নতুন বছর শুরু হতেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার। ২০২৬ সালের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল বৃহস্পতিবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরু থেকেই দর বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়, যা দিনের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে। সব খাত মিলিয়ে লেনদেন হওয়া ৩৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬৩টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ৬৬টির কমেছে এবং ৬২টির অপরিবর্তিত ছিল। এর প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯১০ পয়েন্টে।
সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। দিনভর হাতবদল হয়েছে ৩৬৮ কোটি ১৫ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৫৪ কোটি ৪ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা।
অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৪৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৩টির দাম বেড়েছে, ৩৮টির কমেছে এবং ১২টির অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কিছুটা কম হলেও দাম বাড়ার প্রবণতা বাজারে ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়।

২০২৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বৈশ্বিক তৈরি পোশাকের একক দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। এই সময়ে ইউরোজোনে পোশাকের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায়, দেশগুলোর প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায়, ক্রেতারা দামে কড়াকড়ি রাখায় এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অভাব থাকায় দাম হ্রাস পেয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পর দেশের পুঁজিবাজারে স্বস্তির ঢেউ বইছে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সরকার গঠনের সব প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আবার বাজারে ফিরেছেন। সেই প্রভাব দেখা গেছে ঢাকা ও চট্টগ্রামের শেয়ারবাজারে।
১০ ঘণ্টা আগে
নানা কারণে দেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা ও বিনিয়োগে আস্থা কম ছিল। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার সেই অপেক্ষার অবসান হলো।
১ দিন আগে
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিংসেবা পৌঁছে দিতে চালু হওয়া এজেন্ট ব্যাংকিং এখন সারা দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বড় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। ঘরের কাছেই লেনদেন, সঞ্চয় ও ঋণসুবিধা পাওয়ায় এ সেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে দ্রুত। ফলে গত এক বছরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ১৭ লাখের বেশি।
১ দিন আগে