
দেশে ১০ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি আর কোটি মানুষের মাঝে হ্যাপিনেস ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে গড়ে উঠেছে ‘কোচ কাঞ্চন একাডেমি’। সাফল্যের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ছয় বছর পার করে সাত বছরে পা রেখেছে।
গতকাল রোববার (৩০ জুন) সপ্তম বর্ষে পদার্পণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে সন্ধ্যায় ‘অন করি হ্যাপিনেস, ভালো রাখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে হ্যাপিনেস সেলিব্রেশন শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মুহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। যিনি কোচ কাঞ্চন নামেই সর্বমহলে পরিচিত।
এ সময় টেন মিনিটস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক, ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেইনার গোলাম সামদানি ডন, লেখক মার্ক অনুপম মল্লিক, সেলস লিডারশিপ ট্রেইনার ইউসুফ ইফতি, ক্যারিয়ার কোচ ট্রেইনিং সলিউশনস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জেমি, বিক্রয় প্রশিক্ষক রাজিব আহমেদ, পাবলিক স্পিকার সোলাইমান আহমেদ জিসান, কিডস টাইম-এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া, ভার্চুয়াল বিজনেস গ্রুপ ‘কওমি উদ্যোক্তা’র অ্যাডমিন মাওলানা রোকন রাইয়ান, ইন্সপায়ার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদসহ ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য লিডার ও বিজনেস আইকনরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা কোচ কাঞ্চনের হ্যাপিনেস কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উত্তরোত্তর উৎকর্ষ ও সাফল্য কামনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোলাম সামদানি ডন বলেন, ‘আমরা যখন নিজেদের অনেক সমস্যার সমাধান নিয়ে ব্যস্ত কোচ কাঞ্চন তখন সমাজে হ্যাপিনেস ছড়াতে ব্যস্ত। আর এই সাহসটা সবার মধ্যে থাকে না। আশা করছি, কোচ কাঞ্চনের এই কার্যক্রম সামনের দিনে আরও বড় পরিসরে পৌঁছাবে।’
লেখক মার্ক অনুপম মল্লিক বলেন, ‘কোচ কাঞ্চন এমন একজন মানুষ, যার মধ্যে জানার এবং শেখার প্রচণ্ড ক্ষুধা আছে এবং মজার বিষয় হচ্ছে, সেই ক্ষুধা তিনি অন্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, শেখার আগ্রহ বাড়াচ্ছেন। আমি বিশ্বাস করি, এই যাত্রায় তাঁর সাফল্য সুনিশ্চিত।’
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে, আগামী এক বছরে ১০ লাখ উদ্যোক্তাকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ঘোষণা দেন কোচ কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি হ্যাপিয়ার, হেলদিয়ার ও বেটার ওয়ার্ল্ড গড়ার মিশনে বদ্ধপরিকর। দেশে ১০ লাখ দক্ষ উদ্যোক্তা গড়া, কোটি মানুষের মাঝে হ্যাপিনেস ছড়িয়ে দেওয়া সেই মিশনেরই অংশ। কোচ কাঞ্চন একাডেমি নামের একটি বিন্দু ৭ বছরে পা দিয়ে, আজ এক সিন্ধুর নাম। এটা সম্ভব হয়েছে শুধু মানুষের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সব সময় পাশে থাকায়।’
তিনি বলেন, ‘৭-এ পা দিয়ে আমরা আরও সমৃদ্ধ, আরও পরিপূর্ণ, আরও বেশি দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। সামনের দিনেও উদ্যোক্তাসহ সবার জন্য আরও ভালো কিছু নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ।”
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে মানসিক অস্থিরতা দূর করে নিজেকে খুশি রাখার কৌশল ছড়িয়ে দেওয়ার যাত্রায় অনন্য এক নাম কোচ কাঞ্চন। তিনি একাধারে লেখক, উদ্যোক্তা ও হ্যাপিনেস কোচ। তিনি জীবনের কথা বলেন, জীবনকে নিয়ে ভাবার কথা বলেন। পাশাপাশি অরগানিক ব্র্যান্ড ন্যাচারালসের প্রতিষ্ঠাতাও মুহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন। বাংলাদেশি গ্লোবাল ব্র্যান্ড গড়ার লক্ষ্যে ছুটে চলছেন দেশ-বিদেশে।
২০১৮ সালে যাত্রা শুরুর পর এখন পর্যন্ত কোচ কাঞ্চন একাডেমি ৫০ হাজার ব্যক্তি কিংবা উদ্যোক্তাকে ব্যক্তি পর্যায়ে হ্যাপিনেস, ব্রেইন মাস্টারিং এবং বিজনেস গ্রোথ ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কঠিন সময়কে সুখী মুহূর্তে রূপান্তরিত করা, সুপার চার্জিং পদ্ধতিতে ব্যবসার উন্নতি সাধন করা এবং উদ্যোক্তাদের আট থেকে নয় অঙ্কের ভবিষ্যতের ব্যবসা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছে। কোচ কাঞ্চনের বই পড়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি পাঠক।

দেশে ১০ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি আর কোটি মানুষের মাঝে হ্যাপিনেস ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে গড়ে উঠেছে ‘কোচ কাঞ্চন একাডেমি’। সাফল্যের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ছয় বছর পার করে সাত বছরে পা রেখেছে।
গতকাল রোববার (৩০ জুন) সপ্তম বর্ষে পদার্পণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে সন্ধ্যায় ‘অন করি হ্যাপিনেস, ভালো রাখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে হ্যাপিনেস সেলিব্রেশন শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মুহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। যিনি কোচ কাঞ্চন নামেই সর্বমহলে পরিচিত।
এ সময় টেন মিনিটস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক, ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেইনার গোলাম সামদানি ডন, লেখক মার্ক অনুপম মল্লিক, সেলস লিডারশিপ ট্রেইনার ইউসুফ ইফতি, ক্যারিয়ার কোচ ট্রেইনিং সলিউশনস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জেমি, বিক্রয় প্রশিক্ষক রাজিব আহমেদ, পাবলিক স্পিকার সোলাইমান আহমেদ জিসান, কিডস টাইম-এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া, ভার্চুয়াল বিজনেস গ্রুপ ‘কওমি উদ্যোক্তা’র অ্যাডমিন মাওলানা রোকন রাইয়ান, ইন্সপায়ার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদসহ ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য লিডার ও বিজনেস আইকনরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা কোচ কাঞ্চনের হ্যাপিনেস কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উত্তরোত্তর উৎকর্ষ ও সাফল্য কামনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোলাম সামদানি ডন বলেন, ‘আমরা যখন নিজেদের অনেক সমস্যার সমাধান নিয়ে ব্যস্ত কোচ কাঞ্চন তখন সমাজে হ্যাপিনেস ছড়াতে ব্যস্ত। আর এই সাহসটা সবার মধ্যে থাকে না। আশা করছি, কোচ কাঞ্চনের এই কার্যক্রম সামনের দিনে আরও বড় পরিসরে পৌঁছাবে।’
লেখক মার্ক অনুপম মল্লিক বলেন, ‘কোচ কাঞ্চন এমন একজন মানুষ, যার মধ্যে জানার এবং শেখার প্রচণ্ড ক্ষুধা আছে এবং মজার বিষয় হচ্ছে, সেই ক্ষুধা তিনি অন্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, শেখার আগ্রহ বাড়াচ্ছেন। আমি বিশ্বাস করি, এই যাত্রায় তাঁর সাফল্য সুনিশ্চিত।’
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে, আগামী এক বছরে ১০ লাখ উদ্যোক্তাকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ঘোষণা দেন কোচ কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি হ্যাপিয়ার, হেলদিয়ার ও বেটার ওয়ার্ল্ড গড়ার মিশনে বদ্ধপরিকর। দেশে ১০ লাখ দক্ষ উদ্যোক্তা গড়া, কোটি মানুষের মাঝে হ্যাপিনেস ছড়িয়ে দেওয়া সেই মিশনেরই অংশ। কোচ কাঞ্চন একাডেমি নামের একটি বিন্দু ৭ বছরে পা দিয়ে, আজ এক সিন্ধুর নাম। এটা সম্ভব হয়েছে শুধু মানুষের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সব সময় পাশে থাকায়।’
তিনি বলেন, ‘৭-এ পা দিয়ে আমরা আরও সমৃদ্ধ, আরও পরিপূর্ণ, আরও বেশি দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। সামনের দিনেও উদ্যোক্তাসহ সবার জন্য আরও ভালো কিছু নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ।”
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে মানসিক অস্থিরতা দূর করে নিজেকে খুশি রাখার কৌশল ছড়িয়ে দেওয়ার যাত্রায় অনন্য এক নাম কোচ কাঞ্চন। তিনি একাধারে লেখক, উদ্যোক্তা ও হ্যাপিনেস কোচ। তিনি জীবনের কথা বলেন, জীবনকে নিয়ে ভাবার কথা বলেন। পাশাপাশি অরগানিক ব্র্যান্ড ন্যাচারালসের প্রতিষ্ঠাতাও মুহাম্মদ ইলিয়াস কাঞ্চন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন। বাংলাদেশি গ্লোবাল ব্র্যান্ড গড়ার লক্ষ্যে ছুটে চলছেন দেশ-বিদেশে।
২০১৮ সালে যাত্রা শুরুর পর এখন পর্যন্ত কোচ কাঞ্চন একাডেমি ৫০ হাজার ব্যক্তি কিংবা উদ্যোক্তাকে ব্যক্তি পর্যায়ে হ্যাপিনেস, ব্রেইন মাস্টারিং এবং বিজনেস গ্রোথ ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কঠিন সময়কে সুখী মুহূর্তে রূপান্তরিত করা, সুপার চার্জিং পদ্ধতিতে ব্যবসার উন্নতি সাধন করা এবং উদ্যোক্তাদের আট থেকে নয় অঙ্কের ভবিষ্যতের ব্যবসা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছে। কোচ কাঞ্চনের বই পড়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি পাঠক।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৫ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৯ ঘণ্টা আগে