নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেতন বাড়ানোসহ ঈদ বোনাস ও নববর্ষ ভাতার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। এছাড়াও এসব অস্থায়ী কর্মী সরাসরি সেবাদানকারীদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ রোববার ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে তাঁদের দাবি সংবলিত চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তাঁরা জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ‘আউটসোর্সিং বন্দোবস্ত নীতিমালা’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের বেতন ভাতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট আউটসোর্সিং কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। কিন্তু এসব কর্মী বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে দ্রব্যমূল্য ৩৫ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের এ ঊর্ধ্বগতির ফলে ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাঁদের ছেলে-মেয়েদের তুলনামূলক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়াও করাতে পারছেন না।
চিঠিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ দিন কাজ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভালোবাসা ও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়েছেন ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। যাতে তারা বাকি জীবন এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গভর্নরের সুদৃষ্টি কামনা করা হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভাগীয় শহরসহ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর শহর এলাকায় কর্মরত কর্মচারীদের জন্য ন্যূনতম বেতন-ভাতা হবে ২৪ হাজার টাকা, অন্যান্য জেলা শহরে ২১ হাজার টাকা এবং উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম বেতন–ভাতা হবে ১৮ হাজার টাকা। এ নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করেছেন ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। তারা বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বেতন দেওয়া হয় ১৭ হাজার ৬১০ টাকা। আগে দুটি ঈদ বোনাস ও নববর্ষ ভাতা দেওয়া হতো, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।’

বেতন বাড়ানোসহ ঈদ বোনাস ও নববর্ষ ভাতার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। এছাড়াও এসব অস্থায়ী কর্মী সরাসরি সেবাদানকারীদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
আজ রোববার ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে তাঁদের দাবি সংবলিত চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তাঁরা জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ‘আউটসোর্সিং বন্দোবস্ত নীতিমালা’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের বেতন ভাতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট আউটসোর্সিং কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। কিন্তু এসব কর্মী বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে দ্রব্যমূল্য ৩৫ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের এ ঊর্ধ্বগতির ফলে ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাঁদের ছেলে-মেয়েদের তুলনামূলক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়াও করাতে পারছেন না।
চিঠিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ দিন কাজ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভালোবাসা ও মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়েছেন ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। যাতে তারা বাকি জীবন এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গভর্নরের সুদৃষ্টি কামনা করা হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভাগীয় শহরসহ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর শহর এলাকায় কর্মরত কর্মচারীদের জন্য ন্যূনতম বেতন-ভাতা হবে ২৪ হাজার টাকা, অন্যান্য জেলা শহরে ২১ হাজার টাকা এবং উপজেলা পর্যায়ে ন্যূনতম বেতন–ভাতা হবে ১৮ হাজার টাকা। এ নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত বলে দাবি করেছেন ‘আউটসোর্সিং’ কর্মীরা। তারা বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বেতন দেওয়া হয় ১৭ হাজার ৬১০ টাকা। আগে দুটি ঈদ বোনাস ও নববর্ষ ভাতা দেওয়া হতো, যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।’

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১ দিন আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১ দিন আগে