বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আজ এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর উদ্যোগে দেশের সকল জেলায় একযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘সুখী পথে পথে’ কার্যক্রম।
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর, সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
‘সুখী পথে পথে’ ক্যাম্পেইনের আওতায় থাকছে বিশেষভাবে পরিকল্পিত উঠান বৈঠক, বুথ ক্যাম্পেইন, ক্যারাভান অ্যাকটিভেশন এবং স্পটভিত্তিক মাইকিং (অটোরিকশার মাধ্যমে)। এ ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় ও শপিং মলেও চলবে প্রচার কার্যক্রম। স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বাড়াতে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
‘সুখী’ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহকেরা ঘরে বসেই ভিডিও কনসালটেশন, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন। পাশাপাশি, অটোরিকশা ও সিএনজির মাধ্যমে মাইকিং করে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে, যা দেশের প্রতিটি অলিগলিতে প্রকল্পের বার্তা পৌঁছে দেবে।
গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর সিইও ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য, সারা দেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তি এবং মানুষের শক্তিকে একত্রিত করে আমরা যে সুস্থ সমাজ গড়তে চাই, ‘সুখী পথে পথে’ তারই প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, এই কার্যক্রম বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।’
‘সুখী পথে পথে’ প্রকল্পটি দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে। স্বাস্থ্যসেবা আর শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়—এবার তা পৌঁছে যাবে প্রত্যন্ত গ্রামের ঘরে ঘরে।
আজ এই ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি) এবং গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন (জিডিএইচএস)-এর মধ্যে একটি যুগান্তকারী অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে আনসার-ভিডিপির সদস্যরা এখন দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই সহজে, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ‘সুখী’ গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর একটি ৩৬০-ডিগ্রি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম, যা দেশের সকল মানুষের জন্য সুবিধাজনক, সাশ্রয়ী এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আজ এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর উদ্যোগে দেশের সকল জেলায় একযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘সুখী পথে পথে’ কার্যক্রম।
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর, সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
‘সুখী পথে পথে’ ক্যাম্পেইনের আওতায় থাকছে বিশেষভাবে পরিকল্পিত উঠান বৈঠক, বুথ ক্যাম্পেইন, ক্যারাভান অ্যাকটিভেশন এবং স্পটভিত্তিক মাইকিং (অটোরিকশার মাধ্যমে)। এ ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় ও শপিং মলেও চলবে প্রচার কার্যক্রম। স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বাড়াতে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
‘সুখী’ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহকেরা ঘরে বসেই ভিডিও কনসালটেশন, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন। পাশাপাশি, অটোরিকশা ও সিএনজির মাধ্যমে মাইকিং করে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে, যা দেশের প্রতিটি অলিগলিতে প্রকল্পের বার্তা পৌঁছে দেবে।
গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর সিইও ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য, সারা দেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তি এবং মানুষের শক্তিকে একত্রিত করে আমরা যে সুস্থ সমাজ গড়তে চাই, ‘সুখী পথে পথে’ তারই প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, এই কার্যক্রম বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।’
‘সুখী পথে পথে’ প্রকল্পটি দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে। স্বাস্থ্যসেবা আর শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়—এবার তা পৌঁছে যাবে প্রত্যন্ত গ্রামের ঘরে ঘরে।
আজ এই ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি) এবং গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন (জিডিএইচএস)-এর মধ্যে একটি যুগান্তকারী অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে আনসার-ভিডিপির সদস্যরা এখন দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই সহজে, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ‘সুখী’ গ্রামীণ ডিজিটাল হেলথ কেয়ার সলিউশন-এর একটি ৩৬০-ডিগ্রি ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম, যা দেশের সকল মানুষের জন্য সুবিধাজনক, সাশ্রয়ী এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
২ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৫ ঘণ্টা আগে