আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আনোয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফর্টিস ডাউনটাউনে দিনব্যাপী এক উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শুভানুধ্যায়ী মিলিয়ে শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও আবেগঘন।
২০০১ সালে যাত্রা শুরু করেছিল আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক—আবাসন খাতে এক নতুন স্বপ্ন নিয়ে। তখন থেকে অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য নিরাপদ, টেকসই ও মানসম্পন্ন আবাসন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ এটি দেশের অন্যতম শীর্ষ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, সঙ্গে রয়েছে ISO 9001: 2008 সার্টিফিকেশন।
সকালে অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান মানোয়ার হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন মেহমুদ, গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসেন খালেদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হোসেন আক্তারসহ আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী।
ব্যবস্থাপনামণ্ডলীর বক্তব্যে বক্তারা বলেন, আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক শুধু আবাসন নির্মাণ করে না, মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবের ছোঁয়া দেয়। আগামী দিনে আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে, যাতে কম খরচে আধুনিক ও টেকসই ফ্ল্যাট মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। আবেগঘন মুহূর্তে একজন কর্মী বলেন, এখানে কাজ করা শুধু চাকরি নয়, এটা পরিবারের অংশ হয়ে ওঠা। তাঁর এ কথার সঙ্গে সঙ্গে পুরো আয়োজন আরও হৃদয়স্পর্শী করে তোলে।
দুপুরে পরিবেশিত হয় জমকালো মধ্যাহ্নভোজ আর বিকেল-সন্ধ্যায় ছিল প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সুরের আবেশ ছড়িয়ে দেন জনপ্রিয় শিল্পী তানজীব সারোয়ার ও আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের কর্মকর্তারা। করতালি আর হাসির উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।
দিনশেষে আয়োজকেরা বলেন, ‘এ উদ্যাপন শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়, বরং আমাদের পাশে থাকা প্রতিটি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। আগামী দিনে আবাসন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব।’
২৪ বছরের এই যাত্রা সবাইকে আবার মনে করিয়ে দিল—প্রতিশ্রুতি ও নিষ্ঠা থাকলে সাফল্য, আস্থা আর স্বপ্ন নিয়ে একসঙ্গে পথচলা সম্ভব।

আনোয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফর্টিস ডাউনটাউনে দিনব্যাপী এক উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শুভানুধ্যায়ী মিলিয়ে শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও আবেগঘন।
২০০১ সালে যাত্রা শুরু করেছিল আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক—আবাসন খাতে এক নতুন স্বপ্ন নিয়ে। তখন থেকে অভিজাত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য নিরাপদ, টেকসই ও মানসম্পন্ন আবাসন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। আজ এটি দেশের অন্যতম শীর্ষ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, সঙ্গে রয়েছে ISO 9001: 2008 সার্টিফিকেশন।
সকালে অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান মানোয়ার হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন মেহমুদ, গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসেন খালেদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হোসেন আক্তারসহ আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী।
ব্যবস্থাপনামণ্ডলীর বক্তব্যে বক্তারা বলেন, আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক শুধু আবাসন নির্মাণ করে না, মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবের ছোঁয়া দেয়। আগামী দিনে আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে, যাতে কম খরচে আধুনিক ও টেকসই ফ্ল্যাট মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরতদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। আবেগঘন মুহূর্তে একজন কর্মী বলেন, এখানে কাজ করা শুধু চাকরি নয়, এটা পরিবারের অংশ হয়ে ওঠা। তাঁর এ কথার সঙ্গে সঙ্গে পুরো আয়োজন আরও হৃদয়স্পর্শী করে তোলে।
দুপুরে পরিবেশিত হয় জমকালো মধ্যাহ্নভোজ আর বিকেল-সন্ধ্যায় ছিল প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সুরের আবেশ ছড়িয়ে দেন জনপ্রিয় শিল্পী তানজীব সারোয়ার ও আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের কর্মকর্তারা। করতালি আর হাসির উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।
দিনশেষে আয়োজকেরা বলেন, ‘এ উদ্যাপন শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়, বরং আমাদের পাশে থাকা প্রতিটি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। আগামী দিনে আবাসন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব।’
২৪ বছরের এই যাত্রা সবাইকে আবার মনে করিয়ে দিল—প্রতিশ্রুতি ও নিষ্ঠা থাকলে সাফল্য, আস্থা আর স্বপ্ন নিয়ে একসঙ্গে পথচলা সম্ভব।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৩১ মিনিট আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৪৩ মিনিট আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৪ ঘণ্টা আগে