নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রমজান মাসে ব্যাংকের লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। রোজার মাসজুড়ে ব্যাংকে লেনদেন করা যাবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। বর্তমানে ব্যাংকে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত, মোট সাড়ে ৫ ঘণ্টা। রমজানে আগের চেয়ে আধা ঘণ্টা কমে ব্যাংকে বিরতিহীনভাবে লেনদেন চলবে ৫ ঘণ্টা। তবে রমজানে ব্যাংকের অফিস সূচি হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সব তফসিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে বেলা ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে। রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রমজান মাসে ব্যাংকের লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। রোজার মাসজুড়ে ব্যাংকে লেনদেন করা যাবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। বর্তমানে ব্যাংকে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত, মোট সাড়ে ৫ ঘণ্টা। রমজানে আগের চেয়ে আধা ঘণ্টা কমে ব্যাংকে বিরতিহীনভাবে লেনদেন চলবে ৫ ঘণ্টা। তবে রমজানে ব্যাংকের অফিস সূচি হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সব তফসিলি ব্যাংক পবিত্র রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এর মধ্যে বেলা ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে এ বিরতির সময় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাংকের লেনদেন অব্যাহত রাখা যাবে। রমজান মাস শেষ হওয়ার পরে অফিস সময়সূচি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশে বর্তমানে ৬১টি ব্যাংক রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট।
১ ঘণ্টা আগে
পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে দেশ থেকে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এসব কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যার একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে। সুশাসনের অভাবে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস
২ ঘণ্টা আগে
সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৯ ঘণ্টা আগে