নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে এক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৮ হাজার শতাংশ বেড়েছে এসএমই প্ল্যাটফর্মের হিমাদ্রি লিমিটেডের শেয়ারের দাম। এমন অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণে কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৩০ আগস্ট বিএসইসির সার্ভেইলেন্স বিভাগ থেকে এক চিঠিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিমাদ্রির শেয়ার দরের অস্বাভাবিক গতিবিধির জন্য গত ২৭ এপ্রিল থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের লেনদেনের ওপর এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ, স্টক এক্সচেঞ্জের মূল মার্কেটে থাকার শর্ত পরিপালন করতে ব্যর্থ হওয়ায় হিমাদ্রি লিমিটেডকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রায় সাড়ে ৬ বছর ওটিসিতে থাকার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশে কোম্পানিটিকে এসএমই বোর্ডে স্থানান্তর করা হয়।
ওটিসি মার্কেটে সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৮ মার্চ হিমাদ্রির শেয়ার কেনাবেচা হয়। সেদিন এর শেয়ারের দাম ছিল ৮ টাকা। এসএমইতে তালিকাভুক্তির পর ২৭ এপ্রিল শেয়ারটির দাম বেড়ে হয় ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। এর পর থেকে টানা দাম বাড়তে থাকে কোম্পানিটির শেয়ারের। গতকাল বুধবার শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৩ হাজার ৩৭৬ টাকা। অর্থাৎ চার মাসে শেয়ারটির দাম বেড়েছে প্রায় ১০০ শতাংশ।
এদিকে ডিএসইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরদিনও (৩১ আগস্ট) ডিএসইতে হিমাদ্রির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে। দিনশেষে শেয়ারটির দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭১৩ টাকা ৭০ পয়সা।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল হিমাদ্রির শেয়ার দর ছিল ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। ২৯ আগস্ট শেয়ারদর ৩ হাজার ৬৯ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ হাজার ৩০ টাকা ৪০ পয়সা বা ৭ হাজার ৮১০ শতাংশ বেড়েছে।

পুঁজিবাজারে এক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৮ হাজার শতাংশ বেড়েছে এসএমই প্ল্যাটফর্মের হিমাদ্রি লিমিটেডের শেয়ারের দাম। এমন অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণে কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৩০ আগস্ট বিএসইসির সার্ভেইলেন্স বিভাগ থেকে এক চিঠিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিমাদ্রির শেয়ার দরের অস্বাভাবিক গতিবিধির জন্য গত ২৭ এপ্রিল থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের লেনদেনের ওপর এই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ, স্টক এক্সচেঞ্জের মূল মার্কেটে থাকার শর্ত পরিপালন করতে ব্যর্থ হওয়ায় হিমাদ্রি লিমিটেডকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রায় সাড়ে ৬ বছর ওটিসিতে থাকার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশে কোম্পানিটিকে এসএমই বোর্ডে স্থানান্তর করা হয়।
ওটিসি মার্কেটে সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৮ মার্চ হিমাদ্রির শেয়ার কেনাবেচা হয়। সেদিন এর শেয়ারের দাম ছিল ৮ টাকা। এসএমইতে তালিকাভুক্তির পর ২৭ এপ্রিল শেয়ারটির দাম বেড়ে হয় ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। এর পর থেকে টানা দাম বাড়তে থাকে কোম্পানিটির শেয়ারের। গতকাল বুধবার শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৩ হাজার ৩৭৬ টাকা। অর্থাৎ চার মাসে শেয়ারটির দাম বেড়েছে প্রায় ১০০ শতাংশ।
এদিকে ডিএসইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরদিনও (৩১ আগস্ট) ডিএসইতে হিমাদ্রির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে। দিনশেষে শেয়ারটির দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭১৩ টাকা ৭০ পয়সা।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল হিমাদ্রির শেয়ার দর ছিল ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। ২৯ আগস্ট শেয়ারদর ৩ হাজার ৬৯ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ হাজার ৩০ টাকা ৪০ পয়সা বা ৭ হাজার ৮১০ শতাংশ বেড়েছে।

উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রতি চারটি দেশের মধ্যে একটি দেশ এখনো ২০১৯ সালের তুলনায় দরিদ্র। ২০১৯ সাল ছিল কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়। এমনটাই জানিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, নিম্নআয়ের অনেক দেশ গত বছরের শেষ পর্যন্ত ৬ বছরে বড় ধরনের নেতিবাচক ধাক্কা খেয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সাল জুড়ে একের পর শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শুল্কের আঘাত সয়ে নিয়েই চীন রেকর্ড বাণিজ্য করে দেখাল। আজ বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন। গত বছর দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা
৫ ঘণ্টা আগে
নতুন বিধিমালায় অধিক্ষেত্র সংযোজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে লাইসেন্সধারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা অন্য যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে