আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আকিজ ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস লিমিটেড আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন ব্র্যান্ড ‘আকিজ কেব্লস’ উন্মোচন করেছে। এই উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আকিজ হাউসে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রথম ধাপে বাজারে এসেছে আকিজের ডোমেস্টিক কেব্লস, যা দৈনন্দিন ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক ওয়্যারিং কাজে ব্যবহার উপযোগী। দেশে বিদ্যুতের ব্যবহার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি নিম্নমানের তার ব্যবহারের কারণে অগ্নিকাণ্ড, শর্টসার্কিটের মতো বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের তথ্যমতে, ২০২২ ও ২০২৩ সালে দেশের মোট অগ্নিকাণ্ডের বড় অংশ ঘটেছে নিম্নমানের ওয়্যারিং ও নকল তার ব্যবহারের কারণে—২০২২ সালে ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৩৮ শতাংশ। এ পরিস্থিতিতে আকিজ কেব্লস দিচ্ছে নিরাপদ, টেকসই ও মানসম্মত সমাধান, যা নিশ্চিত করবে সঠিক বৈদ্যুতিক সংযোগ, কমাবে বিদ্যুৎ অপচয় এবং দীর্ঘ মেয়াদে আপনার ঘরকে রাখবে সুরক্ষিত।
বাংলাদেশের কেব্লশিল্প প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। সরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন, আবাসন খাতের সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প এ বাজারকে আরও প্রসারিত করছে। ইতিমধ্যে একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতায় থাকলেও আকিজ ভেঞ্চারের প্রবেশ শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী মনোয়ারা বেগম আকিজ কেব্লসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের চেয়ারম্যান এস কে শামীম উদ্দিন জানান, খুব শিগগির আকিজ কেব্লস বাজারে আনতে যাচ্ছে মিডিয়াম ভোল্টেজ, হাই ভোল্টেজ, সুপার এনামেল, টেলিকমিউনিকেশন ও অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল।
আকিজ ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকসের বিজনেস হেড এ এস এম আওয়াল বলেন, ‘আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকের আস্থা অর্জন করা। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আকিজ ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস সব সময় মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য বাজারে নিয়ে আসছে। আকিজ কেব্লের সংযোজন আমাদের সেই অঙ্গীকারকেই আরও সুদৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি নিরাপদ সংযোগ আগামীর জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।’
সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার আসাদুজ্জামান দীপু বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি ঘর ও প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ সংযোগ অপরিহার্য। তাই গ্রাহকের আস্থা ও নিরাপত্তাকে সর্বাগ্রে রেখে আমরা দিচ্ছি মানসম্মত কেব্ল ও নিরবচ্ছিন্ন বিক্রয়োত্তর সেবা। আমাদের লক্ষ্য একটাই—আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।’
বিতরণ ও ওয়ারেন্টি—পণ্যটি সারা দেশের দোকান ও ডিলার পয়েন্টে পাওয়া যাবে। প্রতিটি কেব্লের সঙ্গে থাকছে শর্ত সাপেক্ষে ২৫ বছরের পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা।

বাংলাদেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আকিজ ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস লিমিটেড আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন ব্র্যান্ড ‘আকিজ কেব্লস’ উন্মোচন করেছে। এই উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আকিজ হাউসে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রথম ধাপে বাজারে এসেছে আকিজের ডোমেস্টিক কেব্লস, যা দৈনন্দিন ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক ওয়্যারিং কাজে ব্যবহার উপযোগী। দেশে বিদ্যুতের ব্যবহার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি নিম্নমানের তার ব্যবহারের কারণে অগ্নিকাণ্ড, শর্টসার্কিটের মতো বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের তথ্যমতে, ২০২২ ও ২০২৩ সালে দেশের মোট অগ্নিকাণ্ডের বড় অংশ ঘটেছে নিম্নমানের ওয়্যারিং ও নকল তার ব্যবহারের কারণে—২০২২ সালে ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ৩৮ শতাংশ। এ পরিস্থিতিতে আকিজ কেব্লস দিচ্ছে নিরাপদ, টেকসই ও মানসম্মত সমাধান, যা নিশ্চিত করবে সঠিক বৈদ্যুতিক সংযোগ, কমাবে বিদ্যুৎ অপচয় এবং দীর্ঘ মেয়াদে আপনার ঘরকে রাখবে সুরক্ষিত।
বাংলাদেশের কেব্লশিল্প প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। সরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন, আবাসন খাতের সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প এ বাজারকে আরও প্রসারিত করছে। ইতিমধ্যে একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতায় থাকলেও আকিজ ভেঞ্চারের প্রবেশ শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী মনোয়ারা বেগম আকিজ কেব্লসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের চেয়ারম্যান এস কে শামীম উদ্দিন জানান, খুব শিগগির আকিজ কেব্লস বাজারে আনতে যাচ্ছে মিডিয়াম ভোল্টেজ, হাই ভোল্টেজ, সুপার এনামেল, টেলিকমিউনিকেশন ও অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল।
আকিজ ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকসের বিজনেস হেড এ এস এম আওয়াল বলেন, ‘আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকের আস্থা অর্জন করা। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আকিজ ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস সব সময় মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য বাজারে নিয়ে আসছে। আকিজ কেব্লের সংযোজন আমাদের সেই অঙ্গীকারকেই আরও সুদৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি নিরাপদ সংযোগ আগামীর জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।’
সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার আসাদুজ্জামান দীপু বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি ঘর ও প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ সংযোগ অপরিহার্য। তাই গ্রাহকের আস্থা ও নিরাপত্তাকে সর্বাগ্রে রেখে আমরা দিচ্ছি মানসম্মত কেব্ল ও নিরবচ্ছিন্ন বিক্রয়োত্তর সেবা। আমাদের লক্ষ্য একটাই—আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।’
বিতরণ ও ওয়ারেন্টি—পণ্যটি সারা দেশের দোকান ও ডিলার পয়েন্টে পাওয়া যাবে। প্রতিটি কেব্লের সঙ্গে থাকছে শর্ত সাপেক্ষে ২৫ বছরের পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৮ ঘণ্টা আগে