
দেশের শীর্ষ নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির গ্রাহকেরা এখন যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় আরও সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ঋণের কিস্তি পরিশোধসহ বিভিন্ন সেবার ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে পারছেন বিকাশে।
গ্রাহকদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্প্রতি আইডিএলসি ও বিকাশ যৌথভাবে এই সেবা চালু করেছে। এর আওতায় আইডিএলসি গ্রাহকেরা ঋণের কিস্তি, ডুপ্লিকেট ডকুমেন্ট ইস্যু চার্জ, স্টেটমেন্ট ও সার্টিফিকেট চার্জ, আবগারি শুল্ক, লেট পেমেন্ট ইন্টারেস্ট এবং লোন প্রসেসিং ফি পেমেন্টের মতো লেনদেনগুলো ঘরে বসেই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবেন। এতে গ্রাহকদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি আইডিএলসির সার্বিক সেবায় গতিশীলতা আসবে।
আইডিএলসির ঋণের কিস্তি বা অন্যান্য ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের ‘পে বিল’ আইকনে ট্যাপ করে ‘আদার্স’ বা ‘সার্চ’ অপশন থেকে আইডিএলসি সিলেক্ট করে নিতে হবে। এখানে ‘পারপাস’ অপশন থেকে গ্রাহক যে ধরনের পেমেন্টটি সম্পন্ন করতে চান সেটা সিলেক্ট করতে হবে এবং ‘অ্যাকাউন্ট’ বা ‘রেফারেন্স’ নম্বর বসিয়ে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে, যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের ঋণ বা ফির পরিমাণ চলে আসবে। এবার গ্রাহক পিন নম্বর দিয়ে সম্মতি দিলেই পেমেন্টটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর গ্রাহক চাইলে বিলের ডিজিটাল রিসিপ্ট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট, টেলিফোন, টিভি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রেডিট কার্ড, ইনস্যুরেন্স, সরকারি ফিসহ প্রায় সব ধরনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম বিকাশ। পাশাপাশি, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট আদায় প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও ডিজিটাল করার জন্য আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব সল্যুশনও রয়েছে বিকাশের। এর ফলে একদিকে যেমন গ্রাহকদের ঋণ ও সঞ্চয়ের কিস্তি পরিশোধ নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও ঋণ আদায় ও সঞ্চয়ের অর্থ সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী হয়েছে।

দেশের শীর্ষ নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির গ্রাহকেরা এখন যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় আরও সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে ঋণের কিস্তি পরিশোধসহ বিভিন্ন সেবার ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে পারছেন বিকাশে।
গ্রাহকদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্প্রতি আইডিএলসি ও বিকাশ যৌথভাবে এই সেবা চালু করেছে। এর আওতায় আইডিএলসি গ্রাহকেরা ঋণের কিস্তি, ডুপ্লিকেট ডকুমেন্ট ইস্যু চার্জ, স্টেটমেন্ট ও সার্টিফিকেট চার্জ, আবগারি শুল্ক, লেট পেমেন্ট ইন্টারেস্ট এবং লোন প্রসেসিং ফি পেমেন্টের মতো লেনদেনগুলো ঘরে বসেই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবেন। এতে গ্রাহকদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি আইডিএলসির সার্বিক সেবায় গতিশীলতা আসবে।
আইডিএলসির ঋণের কিস্তি বা অন্যান্য ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের ‘পে বিল’ আইকনে ট্যাপ করে ‘আদার্স’ বা ‘সার্চ’ অপশন থেকে আইডিএলসি সিলেক্ট করে নিতে হবে। এখানে ‘পারপাস’ অপশন থেকে গ্রাহক যে ধরনের পেমেন্টটি সম্পন্ন করতে চান সেটা সিলেক্ট করতে হবে এবং ‘অ্যাকাউন্ট’ বা ‘রেফারেন্স’ নম্বর বসিয়ে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে, যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের ঋণ বা ফির পরিমাণ চলে আসবে। এবার গ্রাহক পিন নম্বর দিয়ে সম্মতি দিলেই পেমেন্টটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর গ্রাহক চাইলে বিলের ডিজিটাল রিসিপ্ট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট, টেলিফোন, টিভি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রেডিট কার্ড, ইনস্যুরেন্স, সরকারি ফিসহ প্রায় সব ধরনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম বিকাশ। পাশাপাশি, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট আদায় প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও ডিজিটাল করার জন্য আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব সল্যুশনও রয়েছে বিকাশের। এর ফলে একদিকে যেমন গ্রাহকদের ঋণ ও সঞ্চয়ের কিস্তি পরিশোধ নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও ঋণ আদায় ও সঞ্চয়ের অর্থ সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী হয়েছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৬ ঘণ্টা আগে