নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আসন্ন অর্থবছরে তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর প্রস্তাবিত সুনির্দিষ্ট কর আরোপ হলে সরকারের প্রায় ৩৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা বেশি। অতিরিক্ত এ রাজস্ব আয়ের মাত্র ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ ব্যয় করলে দেশের সব রোগীর হৃদ্রোগ চিকিৎসা বিনাখরচে সম্ভব বলে জানিয়েছেন দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ‘বিনামূল্যে হৃদ্রোগের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে তামাকজাত দ্রব্যের কর ব্যবস্থাপনা: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক অনলাইন কনসালটেশন মিটিংয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর), বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসির (বিএনটিটিপি) উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিইআরের ফোকাল পারসন ড. রুমানা হক। অনুষ্ঠানে বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিপার্টমেন্ট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা দ্য ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম।
মূল বক্তব্যে ড. রুমানা হক আসন্ন অর্থবছরের জন্য তামাক কর প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য নিম্ন স্তরে ৫০ টাকা, মধ্যম স্তরে ৭৫ টাকা, উচ্চ স্তরে ১২০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১৫০ টাকা নির্ধারণ করে যথাক্রমে ৩২ টাকা ৫০ পয়সা, ৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা, ৭৮ টাকা এবং ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেন।
এ ছাড়া ফিল্টারবিহীন বিড়ির ক্ষেত্রে কেবল ২৫ শলাকার প্যাকেট রেখে তার খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১ টাকা ২৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক এবং ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাজেট প্রস্তাবে প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে ২৭ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি তামাকের সাদা পাতাও করের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া সব তামাকজাত দ্রব্যের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ পূর্বের মতো বহাল রাখারও প্রস্তাব জানান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই প্রস্তাব অনুসারে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর আরোপ করা হলে প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় সম্ভব। যার একটি অংশ সরকার তামাক ব্যবহারজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় করতে পারে। এই অতিরিক্ত রাজস্ব আয় থেকে মাত্র ৪১০ কোটি টাকা ব্যয় করে সব রোগীর হৃদ্রোগ চিকিৎসা বিনাখরচে নিশ্চিত করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তিন ধরনের হৃদ্রোগ চিকিৎসায় (এনজিওগ্রাম, রিং পরানো ও বাইপাস সার্জারি) রোগীরা ২৮৬ দশমিক ৬১ কোটি টাকা ব্যয় করেছে যা তামাক খাত থেকে কাঙ্ক্ষিত অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের মাত্র ৩ দশমিক ১২ শতাংশ। ওই তিন হাসপাতালে দেশের ৭০ ভাগ হৃদ্রোগী চিকিৎসা নেন। সে হিসাবে দেশের সব হৃদরোগীর অনুরূপ চিকিৎসা নিতে ব্যয় হবে ৪১০ কোটি টাকা যা ওই অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ মাত্র।
তাঁরা আরও বলেন, মূল্য কারসাজি করে তামাক কোম্পানিগুলো প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এই ফাঁকি রোধ করে ওই টাকাও স্বাস্থ্য সেবায় ব্যয় করা যেতে পারে।
এ সময় ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাক মুক্ত করতে অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত কর কাঠামো বাস্তবায়ন, সুনির্দিষ্ট কর আরোপ, তামাক কোম্পানির মূল্য কারসাজি প্রতিরোধ, তামাকজাত দ্রব্য থেকে আদায়কৃত অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের একটি অংশ তামাক ব্যবহারজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় করা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় তামাক কর নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আসন্ন অর্থবছরে তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর প্রস্তাবিত সুনির্দিষ্ট কর আরোপ হলে সরকারের প্রায় ৩৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা বেশি। অতিরিক্ত এ রাজস্ব আয়ের মাত্র ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ ব্যয় করলে দেশের সব রোগীর হৃদ্রোগ চিকিৎসা বিনাখরচে সম্ভব বলে জানিয়েছেন দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ‘বিনামূল্যে হৃদ্রোগের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে তামাকজাত দ্রব্যের কর ব্যবস্থাপনা: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক অনলাইন কনসালটেশন মিটিংয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর), বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসির (বিএনটিটিপি) উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিইআরের ফোকাল পারসন ড. রুমানা হক। অনুষ্ঠানে বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিপার্টমেন্ট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা দ্য ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম।
মূল বক্তব্যে ড. রুমানা হক আসন্ন অর্থবছরের জন্য তামাক কর প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য নিম্ন স্তরে ৫০ টাকা, মধ্যম স্তরে ৭৫ টাকা, উচ্চ স্তরে ১২০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১৫০ টাকা নির্ধারণ করে যথাক্রমে ৩২ টাকা ৫০ পয়সা, ৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা, ৭৮ টাকা এবং ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেন।
এ ছাড়া ফিল্টারবিহীন বিড়ির ক্ষেত্রে কেবল ২৫ শলাকার প্যাকেট রেখে তার খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১ টাকা ২৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক এবং ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাজেট প্রস্তাবে প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে ২৭ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি তামাকের সাদা পাতাও করের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া সব তামাকজাত দ্রব্যের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ পূর্বের মতো বহাল রাখারও প্রস্তাব জানান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই প্রস্তাব অনুসারে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর আরোপ করা হলে প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় সম্ভব। যার একটি অংশ সরকার তামাক ব্যবহারজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় করতে পারে। এই অতিরিক্ত রাজস্ব আয় থেকে মাত্র ৪১০ কোটি টাকা ব্যয় করে সব রোগীর হৃদ্রোগ চিকিৎসা বিনাখরচে নিশ্চিত করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তিন ধরনের হৃদ্রোগ চিকিৎসায় (এনজিওগ্রাম, রিং পরানো ও বাইপাস সার্জারি) রোগীরা ২৮৬ দশমিক ৬১ কোটি টাকা ব্যয় করেছে যা তামাক খাত থেকে কাঙ্ক্ষিত অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের মাত্র ৩ দশমিক ১২ শতাংশ। ওই তিন হাসপাতালে দেশের ৭০ ভাগ হৃদ্রোগী চিকিৎসা নেন। সে হিসাবে দেশের সব হৃদরোগীর অনুরূপ চিকিৎসা নিতে ব্যয় হবে ৪১০ কোটি টাকা যা ওই অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ মাত্র।
তাঁরা আরও বলেন, মূল্য কারসাজি করে তামাক কোম্পানিগুলো প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এই ফাঁকি রোধ করে ওই টাকাও স্বাস্থ্য সেবায় ব্যয় করা যেতে পারে।
এ সময় ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাক মুক্ত করতে অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত কর কাঠামো বাস্তবায়ন, সুনির্দিষ্ট কর আরোপ, তামাক কোম্পানির মূল্য কারসাজি প্রতিরোধ, তামাকজাত দ্রব্য থেকে আদায়কৃত অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের একটি অংশ তামাক ব্যবহারজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় করা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় তামাক কর নীতি প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৯ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৯ ঘণ্টা আগে