
বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্ববিখ্যাত চিন্তাবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে দেশসেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ এবং নগদ ডিজিটাল ব্যাংক। সেই সঙ্গে নতুন এই সরকারের সকল উপদেষ্টাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল হক বলেছেন, অর্থনীতির কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ইউনূসের হাত ধরে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাবে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এক নবজাগরণ ঘটেছে ছাত্র সমাজ তথা তারুণ্য শক্তির মাধ্যমে। নগদ শুরু থেকেই তার চলার পথে তারুণ্যকে প্রধান শক্তি বলে মনে করে। সেই তরুণদের আহ্বানেই এই সংকটকালে দেশের দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছেন সারা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই দেশের অপার সম্ভাবনা ও তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যোগ্য মানুষ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে সারা পৃথিবীকে বদলে গেছে। এবার আমাদের সৌভাগ্য, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে তিনি রাজি হয়েছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আমি আশা করি, তাঁর দেখানো পথে নগদও এগিয়ে যাবে।’
১৯৪০ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া শিক্ষাবিদ ড. ইউনূস বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি সামনে আনেন দুনিয়া বদলে দেওয়া সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণা। বাংলাদেশ ও তৃতীয় বিশ্বের শত শত দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই চিন্তা বিরাট ভূমিকা রাখে। ফল হিসেবে তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এরপর তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানসূচক তিনটি পুরস্কার প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম, কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল এবং অলিম্পিক লরেল সহ শতাধিক বিশ্ববিখ্যাত পুরস্কার লাভ করেন।
প্রফেসর ইউনূস কেবল বাংলাদেশকে নয়, সারা পৃথিবীকে দেখিয়েছেন, তারুণ্য ও সমবেত শক্তি কী করে দারিদ্র্য দূর করে। তাঁর কর্মকাণ্ডেই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ঈর্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ মূলত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়ে দারিদ্র্য দূর করার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
প্যারিস অলিম্পিকের উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরে বলেছেন, তরুণদের শক্তিকে এবং বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। একই স্বপ্ন নিয়ে এই গুণী মানুষটির দেখানো পথে কাজ করে যাচ্ছে নগদ।
উল্লেখ করা যেতে পারে মাত্র পাঁচ বছর আগে যাত্রা শুরু করা নগদ দ্রুততম সময়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবায় পরিণত হয়েছে। এখন নগদ সাড়ে নয় কোটি গ্রাহকের এক পরিবার। তাঁরাও একটি তারুণ্য নির্ভর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে।

বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং বিশ্ববিখ্যাত চিন্তাবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে দেশসেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ এবং নগদ ডিজিটাল ব্যাংক। সেই সঙ্গে নতুন এই সরকারের সকল উপদেষ্টাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল হক বলেছেন, অর্থনীতির কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ইউনূসের হাত ধরে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাবে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এক নবজাগরণ ঘটেছে ছাত্র সমাজ তথা তারুণ্য শক্তির মাধ্যমে। নগদ শুরু থেকেই তার চলার পথে তারুণ্যকে প্রধান শক্তি বলে মনে করে। সেই তরুণদের আহ্বানেই এই সংকটকালে দেশের দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছেন সারা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই দেশের অপার সম্ভাবনা ও তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যোগ্য মানুষ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে সারা পৃথিবীকে বদলে গেছে। এবার আমাদের সৌভাগ্য, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে তিনি রাজি হয়েছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আমি আশা করি, তাঁর দেখানো পথে নগদও এগিয়ে যাবে।’
১৯৪০ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া শিক্ষাবিদ ড. ইউনূস বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি সামনে আনেন দুনিয়া বদলে দেওয়া সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণা। বাংলাদেশ ও তৃতীয় বিশ্বের শত শত দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই চিন্তা বিরাট ভূমিকা রাখে। ফল হিসেবে তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এরপর তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানসূচক তিনটি পুরস্কার প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম, কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল এবং অলিম্পিক লরেল সহ শতাধিক বিশ্ববিখ্যাত পুরস্কার লাভ করেন।
প্রফেসর ইউনূস কেবল বাংলাদেশকে নয়, সারা পৃথিবীকে দেখিয়েছেন, তারুণ্য ও সমবেত শক্তি কী করে দারিদ্র্য দূর করে। তাঁর কর্মকাণ্ডেই বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ঈর্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ মূলত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়ে দারিদ্র্য দূর করার জন্যই কাজ করে যাচ্ছে।
প্যারিস অলিম্পিকের উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরে বলেছেন, তরুণদের শক্তিকে এবং বিপ্লবকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। একই স্বপ্ন নিয়ে এই গুণী মানুষটির দেখানো পথে কাজ করে যাচ্ছে নগদ।
উল্লেখ করা যেতে পারে মাত্র পাঁচ বছর আগে যাত্রা শুরু করা নগদ দ্রুততম সময়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবায় পরিণত হয়েছে। এখন নগদ সাড়ে নয় কোটি গ্রাহকের এক পরিবার। তাঁরাও একটি তারুণ্য নির্ভর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৯ ঘণ্টা আগে