আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রেমিট্যান্স বাড়াতে আরবি ভাষা শিক্ষার ওপর জনমত সৃষ্টি করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের দেশের শ্রমিকেরা ভাষা না জানার কারণে অনেক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে দেশের জনশক্তির অপচয় না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা দরকার বলে জানিয়েছেন সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ কোরআন প্রচার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘মধ্যপ্রাচ্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো অপরিহার্য’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, ‘রেমিট্যান্স বাড়াতে আরবি ভাষা শিক্ষা নেওয়ার ওপরে জনমত সৃষ্টি করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের দেশের শ্রমিকেরা ভাষা না জানায় অনেক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। ভবিষ্যতে যাতে আমাদের জনশক্তির অপচয় না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া শ্রমিকদের ‘কাইফা হালুকা, আনা বিখায়ের’ শুধু এটুকু আরবি বাক্য জানলেই হবে না, একজন শ্রমিক যাতে আরবি বুঝতে ও বোঝাতে পারে পাশাপাশি লিখতে পারে সেটা জানা খুবই দরকার। এ জন্য দেশ থেকেই আরবি ভাষা শিখিয়ে পড়িয়ে পাঠাতে হবে। যদি তা করা না হয় তাহলে মানবিক মর্যাদা, সামাজিক মর্যাদা এবং আর্থিক মর্যাদায়ও আমরা অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকব।’
তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অন্তত লাখ কোটি সার্টিফিকেটধারী লোক সৃষ্টি করেছে। সেই সার্টিফিকেটধারী লোকেরা বিদেশ হয়তো গিয়েছে বা যায়নি। যদি না যায়, তাহলে কেন যায়নি। অর্থাৎ আমাদের এখানে বড় একটা শুভংকরের ফাঁকি বা অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা কাজ করেছে বলেই আজকে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে এই দুর্গতি। অথচ এরাই আমাদের মানবসম্পদ।’
সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা মধ্যপ্রাচ্যে অধস্তনের অধস্তন হিসেবে কাজ করে। সবচেয়ে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে পাকিস্তানি ও শ্রীলঙ্কান বা অন্যরা হচ্ছে বাংলাদেশিদের বস। এটার অন্যতম কারণ ভাষা জানা। তারা ভাষা জানার কারণে মালিকদের কাছাকাছি যেতে পারলেও আমরা যেতে পারি না, তাদের বোঝাতে পারি না। যেকারণে চাইলেও মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শ্রমিকেরা বড় কোনো পদে যেতে পারেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জমিজমা বিক্রি করে শ্রমিকেরা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েই টেনশনে পড়েন কীভাবে সেই টাকা তুলবেন। বিদেশে গিয়ে শুধুমাত্র আরবি ভাষা না জানার কারণে তারা নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এরপর বিদেশে নানান চড়াই উতরাই পেরিয়ে যখন দেশে ফিরে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা, তখন বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়— মনে হয়, একজন আসামি এসেছে। আমাদের এই মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধগুলো পরিবর্তন আনা দরকার।’
এদিকে ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত তিনটি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেগুলো হলো—রেমিট্যান্স, গার্মেন্টস ও গ্রামীণ উন্নয়ন।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের বলা হয় রেমিট্যান্স যোদ্ধা। সত্যিকার অর্থে তারাই আসল যোদ্ধা। আমরা জাতিগত ভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবে অর্থনৈতিকভাবে এখনো স্বাধীনতা অর্জন করতে পারিনি। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্যদের কাছে কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে।
প্রবাসীরা যে কয় টাকার বেতনে চাকরি করে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ দেশে পাঠায়। তাঁরা ওভারটাইম করে বাড়তি আয় করে। বৈদেশিক মুদ্রার পুরোটাই তারা দেশে পাঠায়। প্রবাসীরাই অর্থনৈতিক মুক্তিযোদ্ধা।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ কোরআন প্রচার ফাউন্ডেশন ও সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী বাংলাদেশ বিমান মো. তামজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটি (নিপোর্ট), প্রাক্তন ইকোনমিক কাউন্সিল ও মিনিস্টার, বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি আরব ড. মো. আবুল হাসান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপ-উপাচার্য, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্দ শহীদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগে চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক এবং চেয়ারম্যান, নির্বাহী কমিটি গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক নূরুল ইসলাম খলিফা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার।

রেমিট্যান্স বাড়াতে আরবি ভাষা শিক্ষার ওপর জনমত সৃষ্টি করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের দেশের শ্রমিকেরা ভাষা না জানার কারণে অনেক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে দেশের জনশক্তির অপচয় না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা দরকার বলে জানিয়েছেন সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ কোরআন প্রচার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘মধ্যপ্রাচ্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো অপরিহার্য’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, ‘রেমিট্যান্স বাড়াতে আরবি ভাষা শিক্ষা নেওয়ার ওপরে জনমত সৃষ্টি করা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের দেশের শ্রমিকেরা ভাষা না জানায় অনেক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। ভবিষ্যতে যাতে আমাদের জনশক্তির অপচয় না হয় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া শ্রমিকদের ‘কাইফা হালুকা, আনা বিখায়ের’ শুধু এটুকু আরবি বাক্য জানলেই হবে না, একজন শ্রমিক যাতে আরবি বুঝতে ও বোঝাতে পারে পাশাপাশি লিখতে পারে সেটা জানা খুবই দরকার। এ জন্য দেশ থেকেই আরবি ভাষা শিখিয়ে পড়িয়ে পাঠাতে হবে। যদি তা করা না হয় তাহলে মানবিক মর্যাদা, সামাজিক মর্যাদা এবং আর্থিক মর্যাদায়ও আমরা অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকব।’
তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অন্তত লাখ কোটি সার্টিফিকেটধারী লোক সৃষ্টি করেছে। সেই সার্টিফিকেটধারী লোকেরা বিদেশ হয়তো গিয়েছে বা যায়নি। যদি না যায়, তাহলে কেন যায়নি। অর্থাৎ আমাদের এখানে বড় একটা শুভংকরের ফাঁকি বা অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা কাজ করেছে বলেই আজকে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে এই দুর্গতি। অথচ এরাই আমাদের মানবসম্পদ।’
সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা মধ্যপ্রাচ্যে অধস্তনের অধস্তন হিসেবে কাজ করে। সবচেয়ে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে পাকিস্তানি ও শ্রীলঙ্কান বা অন্যরা হচ্ছে বাংলাদেশিদের বস। এটার অন্যতম কারণ ভাষা জানা। তারা ভাষা জানার কারণে মালিকদের কাছাকাছি যেতে পারলেও আমরা যেতে পারি না, তাদের বোঝাতে পারি না। যেকারণে চাইলেও মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শ্রমিকেরা বড় কোনো পদে যেতে পারেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জমিজমা বিক্রি করে শ্রমিকেরা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েই টেনশনে পড়েন কীভাবে সেই টাকা তুলবেন। বিদেশে গিয়ে শুধুমাত্র আরবি ভাষা না জানার কারণে তারা নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এরপর বিদেশে নানান চড়াই উতরাই পেরিয়ে যখন দেশে ফিরে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা, তখন বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়— মনে হয়, একজন আসামি এসেছে। আমাদের এই মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধগুলো পরিবর্তন আনা দরকার।’
এদিকে ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত তিনটি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেগুলো হলো—রেমিট্যান্স, গার্মেন্টস ও গ্রামীণ উন্নয়ন।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের বলা হয় রেমিট্যান্স যোদ্ধা। সত্যিকার অর্থে তারাই আসল যোদ্ধা। আমরা জাতিগত ভাবে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবে অর্থনৈতিকভাবে এখনো স্বাধীনতা অর্জন করতে পারিনি। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্যদের কাছে কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে।
প্রবাসীরা যে কয় টাকার বেতনে চাকরি করে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ দেশে পাঠায়। তাঁরা ওভারটাইম করে বাড়তি আয় করে। বৈদেশিক মুদ্রার পুরোটাই তারা দেশে পাঠায়। প্রবাসীরাই অর্থনৈতিক মুক্তিযোদ্ধা।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ কোরআন প্রচার ফাউন্ডেশন ও সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী বাংলাদেশ বিমান মো. তামজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটি (নিপোর্ট), প্রাক্তন ইকোনমিক কাউন্সিল ও মিনিস্টার, বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি আরব ড. মো. আবুল হাসান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপ-উপাচার্য, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্দ শহীদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগে চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক এবং চেয়ারম্যান, নির্বাহী কমিটি গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক নূরুল ইসলাম খলিফা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে