আজকের পত্রিকা ডেস্ক

স্বতন্ত্র ধারার কবি, উত্তর-ঔপনিবেশিক তাত্ত্বিক ও চিন্তক ফয়েজ আলমের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনারকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
‘ফয়েজ আলম: তার সৃষ্টিশীল পথরেখা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত ওই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহ. ফজলুর রহমান সিএসপি। শিল্পসাহিত্যসংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠন—ঢাকা রিপোর্ট ২৪ ডটকম, বাঙালমেল, সরলরেখা, বায়োগ্রাফি ফাউন্ডেশন, বুকওয়ার্ম সোসাইটি ও কাব্যস্বর সম্মিলিতভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন লেখক-গবেষক আবু সাঈদ তুলু, কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, জহির হাসান, রাজু আহমেদ মামুন, মামুন খান, ইমরান মাহফুজ, মামুন আজাদ, কবি ও লিটলম্যাগ সম্পাদক রিসি দলাই, শওকত হোসেন, ইকতিজা আহসান প্রমুখ।
এ ছাড়া ফয়েজ আলমের সহপাঠী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। ওই অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের গুণমুগ্ধ পাঠকসহ দেড় শতাধিক সাহিত্যপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সাহিত্যকর্মের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, কবির কবিতা থেকে পাঠ ও আবৃত্তি এবং কবিতার দৃশ্যায়ন প্রদর্শিত হয়। পরে কেক কেটে কবির জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কবি ফয়েজ আলমের সাহিত্যকর্ম, উত্তর-ঔপনিবেশিক চিন্তাধারা, তাত্ত্বিক পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, ‘এ সময়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ চিন্তক হিসেবে ফয়েজ আলম স্বকীয়তা অর্জন করেছেন। প্রায় তিন দশকের লেখালেখির মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে উপনিবেশের অভিজ্ঞতা ও নেতিবাচক প্রভাব বিষয়ে নয়া দৃষ্টিভঙ্গির অবতারণা করেছেন। আর মননের মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের সামগ্রিক চর্চায় নতুন এই বিচারিক দৃষ্টিকোণের প্রায়োগিক সুযোগ ও যথাযথ পরিসরও নির্মাণ করেছেন।’ বাংলাদেশের জনমানুষের কথ্য বাংলাকে তিনি লেখার ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন, এ ধারা এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া জোরদার এক আন্দোলন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ফয়েজ আলম তাঁর ‘ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস’ বইটিতে বাংলাদেশের জনমানুষের সর্বাঞ্চলীয় কথ্যরীতি সাহিত্যসহ সব ধরনের লেখালেখির মাধ্যম করার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর গবেষণামূলক প্রবন্ধের বই ‘বাঙালির ইতিহাস চর্চার পথের কাঁটা’য় তিনি কথ্য বাংলা ব্যবহার করেন।
প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত ফয়েজ আলমের পাঁচটি কবিতার বই—‘ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ খাওয়া মানুষ’, ‘জলছাপে লেখা’, ‘রাইতের আগে একটা গান’, ‘আমারে উড়াও ধুলা’, ‘যখন রুহুরে হারায়া ফেলি’; প্রবন্ধের বই ছয়টি—‘প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি’, ‘উত্তর-উপনিবেশী মন’, ‘ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে’, ‘বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব’, ‘ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস’, ‘বাঙালির ইতিহাস চর্চার পথের কাঁটা’ এবং অনুবাদগ্রন্থ—এডওয়ার্ড সাঈদের ‘অরিয়েন্টালিজম’, ‘কাভারিং ইসলাম’; জ্যাক দেরিদা, এডওয়ার্ড সাঈদের নির্বাচিত রচনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

স্বতন্ত্র ধারার কবি, উত্তর-ঔপনিবেশিক তাত্ত্বিক ও চিন্তক ফয়েজ আলমের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনারকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
‘ফয়েজ আলম: তার সৃষ্টিশীল পথরেখা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত ওই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহ. ফজলুর রহমান সিএসপি। শিল্পসাহিত্যসংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠন—ঢাকা রিপোর্ট ২৪ ডটকম, বাঙালমেল, সরলরেখা, বায়োগ্রাফি ফাউন্ডেশন, বুকওয়ার্ম সোসাইটি ও কাব্যস্বর সম্মিলিতভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন লেখক-গবেষক আবু সাঈদ তুলু, কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল, কবি খলিল মজিদ, জহির হাসান, রাজু আহমেদ মামুন, মামুন খান, ইমরান মাহফুজ, মামুন আজাদ, কবি ও লিটলম্যাগ সম্পাদক রিসি দলাই, শওকত হোসেন, ইকতিজা আহসান প্রমুখ।
এ ছাড়া ফয়েজ আলমের সহপাঠী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। ওই অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের গুণমুগ্ধ পাঠকসহ দেড় শতাধিক সাহিত্যপ্রেমী মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সাহিত্যকর্মের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, কবির কবিতা থেকে পাঠ ও আবৃত্তি এবং কবিতার দৃশ্যায়ন প্রদর্শিত হয়। পরে কেক কেটে কবির জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কবি ফয়েজ আলমের সাহিত্যকর্ম, উত্তর-ঔপনিবেশিক চিন্তাধারা, তাত্ত্বিক পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, ‘এ সময়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ চিন্তক হিসেবে ফয়েজ আলম স্বকীয়তা অর্জন করেছেন। প্রায় তিন দশকের লেখালেখির মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে উপনিবেশের অভিজ্ঞতা ও নেতিবাচক প্রভাব বিষয়ে নয়া দৃষ্টিভঙ্গির অবতারণা করেছেন। আর মননের মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের সামগ্রিক চর্চায় নতুন এই বিচারিক দৃষ্টিকোণের প্রায়োগিক সুযোগ ও যথাযথ পরিসরও নির্মাণ করেছেন।’ বাংলাদেশের জনমানুষের কথ্য বাংলাকে তিনি লেখার ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন, এ ধারা এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া জোরদার এক আন্দোলন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ফয়েজ আলম তাঁর ‘ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস’ বইটিতে বাংলাদেশের জনমানুষের সর্বাঞ্চলীয় কথ্যরীতি সাহিত্যসহ সব ধরনের লেখালেখির মাধ্যম করার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর গবেষণামূলক প্রবন্ধের বই ‘বাঙালির ইতিহাস চর্চার পথের কাঁটা’য় তিনি কথ্য বাংলা ব্যবহার করেন।
প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত ফয়েজ আলমের পাঁচটি কবিতার বই—‘ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ খাওয়া মানুষ’, ‘জলছাপে লেখা’, ‘রাইতের আগে একটা গান’, ‘আমারে উড়াও ধুলা’, ‘যখন রুহুরে হারায়া ফেলি’; প্রবন্ধের বই ছয়টি—‘প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি’, ‘উত্তর-উপনিবেশী মন’, ‘ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে’, ‘বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব’, ‘ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস’, ‘বাঙালির ইতিহাস চর্চার পথের কাঁটা’ এবং অনুবাদগ্রন্থ—এডওয়ার্ড সাঈদের ‘অরিয়েন্টালিজম’, ‘কাভারিং ইসলাম’; জ্যাক দেরিদা, এডওয়ার্ড সাঈদের নির্বাচিত রচনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জাতীয় নেতারা এবং জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক কর্মকর্তাদের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বকালে ২০০২ সালে স্থাপিত জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর পুনঃস্থাপন
৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের (বিএইচআরএফ) চেয়ারপারসন ও মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট এলিনা খান দেশজুড়ে শীতার্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার আগে অর্থনীতিকে তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রেখে যাচ্ছেন—এমনটাই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক মূল্যায়নে।
২ ঘণ্টা আগে
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ দিয়ে ১৪ জানুয়ারি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইজারা পদ্ধতিতে ১০ বছর মেয়াদি এই বন্ড থেকে বছরে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মুনাফা মিলবে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
৫ ঘণ্টা আগে