
ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ‘Glow & Beyond by Glow & Lovely’। এতে গ্লো অ্যান্ড লাভলির নতুন ইনোভেশন, ‘ব্রাইটেনিং ফেস সিরাম’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় নারী ইনফ্লুয়েন্সার ফারহানা বীথি, সুনেহরা তাসনিম, ঈশায়া তাহসীন, ইশরাত জাহিনসহ প্রায় ৪০ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটর উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া গ্লো অ্যান্ড লাভলির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর সাবিলা নূর ও উপস্থাপক সারাহ আলম অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
গ্লো অ্যান্ড লাভলি সব সময় নারীদের সৌন্দর্যচর্চার প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে নতুন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট নিয়ে আসে। এবার ব্র্যান্ডটি এনেছে ‘গ্লো অ্যান্ড লাভলি ব্রাইটেনিং ফেস সিরাম’, যা নায়াসিনামাইডসহ বিশেষ উপাদানে তৈরি। এটি ৪ গুণ বেশি উজ্জ্বলতা দেয়।
বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে ইনফ্লুয়েন্সাররা স্কিন কেয়ার নিয়ে কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সাবিলা নূর নতুন প্রোডাক্টের ঘোষণা দেন। এরপর ইনফ্লুয়েন্সাররা প্রোডাক্ট টেস্টিং বুথে সিরাম ব্যবহার করে রিভিউ তৈরি করেন এবং কনটেন্ট তৈরি করেন।
সাবিলা নূর ইনফ্লুয়েন্সারদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান এবং তাঁদের মতামত শোনেন। তিনি বলেন, ‘তাঁরাই সামনের দিনের ট্রেন্ডসেটার। এটি আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে।’ নতুন প্রোডাক্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিরাম এখন স্কিন কেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গ্লো অ্যান্ড লাভলি এটি সহজলভ্য করে সবাইকে চমকে দিয়েছে।’
অনুষ্ঠানে গ্লো অ্যান্ড লাভলির সাদা ও গোলাপি থিমের সজ্জা ছিল লক্ষণীয়। পুরো আয়োজনটি পরিচালনা করে স্পেস মিডিয়া প্রোডাকশন। অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তোলার মাধ্যমে পর্দা নামে ‘Glow & Beyond by Glow & Lovely’-এর এক গ্লোয়িং সন্ধ্যার।

দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের হোম ডেকোর ও লাইফস্টাইল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ব্রাজিলে ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এবং ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় সাও পাওলোর ডিস্ট্রিটো আনহেমবি প্রাঙ্গণে গতকাল মঙ্গলবার
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় ধরনের লক্ষ্যভ্রষ্টতা দেখা দিয়েছে। যাঁদের জন্য কর্মসূচিগুলো, সেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বড় অংশ সুবিধার বাইরে; বিপরীতে সুবিধা পাওয়া মানুষের বড় অংশ দরিদ্র বা ঝুঁকিপূর্ণ নন। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীদের আমদানি পরিকল্পনায় কিছুটা আস্থা ফিরলেও এর প্রতিফলন এখনো প্রকৃত আমদানিতে দেখা যাচ্ছে না। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। বিপরীতে এলসি নিষ্পত্তির মাধ্যমে পরিমাপ করা প্রকৃত আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
গ্যাস-সংকটের কারণে ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলোয় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানাকে বয়লার ও জেনারেটর সচল রাখতে ডিজেলসহ অন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একদিকে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে উৎপাদনের পরিমাণ।
১৮ ঘণ্টা আগে