
পাঁচবারের ধারাবাহিকতায় এবারও বছরের দশম মাসের ১০ তারিখে শুরু হওয়া দেশীয় ই-কমার্স সাইটগুলোর অনলাইন শপিং উৎসব ‘১০-১০ ’-এ বিকাশ পেমেন্টে ১০ শতাংশ ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। এই অফারের আওতায় ১০ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত জনপ্রিয় ৩০টি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা ও ক্যাম্পেইন চলাকালে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাবেন।
আজকের ডিল, সেবা এক্সওয়াইজেড, বাটা ই-কম, স্টার টেক, পাঠাও লিমিটেড, সারা লাইফস্টাইল, দর্জিবাড়ি, বাংলা শপার্সসহ ৩০টি অনলাইন কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম থেকে জামাকাপড়, জুতা, ইলেকট্রনিকস সামগ্রীসহ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা বিকাশ পেমেন্টে আরও সাশ্রয়ে ঘরে বসেই কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা।
গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে এবং ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ব্যবহার করে পেমেন্টের মাধ্যমে অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন। লিংকে ভিজিট করে অফারের বিস্তারিত জানা যাবে এবং ওয়েবসাইটে ভিজিট করে কেনাকাটা করা যাবে।
এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে ১০-১০ উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী, ১০-১০ উৎসবের প্রধান সমন্বয়কারী ফাহিম মাশরুরসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী বলেন, ‘শুরু থেকেই এই উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিকাশ সব সময়ই চেষ্টা করে গ্রাহকের লেনদেনে আরও বেশি স্বাধীনতা ও সক্ষমতা এনে দিতে। ডিজিটাল অর্থ যেন গ্রাহকেরা ডিজিটালপদ্ধতিতে খরচ করে অনায়াসে ও নিরাপদে অনলাইন কেনাকাটা করতে পারেন সে জন্যই এই উদ্যোগ। ১০-১০ ক্যাম্পেইন সফল ও জনপ্রিয় করতে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
আজকের ডিলের সিইও ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘২০১৮ সন থেকে প্রতিবছর অক্টোবর মাসে আয়োজন করা হচ্ছে ১০-১০। প্রথম বছর থেকেই বিকাশ এই আয়োজনের অনলাইন পেমেন্ট পার্টনার। শুধু দেশীয় ই-কমার্স কোম্পানিগুলো এই আয়োজনে অংশ নেয়। আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলো যে ভালো সার্ভিস আর সৎভাবে ব্যবসা করে উদীয়মান ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিচ্ছে, এই আয়োজন সেটা তুলে ধরতেই প্রতিবছর করা হচ্ছে। এবারই সর্বোচ্চসংখ্যক দেশীয় প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে।’
সেবা এক্সওয়াইজেডের চিফ অপারেটিং অফিসার ইলমুল হক সজিব বলেন, ‘১০-১০ মেলা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরই এর কলেবর বড় হচ্ছে। আমি আশা করি, এর মাধ্যমে ভোক্তাদের মধ্যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বিকাশকে ধন্যবাদ জানাই প্রতিবছর এ আয়োজনে পার্টনার হিসেবে থাকার জন্য।’

পাঁচবারের ধারাবাহিকতায় এবারও বছরের দশম মাসের ১০ তারিখে শুরু হওয়া দেশীয় ই-কমার্স সাইটগুলোর অনলাইন শপিং উৎসব ‘১০-১০ ’-এ বিকাশ পেমেন্টে ১০ শতাংশ ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। এই অফারের আওতায় ১০ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত জনপ্রিয় ৩০টি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা ও ক্যাম্পেইন চলাকালে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পাবেন।
আজকের ডিল, সেবা এক্সওয়াইজেড, বাটা ই-কম, স্টার টেক, পাঠাও লিমিটেড, সারা লাইফস্টাইল, দর্জিবাড়ি, বাংলা শপার্সসহ ৩০টি অনলাইন কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম থেকে জামাকাপড়, জুতা, ইলেকট্রনিকস সামগ্রীসহ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা বিকাশ পেমেন্টে আরও সাশ্রয়ে ঘরে বসেই কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা।
গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে এবং ইউএসএসডি কোড *২৪৭# ব্যবহার করে পেমেন্টের মাধ্যমে অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন। লিংকে ভিজিট করে অফারের বিস্তারিত জানা যাবে এবং ওয়েবসাইটে ভিজিট করে কেনাকাটা করা যাবে।
এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে ১০-১০ উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী, ১০-১০ উৎসবের প্রধান সমন্বয়কারী ফাহিম মাশরুরসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী বলেন, ‘শুরু থেকেই এই উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিকাশ সব সময়ই চেষ্টা করে গ্রাহকের লেনদেনে আরও বেশি স্বাধীনতা ও সক্ষমতা এনে দিতে। ডিজিটাল অর্থ যেন গ্রাহকেরা ডিজিটালপদ্ধতিতে খরচ করে অনায়াসে ও নিরাপদে অনলাইন কেনাকাটা করতে পারেন সে জন্যই এই উদ্যোগ। ১০-১০ ক্যাম্পেইন সফল ও জনপ্রিয় করতে আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
আজকের ডিলের সিইও ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘২০১৮ সন থেকে প্রতিবছর অক্টোবর মাসে আয়োজন করা হচ্ছে ১০-১০। প্রথম বছর থেকেই বিকাশ এই আয়োজনের অনলাইন পেমেন্ট পার্টনার। শুধু দেশীয় ই-কমার্স কোম্পানিগুলো এই আয়োজনে অংশ নেয়। আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলো যে ভালো সার্ভিস আর সৎভাবে ব্যবসা করে উদীয়মান ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিচ্ছে, এই আয়োজন সেটা তুলে ধরতেই প্রতিবছর করা হচ্ছে। এবারই সর্বোচ্চসংখ্যক দেশীয় প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে।’
সেবা এক্সওয়াইজেডের চিফ অপারেটিং অফিসার ইলমুল হক সজিব বলেন, ‘১০-১০ মেলা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরই এর কলেবর বড় হচ্ছে। আমি আশা করি, এর মাধ্যমে ভোক্তাদের মধ্যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বিকাশকে ধন্যবাদ জানাই প্রতিবছর এ আয়োজনে পার্টনার হিসেবে থাকার জন্য।’

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৭ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১১ ঘণ্টা আগে