বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পরিবর্তিত বাস্তবতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ যেন স্থবিরতার চাদরে ঢেকে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এটি গত ১০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে যেকোনো তিন মাসের হিসাবে সবচেয়ে কম বিনিয়োগ।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। এরপর ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নীরব হয়ে পড়েছিলেন। তাঁরা নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে আরও সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। এই কারণে বিদেশি বিনিয়োগ ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত ১০ বছরে প্রত্যাশিত হারে বিদেশি বিনিয়োগ কম এসেছে বিশেষত রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে। গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল সীমিত। এর পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট এবং ডলারের বাজারের অস্থিরতা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) নিট বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭১ শতাংশ কম। শুধু গত বছরের তুলনায় নয়, ১০ বছর ধরে কোনো একক তিন মাসে এমন কম বিনিয়োগ আগে আসেনি। ২০১৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিনিয়োগ ছিল বেশি। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) নতুন নিট বিনিয়োগ বা ইকুইটি এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। আগের প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) তুলনায় এটি প্রায় তিন গুণ কম; কারণ, তখন নতুন বিনিয়োগ ছিল ২১ কোটি ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মোট নিট এফডিআইয়ের ৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার এসেছে পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় থেকে। নতুন এবং পুনর্বিনিয়োগ মিলিয়ে মোট ১৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বিনিয়োগ এসেছে, তবে আন্তকোম্পানি ঋণ বাদ দিলে নিট এফডিআই দাঁড়ায় ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। বাংলাদেশের এফডিআইয়ের বড় অংশই দেশের আগে বিনিয়োগ করা কোম্পানির আয় পুনর্বিনিয়োগের মাধ্যমে আসে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগ ১৪৭ কোটি ডলার ছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৬১ কোটি ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৭২ কোটি ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৩২ কোটি ডলার এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছিল।
জানতে চাইলে গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট বা র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ এখনো অনুকূল নয়। ব্যবসার খরচ বেশি এবং নীতিনির্ধারকদের প্রতিশ্রুতিগুলো, যেমন ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, বাস্তবায়িত হয়নি।

পরিবর্তিত বাস্তবতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ যেন স্থবিরতার চাদরে ঢেকে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এটি গত ১০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে যেকোনো তিন মাসের হিসাবে সবচেয়ে কম বিনিয়োগ।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। এরপর ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নীরব হয়ে পড়েছিলেন। তাঁরা নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে আরও সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। এই কারণে বিদেশি বিনিয়োগ ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিগত ১০ বছরে প্রত্যাশিত হারে বিদেশি বিনিয়োগ কম এসেছে বিশেষত রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে। গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল সীমিত। এর পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট এবং ডলারের বাজারের অস্থিরতা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) নিট বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭১ শতাংশ কম। শুধু গত বছরের তুলনায় নয়, ১০ বছর ধরে কোনো একক তিন মাসে এমন কম বিনিয়োগ আগে আসেনি। ২০১৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিনিয়োগ ছিল বেশি। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) নতুন নিট বিনিয়োগ বা ইকুইটি এসেছে মাত্র ৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। আগের প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) তুলনায় এটি প্রায় তিন গুণ কম; কারণ, তখন নতুন বিনিয়োগ ছিল ২১ কোটি ডলার।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মোট নিট এফডিআইয়ের ৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার এসেছে পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় থেকে। নতুন এবং পুনর্বিনিয়োগ মিলিয়ে মোট ১৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বিনিয়োগ এসেছে, তবে আন্তকোম্পানি ঋণ বাদ দিলে নিট এফডিআই দাঁড়ায় ১০ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। বাংলাদেশের এফডিআইয়ের বড় অংশই দেশের আগে বিনিয়োগ করা কোম্পানির আয় পুনর্বিনিয়োগের মাধ্যমে আসে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগ ১৪৭ কোটি ডলার ছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১৬১ কোটি ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৭২ কোটি ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৩২ কোটি ডলার এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছিল।
জানতে চাইলে গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট বা র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ এখনো অনুকূল নয়। ব্যবসার খরচ বেশি এবং নীতিনির্ধারকদের প্রতিশ্রুতিগুলো, যেমন ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, বাস্তবায়িত হয়নি।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা টোল পরিশোধ করতে পারবেন নগদের মাধ্যমে। আজ রোববার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ডাকঘরের ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবা নগদ।
২ ঘণ্টা আগে
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও গতিশীল করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের সঙ্গে ১১টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বন্ড সুবিধা বহাল ও সরকারের সঙ্গে আলোচনা চান দেশের তৈরি পোশাক কারখানা মালিকেরা। ভারত থেকে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই দাবি জানান তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে