নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সদ্য প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি এয়ারলাইনস এয়ার অ্যাস্ট্রার লিজ নেওয়া চারটি উড়োজাহাজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে দেশে আনা হবে দুটো উড়োজাহাজ। আর বাকি দুটো উড়োজাহাজ অক্টোবর ও নভেম্বরে পর্যায়ক্রমে দেশে আসবে। এয়ার অ্যাস্ট্রার বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করা হবে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এয়ার অ্যাস্ট্রা ৪টি এটিআর ৭২-৬০০ মডেলের প্লেন লিজ নিয়েছে। প্রথম দুটো প্লেন সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসবে। আর এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেটের (এওসি) অডিট করবে অক্টোবরের প্রথমে। এওসি পাওয়ার পর টিকিট বিক্রি শুরু করা যাবে। আশা করছি, নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যাস্ট্রা। যাত্রা শুরুর প্রথম দিন থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রুটের প্রতিটি বিমানবন্দরেই ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।’
এয়ার অ্যাস্ট্রা থেকে আগে জানানো হয়েছিল মার্চ-এপ্রিলে ফ্লাইট চালু করা হবে। এখন বলা হচ্ছে নভেম্বরে চালু হবে এয়ার অ্যাস্ট্রার ফ্লাইট। ফ্লাইট চালুতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে ইমরান আসিফ বলেন, ‘এয়ারক্রাফট (উড়োজাহাজ) লিজ আনা হচ্ছে ফ্রান্স ও বুলগেরিয়া থেকে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমাদের এয়ারক্রাফটগুলো লিজ প্রসেস শেষ করতে সময় লেগেছে।’
এদিকে শাহজালালে স্থান সংকট হওয়ায় এয়ার অ্যাস্ট্রাকে আপাতত ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং স্টেশন করতে বলেছে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ বিষয়ে এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জানান, ঢাকায় পার্কিং সংকট দেখা দিলে অন্যত্র পার্কিংয়ে ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে বেবিচক। এয়ার অ্যাস্ট্রা ঢাকা থেকে ফ্লাইট অপারেশন করবে। ঢাকা পার্কিং সংকট হলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং করা হবে। সেখানে পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে।
২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে এয়ারলাইনস প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্তি ও ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন জমা দেয় এয়ার অ্যাস্ট্রা। ওই বছরের ৪ নভেম্বর তারা এনওসি পায়। বর্তমানে দেশীয় তিনটি এয়ারলাইনস রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এছাড়া বেসরকারি এয়ারলাইনসের মধ্যে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং নভোএয়ার।

সদ্য প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি এয়ারলাইনস এয়ার অ্যাস্ট্রার লিজ নেওয়া চারটি উড়োজাহাজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে দেশে আনা হবে দুটো উড়োজাহাজ। আর বাকি দুটো উড়োজাহাজ অক্টোবর ও নভেম্বরে পর্যায়ক্রমে দেশে আসবে। এয়ার অ্যাস্ট্রার বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরু করা হবে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আজ বুধবার এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এয়ার অ্যাস্ট্রা ৪টি এটিআর ৭২-৬০০ মডেলের প্লেন লিজ নিয়েছে। প্রথম দুটো প্লেন সেপ্টেম্বর মাসে দেশে আসবে। আর এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেটের (এওসি) অডিট করবে অক্টোবরের প্রথমে। এওসি পাওয়ার পর টিকিট বিক্রি শুরু করা যাবে। আশা করছি, নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যাস্ট্রা। যাত্রা শুরুর প্রথম দিন থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রুটের প্রতিটি বিমানবন্দরেই ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।’
এয়ার অ্যাস্ট্রা থেকে আগে জানানো হয়েছিল মার্চ-এপ্রিলে ফ্লাইট চালু করা হবে। এখন বলা হচ্ছে নভেম্বরে চালু হবে এয়ার অ্যাস্ট্রার ফ্লাইট। ফ্লাইট চালুতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে ইমরান আসিফ বলেন, ‘এয়ারক্রাফট (উড়োজাহাজ) লিজ আনা হচ্ছে ফ্রান্স ও বুলগেরিয়া থেকে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমাদের এয়ারক্রাফটগুলো লিজ প্রসেস শেষ করতে সময় লেগেছে।’
এদিকে শাহজালালে স্থান সংকট হওয়ায় এয়ার অ্যাস্ট্রাকে আপাতত ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং স্টেশন করতে বলেছে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ বিষয়ে এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জানান, ঢাকায় পার্কিং সংকট দেখা দিলে অন্যত্র পার্কিংয়ে ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছে বেবিচক। এয়ার অ্যাস্ট্রা ঢাকা থেকে ফ্লাইট অপারেশন করবে। ঢাকা পার্কিং সংকট হলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং করা হবে। সেখানে পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে।
২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে এয়ারলাইনস প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্তি ও ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন জমা দেয় এয়ার অ্যাস্ট্রা। ওই বছরের ৪ নভেম্বর তারা এনওসি পায়। বর্তমানে দেশীয় তিনটি এয়ারলাইনস রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এছাড়া বেসরকারি এয়ারলাইনসের মধ্যে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং নভোএয়ার।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৩ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৩ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৭ ঘণ্টা আগে