
স্বপ্ননীড় নামের একটি অর্থায়ন প্রোডাক্ট সম্প্রতি বাজারে এনেছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি)। গত রোববার রাজধানীর বিএইচবিএফসি ভবনে প্রোডাক্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে প্রোডাক্টটির উদ্বোধন করেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএইচবিএফসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন পরিচালক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গৃহ নির্মাণ অর্থায়ন প্রোডাক্ট স্বপ্ননীড় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মরত নিম্নআয়ের চাকরিজীবীদের স্বপ্নের গৃহ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করেন প্রধান অতিথি শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, সমাজের বিশেষ শ্রেণি-পেশার বড় একটি জনগোষ্ঠী সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ আবাসিক গৃহ নির্মাণে এই অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
গৃহ নির্মাণে ঋণ ও বিনিয়োগ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের একমাত্র বিশেষায়িত সংস্থা বিএইচবিএফসি সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণে কাজ করছে। সহজ শর্ত ও দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ দেয় এ সংস্থা। স্বপ্ননীড় বিএইচবিএফসির ১২ তম ঋণ ও বিনিয়োগ প্রোডাক্ট। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রো এলাকায় এর সুদ কিংবা মুনাফার হার ৯ শতাংশ। এ দুটি এলাকার বাইরে এ হার মাত্র ৮ শতাংশ। কম-বেশি এক হাজার বর্গফুটের গৃহ নির্মাণে এ প্রোডাক্টের আওতায় সর্বোচ্চ সাতাশ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে। গ্রুপ ভিত্তিতে বহুতল ভবনের একক ইউনিট নির্মাণে নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
স্বপ্ননীড় প্রোডাক্টের বিশেষ দিক হলো, এর আওতায় টাকা নিতে গ্রাহককে বিনিয়োগ করতে হবে মোট খরচের মাত্র ১০ শতাংশ। বাকি ৯০ শতাংশই পাওয়া যাবে ঋণ কিংবা বিনিয়োগ আকারে। অর্থাৎ মাত্র ৩ লাখ টাকার ইকুইটির বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৭ লাখ টাকার ঋণ বা বিনিয়োগ মিলবে এ প্রোডাক্টের অধীনে। এর আরেকটি বিশেষ সুবিধা হলো আবেদন ও পরিদর্শন ফির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়। অন্য প্রোডাক্টের তুলনায় যা অর্ধেকের সমান।

স্বপ্ননীড় নামের একটি অর্থায়ন প্রোডাক্ট সম্প্রতি বাজারে এনেছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি)। গত রোববার রাজধানীর বিএইচবিএফসি ভবনে প্রোডাক্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে প্রোডাক্টটির উদ্বোধন করেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএইচবিএফসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন পরিচালক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
গৃহ নির্মাণ অর্থায়ন প্রোডাক্ট স্বপ্ননীড় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে কর্মরত নিম্নআয়ের চাকরিজীবীদের স্বপ্নের গৃহ নির্মাণে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করেন প্রধান অতিথি শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, সমাজের বিশেষ শ্রেণি-পেশার বড় একটি জনগোষ্ঠী সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ আবাসিক গৃহ নির্মাণে এই অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
গৃহ নির্মাণে ঋণ ও বিনিয়োগ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের একমাত্র বিশেষায়িত সংস্থা বিএইচবিএফসি সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণে কাজ করছে। সহজ শর্ত ও দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ দেয় এ সংস্থা। স্বপ্ননীড় বিএইচবিএফসির ১২ তম ঋণ ও বিনিয়োগ প্রোডাক্ট। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রো এলাকায় এর সুদ কিংবা মুনাফার হার ৯ শতাংশ। এ দুটি এলাকার বাইরে এ হার মাত্র ৮ শতাংশ। কম-বেশি এক হাজার বর্গফুটের গৃহ নির্মাণে এ প্রোডাক্টের আওতায় সর্বোচ্চ সাতাশ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে। গ্রুপ ভিত্তিতে বহুতল ভবনের একক ইউনিট নির্মাণে নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
স্বপ্ননীড় প্রোডাক্টের বিশেষ দিক হলো, এর আওতায় টাকা নিতে গ্রাহককে বিনিয়োগ করতে হবে মোট খরচের মাত্র ১০ শতাংশ। বাকি ৯০ শতাংশই পাওয়া যাবে ঋণ কিংবা বিনিয়োগ আকারে। অর্থাৎ মাত্র ৩ লাখ টাকার ইকুইটির বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৭ লাখ টাকার ঋণ বা বিনিয়োগ মিলবে এ প্রোডাক্টের অধীনে। এর আরেকটি বিশেষ সুবিধা হলো আবেদন ও পরিদর্শন ফির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়। অন্য প্রোডাক্টের তুলনায় যা অর্ধেকের সমান।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে