
ভারতের পাঞ্জাবের বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী মনজিত কৌর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অপহরণের পর মারধর করে গাছে বেঁধে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় তাঁর শরীরে। ২ মাস লড়াইয়ের পর মৃত্যুকে বেছে নিয়েছেন তিনি।

কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন। এ ছাড়া তার বাবা মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘পারফেক্ট’ ছবি বা ভিডিও তুলতে গিয়ে হাঙরের খুব কাছে চলে যাচ্ছেন অনেক ইনফ্লুয়েন্সার। এতে যেমন মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে, তেমনি বিরক্ত ও চাপগ্রস্ত হচ্ছে সামুদ্রিক প্রাণীও। গত এক বছরের কম সময়ে অন্তত তিনজন ইনফ্লুয়েন্সার হাঙরের কামড়ের শিকার হয়েছেন।

মেক্সিকোয় মাদক কার্টেলগুলোর সহিংসতার নতুন শিকার হচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সাররা। অনুসারী ও জনপ্রিয়তার কারণে একদিকে যেমন এসব ইনফ্লুয়েন্সার অপরাধী চক্রগুলোর প্রচার ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হয়ে উঠছেন, অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী কার্টেল কিংবা নিজ গোষ্ঠীর বিরোধের জেরেই তাঁরা হত্যাকাণ্ডের