পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ‘যাকাত ও ক্যাশ ওয়াক্ফ ক্যাম্পেইন-২০২৫’ শীর্ষক মাসব্যাপী একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুস সায়াদাত।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার ব্যবস্থাপক এম এ মোতালেব, শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি সেক্রেটারিয়েটের প্রধান সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানেরা এবং ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ব্যাংকের সব শাখার ব্যবস্থাপক, উপশাখার ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নাজমুস সায়াদাত বলেন, পবিত্র রমজান মাস যাকাত ও সদকা আদায়ের মাস। যাকাত ও সদকা আদায়ের একটি সহজ ও সুন্দর ব্যবস্থা হলো ক্যাশ ওয়াক্ফ। ক্যাশ ওয়াক্ফ একটি স্বেচ্ছামূলক ও স্থায়ী দান, যেখানে মূল টাকা সংরক্ষিত থাকে এবং এর থেকে অর্জিত মুনাফা হিসাবধারীর ইচ্ছেমতো বিভিন্ন কল্যাণধর্মী খাতে ব্যয় করা হয়। তিনি ব্যাংকের কল্যাণধর্মী এই সেবাপণ্য সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের হোম ডেকোর ও লাইফস্টাইল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ব্রাজিলে ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এবং ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় সাও পাওলোর ডিস্ট্রিটো আনহেমবি প্রাঙ্গণে গতকাল মঙ্গলবার
২ ঘণ্টা আগে
দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
১২ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
১৪ ঘণ্টা আগে