নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট ৪ হাজার ১০৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কম।
প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রভাব পড়েছে তাদের আয়ে। দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৬৩ লাখে। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৫ কোটি ৩ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন।
বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে অর্থনৈতিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি আমরা। টেলিকমসহ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও কৌশলগত বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে এ ফলাফল অর্জন করেছি আমরা। গত প্রান্তিকের তুলনায় রাজস্ব বৃদ্ধি পাওয়া এবং সুশৃঙ্খল ব্যয় ব্যবস্থাপনার কল্যাণে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় মোট কর-পরবর্তী মুনাফা ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করতে আমরা সংকল্পবদ্ধ। আমরা ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য লভ্যাংশ প্রদান করতে চাই। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের জন্য আমরা শেয়ারপ্রতি ১১ টাকা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ বছর প্রথমবারের মতো হজযাত্রীরা স্থানীয় মুদ্রার (টাকা) মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে আন্তর্জাতিক রোমিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন। টেলিকম খাত ও সরকারের যৌথ সহযোগিতার এটি এক মাইলফলক অর্জন। আমাদের রূপান্তরের যাত্রায় অন্যতম একটি সূচক হচ্ছে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি। এদিক থেকে টেলিকম খাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে একটি মানদণ্ড তৈরি করেছে মাইজিপি। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থানীয় সেলফ সার্ভিস অ্যাপে পরিণত হয়েছে। প্রতি মাসে এই অ্যাপ ব্যবহার করেন ২ কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক। আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেখানে সবকিছু হবে এআইভিত্তিক। এর বিকল্প নেই, এটি অবধারিত। এই প্রেক্ষাপটে কোম্পানির সক্ষমতা বাড়াতে, প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকদের আরও মানসম্মত সেবা প্রদান করতে আমাদের কর্মী ও লিডারশিপ টিমকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলছি, কার্যক্রমের ধরন নিয়ে নতুন করে ভাবছি এবং এআইচালিত মডেল তৈরি করছি আমরা।’
গ্রামীণফোনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, ‘অর্থনীতি কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে, কমতে শুরু করেছে মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারও স্থিতিশীল হচ্ছে। অন্যদিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা আমাদের জন্য বাড়তি অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। কারণ, বাংলাদেশের শক্তিশালী বস্ত্র খাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজার গুরুত্বপূর্ণ। সামগ্রিক অর্থনীতির এমন পরিস্থিতিতে মার্জিন নিশ্চিত করতে আমরা সুশৃঙ্খল ব্যয় ও মূলধন ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ দিয়েছি, যাতে শীর্ষ অবস্থান অব্যাহত থাকে।
‘বিক্রীত পণ্য ও সেবার ব্যয় (সিওজিএস) এবং পরিচালন ব্যয় উভয়ই কমায় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের সামগ্রিক ব্যয় ২ শতাংশ কমেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের মোট রাজস্ব আয় কমেছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে মূলত ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ঈদ ঘিরে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গত প্রান্তিকের তুলনায় এ প্রান্তিকে রাজস্ব ৭ শতাংশ বেড়েছে। পরপর দুই প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ বৃদ্ধি পেয়েছে, এই প্রান্তিকে যার পরিমাণ ২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা; পূর্ববর্তী প্রান্তিকের তুলনায় এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আমি এটা দেখে সন্তুষ্ট যে ভালো টপ লাইন ডেভেলপমেন্ট এবং সুশৃঙ্খল ব্যয়ের কল্যাণে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় মোট কর পরবর্তী মুনাফা ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে আগের বছরের তুলনায় ভালো একটি প্রবৃদ্ধি দেখতে পাব বলে আমি আশাবাদী।’

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট ৪ হাজার ১০৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কম।
প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রভাব পড়েছে তাদের আয়ে। দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৬৩ লাখে। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৫ কোটি ৩ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।
আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে গ্রামীণফোন।
বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে অর্থনৈতিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি আমরা। টেলিকমসহ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও কৌশলগত বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে এ ফলাফল অর্জন করেছি আমরা। গত প্রান্তিকের তুলনায় রাজস্ব বৃদ্ধি পাওয়া এবং সুশৃঙ্খল ব্যয় ব্যবস্থাপনার কল্যাণে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় মোট কর-পরবর্তী মুনাফা ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করতে আমরা সংকল্পবদ্ধ। আমরা ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য লভ্যাংশ প্রদান করতে চাই। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের জন্য আমরা শেয়ারপ্রতি ১১ টাকা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ বছর প্রথমবারের মতো হজযাত্রীরা স্থানীয় মুদ্রার (টাকা) মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে আন্তর্জাতিক রোমিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন। টেলিকম খাত ও সরকারের যৌথ সহযোগিতার এটি এক মাইলফলক অর্জন। আমাদের রূপান্তরের যাত্রায় অন্যতম একটি সূচক হচ্ছে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি। এদিক থেকে টেলিকম খাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে একটি মানদণ্ড তৈরি করেছে মাইজিপি। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থানীয় সেলফ সার্ভিস অ্যাপে পরিণত হয়েছে। প্রতি মাসে এই অ্যাপ ব্যবহার করেন ২ কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক। আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেখানে সবকিছু হবে এআইভিত্তিক। এর বিকল্প নেই, এটি অবধারিত। এই প্রেক্ষাপটে কোম্পানির সক্ষমতা বাড়াতে, প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকদের আরও মানসম্মত সেবা প্রদান করতে আমাদের কর্মী ও লিডারশিপ টিমকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলছি, কার্যক্রমের ধরন নিয়ে নতুন করে ভাবছি এবং এআইচালিত মডেল তৈরি করছি আমরা।’
গ্রামীণফোনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অটো মাগনে রিসব্যাক বলেন, ‘অর্থনীতি কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে, কমতে শুরু করেছে মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারও স্থিতিশীল হচ্ছে। অন্যদিকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা আমাদের জন্য বাড়তি অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। কারণ, বাংলাদেশের শক্তিশালী বস্ত্র খাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজার গুরুত্বপূর্ণ। সামগ্রিক অর্থনীতির এমন পরিস্থিতিতে মার্জিন নিশ্চিত করতে আমরা সুশৃঙ্খল ব্যয় ও মূলধন ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ দিয়েছি, যাতে শীর্ষ অবস্থান অব্যাহত থাকে।
‘বিক্রীত পণ্য ও সেবার ব্যয় (সিওজিএস) এবং পরিচালন ব্যয় উভয়ই কমায় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের সামগ্রিক ব্যয় ২ শতাংশ কমেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমাদের মোট রাজস্ব আয় কমেছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে মূলত ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ঈদ ঘিরে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গত প্রান্তিকের তুলনায় এ প্রান্তিকে রাজস্ব ৭ শতাংশ বেড়েছে। পরপর দুই প্রান্তিকে ইবিআইটিডিএ বৃদ্ধি পেয়েছে, এই প্রান্তিকে যার পরিমাণ ২ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা; পূর্ববর্তী প্রান্তিকের তুলনায় এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আমি এটা দেখে সন্তুষ্ট যে ভালো টপ লাইন ডেভেলপমেন্ট এবং সুশৃঙ্খল ব্যয়ের কল্যাণে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় মোট কর পরবর্তী মুনাফা ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে আগের বছরের তুলনায় ভালো একটি প্রবৃদ্ধি দেখতে পাব বলে আমি আশাবাদী।’

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২০ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২০ ঘণ্টা আগে