নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসিতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, ‘আজকে সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা আমাদের বলেছেন, যে কাজটা করে যাচ্ছি, সেটা যেন করে যাই, আরও জোরদার করি।’
কমিশনের পদত্যাগ চেয়ে বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি ও কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা যে মিশন নিয়ে নেমেছি, সেই মিশন থেকে এক চুল পরিমাণ নড়ব না। কোনো ধরনের অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। আমরা যে কাজ নিষ্ঠা ও নিয়মের সঙ্গে করে আসছি, সেটা করে যাব।’
কর্মকর্তারা কাজে না ফিরলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে কমিশনার ফারজানা লালারুখ বলেন, ‘তাদের কাজে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হবে। তারপরেও যদি কাজে না আসলে, সেটা তখন দেখা যাবে।’
গতকাল বুধবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বিএসইসিতে অবরুদ্ধ করে তাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরিস্থিতির অবনতি হলে সেনাবাহিনীর পাহারায় বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা বিএসইসি ত্যাগ করেন। তাদের পদত্যাগের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিকেলে আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের নিচতলায় কর্মীদের পক্ষে ব্রিফিং করেন নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলম। সেই অনুযায়ী আজ কর্মবিরতি পালন শুরু করেন তাঁরা।
আজ দুপুরের পরে সেনাবাহিনী পাহারায় অফিসে আসেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মোহসীন চৌধুরী, আলী আকবর ও ফারজানা লালারুখ। এ সময় তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসর, চেয়ারম্যান–কমিশনারদের অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভএদিকে বিএসইসির অস্থিরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। সমস্যার সমাধানে সংগঠন দুটি সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসিতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, ‘আজকে সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা আমাদের বলেছেন, যে কাজটা করে যাচ্ছি, সেটা যেন করে যাই, আরও জোরদার করি।’
কমিশনের পদত্যাগ চেয়ে বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি ও কর্মবিরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা যে মিশন নিয়ে নেমেছি, সেই মিশন থেকে এক চুল পরিমাণ নড়ব না। কোনো ধরনের অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। আমরা যে কাজ নিষ্ঠা ও নিয়মের সঙ্গে করে আসছি, সেটা করে যাব।’
কর্মকর্তারা কাজে না ফিরলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে কমিশনার ফারজানা লালারুখ বলেন, ‘তাদের কাজে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হবে। তারপরেও যদি কাজে না আসলে, সেটা তখন দেখা যাবে।’
গতকাল বুধবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বিএসইসিতে অবরুদ্ধ করে তাদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরিস্থিতির অবনতি হলে সেনাবাহিনীর পাহারায় বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা বিএসইসি ত্যাগ করেন। তাদের পদত্যাগের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিকেলে আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের নিচতলায় কর্মীদের পক্ষে ব্রিফিং করেন নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলম। সেই অনুযায়ী আজ কর্মবিরতি পালন শুরু করেন তাঁরা।
আজ দুপুরের পরে সেনাবাহিনী পাহারায় অফিসে আসেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মোহসীন চৌধুরী, আলী আকবর ও ফারজানা লালারুখ। এ সময় তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসর, চেয়ারম্যান–কমিশনারদের অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভএদিকে বিএসইসির অস্থিরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। সমস্যার সমাধানে সংগঠন দুটি সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৮ ঘণ্টা আগে