ব্যবহারকারী আইডি দেবে। প্রতিটি নিবন্ধিত সংস্থাকে তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও সক্ষম রাখতে কমিশনের সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের ও ডিএসই-সিএসইর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বোচ্চ তিনজন কর্মকর্তার জন্য প্ল্যাটফর্মে ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ সরবরাহ করবে। ডিএসইর ট্রেক হোল্ডারদের ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ ডিএসই নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সিএসই ট্রেক হোল্ডারদের ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ সিএসই নিয়ন্ত্রণ করবে। প্ল্যাটফর্মটি বিধি অনুসারে প্রয়োজনীয় সমস্ত রিপোর্টিং ও কমপ্লায়েন্স পরিপালন করতে ব্যবহার করা হবে।

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি, ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ নিবন্ধিত সব প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট বা জবাবদিহি এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইতিমধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও দেশি-বিদেশি পরামর্শকের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কমিশনে নিবন্ধিত সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি একক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএসইসি-আরবিসিএ রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্ম’। এবার সেই প্ল্যাটফর্মে প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সমস্ত নিবন্ধিত সংস্থা স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার, মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার, ফান্ড ম্যানেজার, ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি, ট্রাস্টি, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও কাস্টডিয়ানকে বিএসইসি-আরবিসিএ রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্মে ১৮ থেকে ২০ জুন এই লিঙ্কের মাধ্যমে: . dse. com. bd: 7070 /বিএসইসির ইউজার অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্টিং (ইউটিএ) করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, সফটওয়্যারটিতে যদি কোনো পর্যবেক্ষণ থাকে, তাহলে ই-মেইলের মাধ্যমে ২২ জুনের মধ্যে বিষয়টি জানাতে বলা হলো। উল্লেখ্য, ব্যবহারকারীর আইডি ও প্রাথমিক পাসওয়ার্ড কোম্পানির মনোনীত ই-মেইল আইডির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হবে।
ডিএসই প্রতিটি নিবন্ধিত সংস্থার জন্য প্ল্যাটফর্মে সর্বাধিক দুটি ব্যবহারকারী আইডি দেবে। প্রতিটি নিবন্ধিত সংস্থাকে তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও সক্ষম রাখতে কমিশনের সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের ও ডিএসই-সিএসইর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সর্বোচ্চ তিনজন কর্মকর্তার জন্য প্ল্যাটফর্মে ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ সরবরাহ করবে। ডিএসইর ট্রেক হোল্ডারদের ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ ডিএসই নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সিএসই ট্রেক হোল্ডারদের ‘নিয়ন্ত্রক ব্যবহারকারী আইডি’ সিএসই নিয়ন্ত্রণ করবে। প্ল্যাটফর্মটি বিধি অনুসারে প্রয়োজনীয় সমস্ত রিপোর্টিং ও কমপ্লায়েন্স পরিপালন করতে ব্যবহার করা হবে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৬ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
২০ ঘণ্টা আগে