
‘টপ মোস্ট গ্লোবাল এইচআর লিডার’ সম্মাননা পেয়েছেন ডেকো ইশো গ্রুপের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) চৌধুরি আবদ-আল্লাহ কাসীদ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৩০ তম ওয়ার্ল্ড এইচআর কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করার জন্য তিনি ওয়ার্ল্ড এইচআর ফেডারেশন থেকে আমন্ত্রিত হন। সম্মাননাটি চৌধুরী কাসীদকে মূলত দেওয়া হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে।
তিনি মার্চের ২১ ও ২২ তারিখে মুম্বাইয়ের তাজ ল্যান্ড অ্যান্ড হোটেলে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে তিনি কীনোট স্পিকার হিসেবেও উপস্থিত ছিলেন। কীনোট বক্তব্যের বিষয়বস্তু ছিল ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করে দৃঢ়ভাবে টিকে থাকা।
উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড এইচ আর ফেডারেশন হলো এমন একটি সংগঠন, যেখানে বিশ্বের প্রায় ১০৬টি দেশের প্রায় ৩০ হাজার সদস্য রয়েছে। এটি তাদের সদস্যদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে ও বিশেষভাবে বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ উন্নয়নে সদস্যদের কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব মূল্যায়ন করে থাকে এবং তাদের মধ্য থেকেই প্রতি বছর প্রায় কয়েকশত সদস্যকে সম্মাননা প্রদান করে থাকে। এ বছর তাদের মাঝে বাংলাদেশ থেকে ৩ জন সম্মাননা গ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, যার মধ্যে চৌধুরী কাসীদ ছিলেন অন্যতম।
চৌধুরী কাসিদ এর আগেও ২০১৭,২০১৮ ও ২০১৯ সালে এই ওয়ার্ল্ড এইচ আর কংগ্রেস থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৮ ও ২০২০ সালে কীনোট স্পিকার হিসেবে অন্যান্য বিষয়ের ওপর বক্তব্য পেশ করার সম্মাননা লাভ করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এই পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে একমাত্র তিনিই উক্ত অনুষ্ঠানে কীনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সম্মান অর্জন করেছেন।
এবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০টি দেশ থেকে ১ হাজার অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। সাধারণত অন্যান্য বছর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক দেশ থেকে ২ থেকে ৪ হাজারের মধ্যে থাকে। কিন্তু কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকায় এ বছর কিছুটা সীমিত আকারে আয়োজন করা হয়েছিল এবারের অনুষ্ঠান। এখানে মানবসম্পদ প্রফেশনাল ছাড়াও অন্যান্য খাতের খ্যাতিমান ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

‘টপ মোস্ট গ্লোবাল এইচআর লিডার’ সম্মাননা পেয়েছেন ডেকো ইশো গ্রুপের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) চৌধুরি আবদ-আল্লাহ কাসীদ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৩০ তম ওয়ার্ল্ড এইচআর কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করার জন্য তিনি ওয়ার্ল্ড এইচআর ফেডারেশন থেকে আমন্ত্রিত হন। সম্মাননাটি চৌধুরী কাসীদকে মূলত দেওয়া হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে।
তিনি মার্চের ২১ ও ২২ তারিখে মুম্বাইয়ের তাজ ল্যান্ড অ্যান্ড হোটেলে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে তিনি কীনোট স্পিকার হিসেবেও উপস্থিত ছিলেন। কীনোট বক্তব্যের বিষয়বস্তু ছিল ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করে দৃঢ়ভাবে টিকে থাকা।
উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড এইচ আর ফেডারেশন হলো এমন একটি সংগঠন, যেখানে বিশ্বের প্রায় ১০৬টি দেশের প্রায় ৩০ হাজার সদস্য রয়েছে। এটি তাদের সদস্যদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে ও বিশেষভাবে বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ উন্নয়নে সদস্যদের কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব মূল্যায়ন করে থাকে এবং তাদের মধ্য থেকেই প্রতি বছর প্রায় কয়েকশত সদস্যকে সম্মাননা প্রদান করে থাকে। এ বছর তাদের মাঝে বাংলাদেশ থেকে ৩ জন সম্মাননা গ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, যার মধ্যে চৌধুরী কাসীদ ছিলেন অন্যতম।
চৌধুরী কাসিদ এর আগেও ২০১৭,২০১৮ ও ২০১৯ সালে এই ওয়ার্ল্ড এইচ আর কংগ্রেস থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। এ ছাড়া তিনি ২০১৮ ও ২০২০ সালে কীনোট স্পিকার হিসেবে অন্যান্য বিষয়ের ওপর বক্তব্য পেশ করার সম্মাননা লাভ করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এই পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে একমাত্র তিনিই উক্ত অনুষ্ঠানে কীনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সম্মান অর্জন করেছেন।
এবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০টি দেশ থেকে ১ হাজার অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। সাধারণত অন্যান্য বছর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় শতাধিক দেশ থেকে ২ থেকে ৪ হাজারের মধ্যে থাকে। কিন্তু কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ থাকায় এ বছর কিছুটা সীমিত আকারে আয়োজন করা হয়েছিল এবারের অনুষ্ঠান। এখানে মানবসম্পদ প্রফেশনাল ছাড়াও অন্যান্য খাতের খ্যাতিমান ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৮ ঘণ্টা আগে