ফরচুন শুজের শেয়ার কারসাজি
আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা

পুঁজিবাজারে শেয়ার কারসাজির সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা ধরা পড়েছে। আলোচিত কারসাজিকারী ও সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরুর সহযোগিতায় তাঁরা ফরচুন শুজ লিমিটেডের শেয়ার বেচাকেনা করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও আইসিবি প্রায় ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়ে। এখন সেই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সম্প্রতি বিএসইসির কমিশন সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে (এফআইডি) সুপারিশ পাঠানো হবে। একই সঙ্গে হিরু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ফরচুন শুজ লিমিটেডের শেয়ারগুলো হিরুর কাছ থেকে অতিমূল্যে কিনে আইসিবির বিপুল লোকসান হয়। এই ঘটনায় আইসিবির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনকেও সরাসরি জড়িত ও সুবিধাভোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। তবে আইসিবি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিএসইসি নিজে শাস্তি দিতে না পেরে তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিএসইসির মুখপাত্র ও পরিচালক আবুল কালাম বলেন, ‘ফরচুন শুজের শেয়ার লেনদেনের কারসাজিতে আইসিবির কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন। এ জন্য আমরা অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রতিবেদন দুদক ও এফআইডিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
অভিযুক্ত সাবেক এমডি আবুল হোসেন অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইসিবির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে তিনটি স্তর থাকে ডিপার্টমেন্ট, ডিভিশন ও কমিটি। সব সুপারিশ শেষে এমডির কাছে অনুমোদনের জন্য যায়। বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদ পর্যন্ত গেছে। তবু বিএসইসি এটাকে নেতিবাচকভাবে নিয়েছে। এখানে কোনো পলিসি বা সিস্টেম ভায়োলেশন হয়নি।’
এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই, সবার জন্য আইন সমভাবে প্রযোজ্য হোক। বাজারে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হওয়া জরুরি। কেউ যেন বিশেষ সুবিধা না পায়।’
বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী কারসাজিকারীদের সহযোগিতা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে যোগসাজশের কারণে শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নষ্ট হয়েছে। এবার আইসিবি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ বাজারে আস্থার সংকট কাটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পুঁজিবাজারে শেয়ার কারসাজির সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা ধরা পড়েছে। আলোচিত কারসাজিকারী ও সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরুর সহযোগিতায় তাঁরা ফরচুন শুজ লিমিটেডের শেয়ার বেচাকেনা করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও আইসিবি প্রায় ৪৪ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়ে। এখন সেই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সম্প্রতি বিএসইসির কমিশন সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে (এফআইডি) সুপারিশ পাঠানো হবে। একই সঙ্গে হিরু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ফরচুন শুজ লিমিটেডের শেয়ারগুলো হিরুর কাছ থেকে অতিমূল্যে কিনে আইসিবির বিপুল লোকসান হয়। এই ঘটনায় আইসিবির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনকেও সরাসরি জড়িত ও সুবিধাভোগী হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। তবে আইসিবি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিএসইসি নিজে শাস্তি দিতে না পেরে তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিএসইসির মুখপাত্র ও পরিচালক আবুল কালাম বলেন, ‘ফরচুন শুজের শেয়ার লেনদেনের কারসাজিতে আইসিবির কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন। এ জন্য আমরা অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রতিবেদন দুদক ও এফআইডিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
অভিযুক্ত সাবেক এমডি আবুল হোসেন অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইসিবির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে তিনটি স্তর থাকে ডিপার্টমেন্ট, ডিভিশন ও কমিটি। সব সুপারিশ শেষে এমডির কাছে অনুমোদনের জন্য যায়। বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদ পর্যন্ত গেছে। তবু বিএসইসি এটাকে নেতিবাচকভাবে নিয়েছে। এখানে কোনো পলিসি বা সিস্টেম ভায়োলেশন হয়নি।’
এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই, সবার জন্য আইন সমভাবে প্রযোজ্য হোক। বাজারে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হওয়া জরুরি। কেউ যেন বিশেষ সুবিধা না পায়।’
বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী কারসাজিকারীদের সহযোগিতা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে যোগসাজশের কারণে শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নষ্ট হয়েছে। এবার আইসিবি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ বাজারে আস্থার সংকট কাটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৭ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৮ ঘণ্টা আগে