
করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি বিশেষ সিএসআর (সামাজিক দায়বদ্ধতা) উদ্যোগ শুরু করছে ব্র্যাক ব্যাংক। উদ্যোগ বাস্তবায়নে সম্প্রতি ব্র্যাকের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।
গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং ০৯ এর মাধ্যমে সকল তফসিলি ব্যাংক তাদের ২০২০ সালের মুনাফার এক শতাংশের সমান অর্থ একটি বিশেষ সিএসআর তহবিলে বরাদ্দ করার অনুরোধ জানায়। তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য হলো অসহায় মানুষদের প্রয়োজনীয় খাদ্য অথবা নগদ অর্থ, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী, সন্দেহভাজন কোভিড রোগীদের চিকিৎসা অথবা যারা তাদের জীবিকা হারিয়েছে এবং কোভিড-১৯ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
ব্র্যাক ব্যাংক সেই অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার একটি তহবিল বরাদ্দ করেছে। মোবাইল ওয়ালেট বিকাশের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্র্যাক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অর্থ প্রদান করবে। সারা দেশে প্রায় ৩০ হাজার ২৬৭টি পরিবার এই জরুরি সহায়তা পাবে। প্রতিটি পরিবার ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবে। যা তাদের দুই সপ্তাহের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে সহায়তা করবে।
গতকাল রোববার থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের অর্থ বিতরণ আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। কোভিড সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এবং কঠোর লকডাউনের অধীনে থাকা দশটি জেলাকে এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলাগুলো হলো–খুলনা, সাতক্ষীরা, বগুড়া, মাগুরা, দিনাজপুর, নাটোর, জয়পুরহাট, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা এবং চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি সার্কুলার নং ২৯ অনুযায়ী মোট তহবিলের ৫০ শতাংশ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে এবং বাকি ৫০ শতাংশ অন্যান্য বিভাগের জেলাগুলোয় বরাদ্দ করতে হবে। বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং ০৯ অনুযায়ী বিভাগ-ওয়ারী বরাদ্দকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ সিটি করপোরেশন এলাকাসমূহের বস্তিবাসী, ছিন্নমূল এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সাময়িকভাবে বেকার হয়ে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হতদরিদ্র, সাময়িক কর্মহীন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যারা করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের জন্য ব্যয় করতে হবে।
ব্র্যাকের দক্ষ মাঠকর্মীরা কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সহায়তা গ্রহণকারী পরিবারগুলো চিহ্নিত করেছেন। প্রবীণ সদস্যসহ পরিবার, গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, নারীদের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল পরিবার, অতি দরিদ্র পরিবার এবং যারা অন্যান্য উৎস থেকে সহায়তা পাননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ব্র্যাকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আসিফ সালেহ বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের এই সময়োপযোগী সহায়তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এর ফলে ব্র্যাকের ‘ডাকছে আবার দেশ’ উদ্যোগে সেই সকল অবহেলিত পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান সম্ভব হবে। আমি আশা করছি যে, আরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবে। এই মহামারির সময় অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোকে আমরা একে অপরের শক্তি কাজে লাগিয়ে সাহায্য করতে পারি।’
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা কোভিড-আক্রান্ত পরিবারদের সহায়তা করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিকল্পনা ও নির্দেশনাকে স্বাগত জানাই। তাদের দিক-নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকৃত অভাবগ্রস্ত পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর এই বিশাল কাজ সম্পাদনের জন্য ব্র্যাক-কে ধন্যবাদ জানাই। ব্র্যাক ব্যাংকের লক্ষ্য সমাজের কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে। আর তাই যেকোনো কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
এর আগে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা তাদের আগস্ট মাসের বেতন থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা দিয়ে অবদান রেখেছিল ব্র্যাকের 'ডাক আমার দেশ' উদ্যোগে জরুরি খাদ্য সহায়তা হিসেবে।

করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি বিশেষ সিএসআর (সামাজিক দায়বদ্ধতা) উদ্যোগ শুরু করছে ব্র্যাক ব্যাংক। উদ্যোগ বাস্তবায়নে সম্প্রতি ব্র্যাকের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।
গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং ০৯ এর মাধ্যমে সকল তফসিলি ব্যাংক তাদের ২০২০ সালের মুনাফার এক শতাংশের সমান অর্থ একটি বিশেষ সিএসআর তহবিলে বরাদ্দ করার অনুরোধ জানায়। তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য হলো অসহায় মানুষদের প্রয়োজনীয় খাদ্য অথবা নগদ অর্থ, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী, সন্দেহভাজন কোভিড রোগীদের চিকিৎসা অথবা যারা তাদের জীবিকা হারিয়েছে এবং কোভিড-১৯ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
ব্র্যাক ব্যাংক সেই অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার একটি তহবিল বরাদ্দ করেছে। মোবাইল ওয়ালেট বিকাশের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্র্যাক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অর্থ প্রদান করবে। সারা দেশে প্রায় ৩০ হাজার ২৬৭টি পরিবার এই জরুরি সহায়তা পাবে। প্রতিটি পরিবার ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবে। যা তাদের দুই সপ্তাহের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে সহায়তা করবে।
গতকাল রোববার থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের অর্থ বিতরণ আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। কোভিড সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এবং কঠোর লকডাউনের অধীনে থাকা দশটি জেলাকে এই উদ্যোগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলাগুলো হলো–খুলনা, সাতক্ষীরা, বগুড়া, মাগুরা, দিনাজপুর, নাটোর, জয়পুরহাট, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা এবং চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি সার্কুলার নং ২৯ অনুযায়ী মোট তহবিলের ৫০ শতাংশ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে এবং বাকি ৫০ শতাংশ অন্যান্য বিভাগের জেলাগুলোয় বরাদ্দ করতে হবে। বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং ০৯ অনুযায়ী বিভাগ-ওয়ারী বরাদ্দকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ সিটি করপোরেশন এলাকাসমূহের বস্তিবাসী, ছিন্নমূল এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সাময়িকভাবে বেকার হয়ে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের হতদরিদ্র, সাময়িক কর্মহীন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যারা করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের জন্য ব্যয় করতে হবে।
ব্র্যাকের দক্ষ মাঠকর্মীরা কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সহায়তা গ্রহণকারী পরিবারগুলো চিহ্নিত করেছেন। প্রবীণ সদস্যসহ পরিবার, গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, নারীদের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল পরিবার, অতি দরিদ্র পরিবার এবং যারা অন্যান্য উৎস থেকে সহায়তা পাননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ব্র্যাকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আসিফ সালেহ বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের এই সময়োপযোগী সহায়তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এর ফলে ব্র্যাকের ‘ডাকছে আবার দেশ’ উদ্যোগে সেই সকল অবহেলিত পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান সম্ভব হবে। আমি আশা করছি যে, আরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবে। এই মহামারির সময় অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোকে আমরা একে অপরের শক্তি কাজে লাগিয়ে সাহায্য করতে পারি।’
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা কোভিড-আক্রান্ত পরিবারদের সহায়তা করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিকল্পনা ও নির্দেশনাকে স্বাগত জানাই। তাদের দিক-নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রকৃত অভাবগ্রস্ত পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর এই বিশাল কাজ সম্পাদনের জন্য ব্র্যাক-কে ধন্যবাদ জানাই। ব্র্যাক ব্যাংকের লক্ষ্য সমাজের কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে। আর তাই যেকোনো কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
এর আগে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা তাদের আগস্ট মাসের বেতন থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা দিয়ে অবদান রেখেছিল ব্র্যাকের 'ডাক আমার দেশ' উদ্যোগে জরুরি খাদ্য সহায়তা হিসেবে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৬ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
২০ ঘণ্টা আগে