
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের আয়োজনে ‘ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক রিফর্মস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী সংলাপে বিভিন্ন সেক্টরের নীতি নির্ধারক, ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালস, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর কৌশল প্রস্তাব করেন।
দিনব্যাপী এই সংলাপ আয়োজনে একটি প্লেনারি সেশন, চারটি প্যানেল আলোচনা এবং প্রায় ১৫টি পোস্টার প্রেজেন্টেশনে দেশের আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও জরুরি সংস্কারের বিষয়গুলো উঠে আসে। সংলাপ অনুষ্ঠানে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল-ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পুঁজিবাজার, আর্থিক অপরাধ ও কমপ্লায়েন্স এবং ইকোনমিক পলিসি ও আর্থিক ব্যবস্থা।
সংলাপ অনুষ্ঠানের ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা এবং উন্নতির সুযোগগুলো চিহ্নিত করা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। সেই সঙ্গে আলোচকেরা পুঁজিবাজারের দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনী কৌশল খুঁজে বের করার বিষয়টিও আলোচনা করেছেন। তারা আর্থিক অপরাধ ও নিয়ন্ত্রণসহ অর্থপাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং মূলধন পাচার সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার উপায় বের করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা, মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতিমালা এবং কর সংস্কার নিয়ে নীতিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়া হয়।
এই সংলাপ অনুষ্ঠানে ‘অ্যাকশেনেবল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক পলিসিস ফর অ্যান ইনক্লুসিভ, অ্যাকুইটেবল অ্যান্ড প্রোসপেরাস বাংলাদেশ’ শীর্ষক উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে প্রধান বক্তা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম আর এফ হোসেন এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ।
প্লেনারি সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর মুজিবুল হক। একটি উন্নত বাংলাদেশ গঠনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। প্রফেসর মুজিবুল হক জানান, একটি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংস্কার প্রস্তাবের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ সময়ে আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, আর্থিক খাতে বিশাল ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। আর্থিক খাতকে ফলপ্রসুভাবে সংস্কার করতে হলে পদ্ধতিগতভাবে এগোতে হবে যাতে দেশের প্রান্তিক মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জুলাই আন্দোলনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এই সাহসিকতাই এই আন্দোলন সফল করেছে এবং একটি অদম্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।’ তিনি বক্তব্যে ক্ষমতাসীনদের সততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মিথ্যা পরিসংখ্যান প্রকৃত উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ‘অর্থনীতি স্থিতিশীল না হলে সংস্কার সফল হবে না যা মানুষের জন্য হবে অত্যন্ত কষ্টের।’
পুঁজিবাজারে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতাকে একটা বড় বাধা বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ। তিনি ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসির গুরুত্বের ওপর জোর দেন যা প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে সচেতন করতে সহায়তা করবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম আর এফ হোসেন সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কঠোরভাবে নীতি প্রয়োগ করতে হবে। সেটা না হলে আবারও আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, এই সময়ের বাংলাদেশ আমাদের সবার জন্য একটি বিশেষ উপহার এবং এর টেকসইতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আর্থিক সংস্কারকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেন, যার প্রতি এখন বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এই উদ্যোগ একটি প্রমাণ যে একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অর্থপূর্ণ সংস্কার চেষ্টায় নেতৃত্ব দেবে।
সংলাপ অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজ বিজয়, লংকাবাংলা ফিন্যান্সের এমডি হুমাইরা আজম, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জা মো. আজিজুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রাইহান এবং ইউএসএআইডির ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড গভর্নেন্স ডিরেক্টর মিখাইল ট্রুব্লাডসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
দিনব্যাপী এই সংলাপের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের আর্থিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দুর্বলতা চিহ্নিত করে নতুন নতুন সমাধান প্রস্তাব করেন। সংলাপের প্রস্তাবনাগুলো একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সংলাপ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত প্রস্তাবনাগুলো ইভেন্টের প্রকাশনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা তাদের মতামত সবার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেবে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের আয়োজনে ‘ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক রিফর্মস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী সংলাপে বিভিন্ন সেক্টরের নীতি নির্ধারক, ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালস, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর কৌশল প্রস্তাব করেন।
দিনব্যাপী এই সংলাপ আয়োজনে একটি প্লেনারি সেশন, চারটি প্যানেল আলোচনা এবং প্রায় ১৫টি পোস্টার প্রেজেন্টেশনে দেশের আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও জরুরি সংস্কারের বিষয়গুলো উঠে আসে। সংলাপ অনুষ্ঠানে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল-ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পুঁজিবাজার, আর্থিক অপরাধ ও কমপ্লায়েন্স এবং ইকোনমিক পলিসি ও আর্থিক ব্যবস্থা।
সংলাপ অনুষ্ঠানের ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা এবং উন্নতির সুযোগগুলো চিহ্নিত করা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। সেই সঙ্গে আলোচকেরা পুঁজিবাজারের দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনী কৌশল খুঁজে বের করার বিষয়টিও আলোচনা করেছেন। তারা আর্থিক অপরাধ ও নিয়ন্ত্রণসহ অর্থপাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং মূলধন পাচার সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার উপায় বের করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা, মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতিমালা এবং কর সংস্কার নিয়ে নীতিমালা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়া হয়।
এই সংলাপ অনুষ্ঠানে ‘অ্যাকশেনেবল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক পলিসিস ফর অ্যান ইনক্লুসিভ, অ্যাকুইটেবল অ্যান্ড প্রোসপেরাস বাংলাদেশ’ শীর্ষক উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে প্রধান বক্তা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম আর এফ হোসেন এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ।
প্লেনারি সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর মুজিবুল হক। একটি উন্নত বাংলাদেশ গঠনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। প্রফেসর মুজিবুল হক জানান, একটি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংস্কার প্রস্তাবের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ সময়ে আমাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, আর্থিক খাতে বিশাল ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। আর্থিক খাতকে ফলপ্রসুভাবে সংস্কার করতে হলে পদ্ধতিগতভাবে এগোতে হবে যাতে দেশের প্রান্তিক মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জুলাই আন্দোলনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এই সাহসিকতাই এই আন্দোলন সফল করেছে এবং একটি অদম্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।’ তিনি বক্তব্যে ক্ষমতাসীনদের সততার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মিথ্যা পরিসংখ্যান প্রকৃত উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ‘অর্থনীতি স্থিতিশীল না হলে সংস্কার সফল হবে না যা মানুষের জন্য হবে অত্যন্ত কষ্টের।’
পুঁজিবাজারে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতাকে একটা বড় বাধা বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ। তিনি ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসির গুরুত্বের ওপর জোর দেন যা প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে সচেতন করতে সহায়তা করবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম আর এফ হোসেন সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কঠোরভাবে নীতি প্রয়োগ করতে হবে। সেটা না হলে আবারও আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, এই সময়ের বাংলাদেশ আমাদের সবার জন্য একটি বিশেষ উপহার এবং এর টেকসইতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আর্থিক সংস্কারকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেন, যার প্রতি এখন বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এই উদ্যোগ একটি প্রমাণ যে একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অর্থপূর্ণ সংস্কার চেষ্টায় নেতৃত্ব দেবে।
সংলাপ অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজ বিজয়, লংকাবাংলা ফিন্যান্সের এমডি হুমাইরা আজম, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জা মো. আজিজুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রাইহান এবং ইউএসএআইডির ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড গভর্নেন্স ডিরেক্টর মিখাইল ট্রুব্লাডসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
দিনব্যাপী এই সংলাপের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের আর্থিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর দুর্বলতা চিহ্নিত করে নতুন নতুন সমাধান প্রস্তাব করেন। সংলাপের প্রস্তাবনাগুলো একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সংলাপ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত প্রস্তাবনাগুলো ইভেন্টের প্রকাশনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা তাদের মতামত সবার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেবে।

অর্থনীতির চলমান চাপ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সরকারি খরচ চালাতে আয়ের অন্যতম উৎসে বড় ধরনের টান পড়েছে। এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজস্ব আদায়ে। এতে করে অর্থবছরের মাঝপথেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বড় ঘাটতির মুখে পড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহ না যেতেই আবারও দেশের বাজারে সোনার দামে রেকর্ড হয়েছে। এবার ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। এটিই দেশের বাজারে সোনার ভরির রেকর্ড দাম। সোনার নতুন এই দাম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারা দেশ
৭ ঘণ্টা আগে
এখন বিকাশ অ্যাপ থেকে গ্রাহক নিজেই বিকাশ টু ব্যাংক, সেভিংস, মোবাইল রিচার্জ ও পে বিল সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন। সম্প্রতি বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘সেলফ কমপ্লেইন্ট’ (ই-সিএমএস) সেবা। অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ, তাৎক্ষণিক ও কার্যকর করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে বিকাশ।
৯ ঘণ্টা আগে
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে