
চড়া সুদহারের মধ্যে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতি প্রবৃদ্ধি কমেছে। এর সঙ্গে উন্নয়নশীল অর্থনীতি ও উন্নত দেশগুলোর আর্থিক চাপে পড়ার ঝুঁকি ঘনীভূত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের বছরের চেয়ে ১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ২ দশমিক ১ শতাংশে নামবে বলে বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে।
‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট’ শিরোনামে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটির সদ্য প্রকাশিত শীর্ষ প্রতিবেদনে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের ৩ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার কমে ২০২৩ সালে ২ দশমিক ১ শতাংশে নামবে।
চীন ছাড়া উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার আগের ৪ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৯ শতাংশে নামবে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক।
এর আগে জানুয়ারি মাসে অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রকাশ করেছিল বিশ্বব্যাংক। তখন বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। সেটি কমিয়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ করা হয়েছে।
এ বিষয়গুলো ২০২৩ সালের শেষ ছয় মাসের প্রবৃদ্ধিও কমাবে। তবে ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দারমিত গিল বলেছেন, গত ৫ দশকের মধ্যে উন্নত অর্থনীতির ক্ষেত্রে ২০২৩ সাল হবে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ধীর।
আর উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো ২০২২ সালের তুলনায় এ বছর কম প্রবৃদ্ধি দেখবে। এসব উন্নয়নশীল অর্থনীতি করোনা মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা, দারিদ্র্য কমানো এবং ঋণের ধাক্কা থেকে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল।

চড়া সুদহারের মধ্যে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতি প্রবৃদ্ধি কমেছে। এর সঙ্গে উন্নয়নশীল অর্থনীতি ও উন্নত দেশগুলোর আর্থিক চাপে পড়ার ঝুঁকি ঘনীভূত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের বছরের চেয়ে ১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ২ দশমিক ১ শতাংশে নামবে বলে বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে।
‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট’ শিরোনামে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাটির সদ্য প্রকাশিত শীর্ষ প্রতিবেদনে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের ৩ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার কমে ২০২৩ সালে ২ দশমিক ১ শতাংশে নামবে।
চীন ছাড়া উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার আগের ৪ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৯ শতাংশে নামবে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক।
এর আগে জানুয়ারি মাসে অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রকাশ করেছিল বিশ্বব্যাংক। তখন বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। সেটি কমিয়ে ২ দশমিক ৪ শতাংশ করা হয়েছে।
এ বিষয়গুলো ২০২৩ সালের শেষ ছয় মাসের প্রবৃদ্ধিও কমাবে। তবে ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দারমিত গিল বলেছেন, গত ৫ দশকের মধ্যে উন্নত অর্থনীতির ক্ষেত্রে ২০২৩ সাল হবে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ধীর।
আর উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো ২০২২ সালের তুলনায় এ বছর কম প্রবৃদ্ধি দেখবে। এসব উন্নয়নশীল অর্থনীতি করোনা মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা, দারিদ্র্য কমানো এবং ঋণের ধাক্কা থেকে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৫ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৯ ঘণ্টা আগে