Ajker Patrika

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতের সর্বোচ্চ মুনাফা সাড়ে ৯ শতাংশ

  • ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর।
  • আমানতের বিপরীতে রাখা হয়েছে ৪০ শতাংশ ঋণ সুবিধা।
‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতের সর্বোচ্চ মুনাফা সাড়ে ৯ শতাংশ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক তার গ্রাহকের আমানতের ওপর বাজারভিত্তিক আকর্ষণীয় মুনাফার হার ঘোষণা করেছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই গ্রাহকের বাজারভিত্তিক এই নতুন মুনাফার হার কার্যকর করা হয়েছে। এক বছর বা তার বেশি মেয়াদের আমানতের জন্য সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক তার গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ছয় মাস থেকে এক বছর মেয়াদে হলে ৯ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে আমানতের বিপরীতে সব গ্রাহককেই ব্যাংকটি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত তাৎক্ষণিক ঋণ নেওয়ার সুযোগ রেখেছে। এই ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কারও যদি ২০ কোটি টাকা জমা থাকে, তাহলে তিনি চাইলে ৮ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এতে গ্রাহকের তারল্যের সমস্যা অনেকটাই সমাধান হবে।

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এসব তথ্য দেন। সম্প্রতি ব্যাংকটি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতেই জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গভর্নর বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের মূল আমানত পুরোপুরি সুরক্ষিত, তবে তা পর্যায়ক্রমে উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কিছু অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল। সেগুলো পরিষ্কার করতেই আজকের এই সভা। একসঙ্গে গ্রাহক টাকা তুলতে না পারার ব্যাখ্যাও দেন গভর্নর। তিনি বলেন, হঠাৎ করে সব গেট খুলে দিলে গ্রাহক একসঙ্গে তাঁর সব আমানত তুলে নিতে পারেন। এটা স্লুইসগেটের মতো, আস্তে আস্তে খুলতে হয়। আমানত তুলতে হবে নিয়ন্ত্রিতভাবে।

ড. মনসুর জানান, শুরুতে ডিমান্ড ডিপোজিট, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং স্বল্পমেয়াদি দুটি স্কিমের টাকা উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর আওতায় আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা তুলতে পারছেন। তবে এর কম থাকলে পুরো টাকাই তুলতে পারছেন। তবে গত বুধবার থেকে ফিক্সড ডিপোজিট, মানি স্কিমসহ সব ধরনের স্কিম থেকেই টাকা তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে এর যেকোনো স্কিম থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত টাকা তোলা যাচ্ছে। মেয়াদপূর্তির ক্ষেত্রে আমানত রোলওভার হবে এবং মুনাফাও পর্যায়ক্রমে তোলা যাবে। এত দিন কম্পিউটার ও মুনাফা হিসাবসংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে এই প্রক্রিয়ায় আসতে একটু দেরি হয়েছে, তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

গভর্নর জানান, পাঁচটি ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেম একীভূত করা একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব ভেন্ডরের লাইসেন্স ইতিমধ্যে নবায়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ধাপে ধাপে অনলাইন সেবা, আরটিজিএস ও এটিএম কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে। গভর্নর আশা প্রকাশ করেন, শিগগির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সব কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রয়োজনে ইরান থেকে নিজেদের বিজ্ঞানীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

ইরানে মার্কিন হামলার ৭ সম্ভাব্য পরিণতি

তেহরান পুড়লে জ্বলবে রিয়াদও, ইরানের অস্তিত্বের লড়াই যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্যনিয়ন্তা

আজকের রাশিফল: যা ছোঁবেন সেটাই সোনা হবে, তবে অন্যের জিনিসে হাত দেবেন না

গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট চাওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ: ইসি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত