আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে লেনদেন করে বিভিন্ন সময় যেসব গ্রাহক কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আবারও নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেসব গ্রাহক টাকা দিয়ে এখনো হাতে পণ্য পাননি কিংবা যেসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য সরবরাহ দিয়ে মূল্য ফেরত পাননি এখন পর্যন্ত-এমন ভুক্তভোগীদের নামের নতুন তালিকা হবে।
যারা পাওনা ফেরত পেতে ইচ্ছুক, তাদের সুনির্দিষ্ট ক্ষতির পরিমাণ ও নাম ঠিকানা আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে মন্ত্রণালয়। এই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহক ও বিক্রেতাদের অর্থ পাওনা রয়েছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।
এ ছাড়া যেসব গ্রাহক অর্থ পরিশোধ করে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য পাননি এবং বিক্রেতারা ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে পণ্য সরবরাহ করে বিক্রয়মূল্য বুঝে পাননি, তাদেরকে আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে শুধু অনলাইন পোর্টালে অভিযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিছু প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে ভালো সাড়া দিলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান অসহযোগিতাও করছে। এ কারণেই আমরা পাওনাদারদের অভিযোগ দিতে বলেছি। এ অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হবে এবং আইন অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।’

বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে লেনদেন করে বিভিন্ন সময় যেসব গ্রাহক কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আবারও নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেসব গ্রাহক টাকা দিয়ে এখনো হাতে পণ্য পাননি কিংবা যেসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য সরবরাহ দিয়ে মূল্য ফেরত পাননি এখন পর্যন্ত-এমন ভুক্তভোগীদের নামের নতুন তালিকা হবে।
যারা পাওনা ফেরত পেতে ইচ্ছুক, তাদের সুনির্দিষ্ট ক্ষতির পরিমাণ ও নাম ঠিকানা আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে মন্ত্রণালয়। এই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহক ও বিক্রেতাদের অর্থ পাওনা রয়েছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।
এ ছাড়া যেসব গ্রাহক অর্থ পরিশোধ করে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য পাননি এবং বিক্রেতারা ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে পণ্য সরবরাহ করে বিক্রয়মূল্য বুঝে পাননি, তাদেরকে আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে শুধু অনলাইন পোর্টালে অভিযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের উপসচিব মুহাম্মদ সাঈদ আলী এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিছু প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে ভালো সাড়া দিলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান অসহযোগিতাও করছে। এ কারণেই আমরা পাওনাদারদের অভিযোগ দিতে বলেছি। এ অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হবে এবং আইন অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।’

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে