আজকের পত্রিকা ডেস্ক

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির জন্য আলোচনা করতে পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক ঘোষণা করে। যদিও পরে শুল্কের বেশির ভাগ অংশই কিছুদিনের জন্য স্থগিত করে বেজলাইন ১০ শতাংশ শুল্ক সবার জন্যই নির্ধারণ করা হয়। তবে এই শুল্ক কার্যকর হলে পাকিস্তানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্ক হতে পারে ২৯ শতাংশ। এর ফলে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে পাকিস্তানের ৩ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হ্রাস পেতে পারে।
পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের মধ্যে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় সফরের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে নামার পর যৌথ বিমানঘাঁটি অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে আসছেন।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি।’
এ সময় তিনি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাতকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এবং তারা যদি একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করে, তবে আমি তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে আগ্রহী হব না। আমি এটাই চেয়েছিলাম এবং আমি তাদের জানিয়ে দিয়েছিলাম।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পণ্যের ওপরও ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল। রয়টার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ভারত ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার সময় মার্কিন সংস্থাগুলোকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের বিনিয়োগ চুক্তির—মূলত ফেডারেল সংস্থাগুলো থেকে—দরপত্র দাখিলের অনুমতি দিতে পারে।
ট্রাম্পের শুল্ক পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ পণ্য রপ্তানির ওপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন থিংক ট্যাংক পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস। তারা সতর্ক করেছে যে, এই শুল্ক দেশের রপ্তানি খাতের ওপর ‘বিধ্বংসী প্রভাব’ ফেলতে পারে, যার ফলে বছরে ১ দশমিক ১-১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে।

শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির জন্য আলোচনা করতে পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর শুল্ক ঘোষণা করে। যদিও পরে শুল্কের বেশির ভাগ অংশই কিছুদিনের জন্য স্থগিত করে বেজলাইন ১০ শতাংশ শুল্ক সবার জন্যই নির্ধারণ করা হয়। তবে এই শুল্ক কার্যকর হলে পাকিস্তানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্ক হতে পারে ২৯ শতাংশ। এর ফলে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে পাকিস্তানের ৩ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হ্রাস পেতে পারে।
পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের মধ্যে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় সফরের বিষয়ে কোনো অবস্থান জানায়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে নামার পর যৌথ বিমানঘাঁটি অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে আসছেন।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি।’
এ সময় তিনি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাতকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এবং তারা যদি একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করে, তবে আমি তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে আগ্রহী হব না। আমি এটাই চেয়েছিলাম এবং আমি তাদের জানিয়ে দিয়েছিলাম।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পণ্যের ওপরও ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল। রয়টার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ভারত ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার সময় মার্কিন সংস্থাগুলোকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের বিনিয়োগ চুক্তির—মূলত ফেডারেল সংস্থাগুলো থেকে—দরপত্র দাখিলের অনুমতি দিতে পারে।
ট্রাম্পের শুল্ক পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ পণ্য রপ্তানির ওপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন থিংক ট্যাংক পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস। তারা সতর্ক করেছে যে, এই শুল্ক দেশের রপ্তানি খাতের ওপর ‘বিধ্বংসী প্রভাব’ ফেলতে পারে, যার ফলে বছরে ১ দশমিক ১-১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন নিয়মে উৎপাদন প্রক্রিয়ার শর্ত অনেক শিথিল করা হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল, পোশাক তৈরির অন্তত দুটি বড় ধাপ বা প্রক্রিয়া অবশ্যই শ্রীলঙ্কার ভেতরে সম্পন্ন হতে হবে। এখন সেই বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে রাশিয়ার ওপর ভারতের জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা কমিয়ে আনতে বড় ধরনের কৌশলগত চাল দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ভেনেজুয়েলার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর এখন সেই তেল ভারতের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাপী খাদ্যনিরাপত্তা যখন ক্রমেই বড় উদ্বেগ আর কৌশলগত ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে, তখন কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মানসম্মত উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি—উভয় ক্ষেত্রেই দেশের সামনে এক বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বৈশ্বিক কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির বাজারের আকার ৪ ট্রিলিয়ন...
১ দিন আগে
‘সরবরাহ সংকটের’ কারণে এমনিতেই নৈরাজ্য চলছিল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে। এর মধ্যে এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ডাকা ধর্মঘটের কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চরম সংকট দেখা দেয়। এ সুযোগে মজুত করা সিলিন্ডার ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করেন কিছু খুচরা ও পাইকারি...
১ দিন আগে