বিদেশে ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজ জমা দিতে হয়। এসব নথি সহজ ও দ্রুত যাচাই করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব কাগজপত্রে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের কোনো দূতাবাস বা ভিসা সেন্টারগুলোতে আবেদনকারীদের বিভিন্ন ব্যাংক নথি জমা দিতে হয়। তবে এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারগুলো নানা সমস্যার মুখে পড়ছে। এতে ভিসাপ্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয়ও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সংশ্লিষ্ট নথিগুলো ডিজিটালভাবে দ্রুত যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে অনলাইনে যাচাই করতে অবশ্যই কিউআর কোড থাকতে হবে। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের ব্যাংক স্টেটমেন্ট-সংশ্লিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। কিউআর কোডের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ যাতে দেখা যায়, সেই ব্যবস্থা ব্যাংকগুলোকে নিতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশের আর্থিক খাত এখন ‘পেইনফুল’ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে কী হয়েছে, সেটা সবাই জানেন। আমরা সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য কাজ করছি।’
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে আয়োজিত হয়েছে হেলথ অ্যান্ড ওয়েল বিয়িং মার্কেটিং ফেস্ট ৩.০। গত শনিবার (৯ মে) ঢাকার রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এক প্রাণবন্ত ও কৌশলগত আলোচনা, উদ্ভাবন এবং সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো এ আয়োজন।
১০ ঘণ্টা আগে
চুক্তির আওতায় ডাক জীবনবিমার আওতায় যতগুলো পলিসি আছে, আজীবন বিমা, মেয়াদি বিমা, নির্দিষ্ট বিমা ও বিবাহবিমা—সব কটি বিমার কিস্তিই নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
১ দিন আগে
বিদেশে যেতে ভিসা পেয়েছেন, কিন্তু শর্ত হিসেবে জমা দিতে হবে মোটা অঙ্কের ‘ভিসা বন্ড’ বা সিকিউরিটি ডিপোজিট। এত দিন এই অর্থ বিদেশে পাঠানো ছিল বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য জটিল ও ভোগান্তিপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। অনেককে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে টাকা পাঠানোর ঝুঁকিও নিতে হতো। এবার সেই জটিলতা কমাতে নতুন সুবিধা দিল...
১ দিন আগে