নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা মহামারীকালে নানা অজুহাতে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া এবং ছাঁটাইয়ের শিকার ব্যাংক কর্মকর্তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা। পরে মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে চিঠি দিয়েছেন তারা।
মানববন্ধনে বলা হয়, করোনার সময়ে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক তার কর্মীদের চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়ও তাদের পুনর্বহালের কথা বলা হয়। এ নিয়ে ব্যাংকারদের পক্ষে হাইকোর্টও রুল জারি করেছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও হাইকোর্টের নির্দেশনার প্রায় ৩ বছর হলেও একজন ব্যাংকারকেও চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়নি। এসময় তারা বৈষম্যবিরোধী আচরণ দূর করে দ্রুত চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, করোনাকালীন ২০২০ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত বেসরকারি ছয় ব্যাংকের তিন হাজার ৩১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি ছেড়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিপত্রে বলা হয়, ব্যাংক যেন ইচ্ছামাফিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাঁটাই করতে না পারে, সে বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। সম্প্রতি কিছুসংখ্যক ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও করেনাকালীন শুধু লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করা বা অদক্ষতার অজুহাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা হয় এবং চাকরি থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পদত্যাগ করার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে না, যা নির্দেশনার পরিপন্থী।

করোনা মহামারীকালে নানা অজুহাতে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া এবং ছাঁটাইয়ের শিকার ব্যাংক কর্মকর্তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা। পরে মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে চিঠি দিয়েছেন তারা।
মানববন্ধনে বলা হয়, করোনার সময়ে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক তার কর্মীদের চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়ও তাদের পুনর্বহালের কথা বলা হয়। এ নিয়ে ব্যাংকারদের পক্ষে হাইকোর্টও রুল জারি করেছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও হাইকোর্টের নির্দেশনার প্রায় ৩ বছর হলেও একজন ব্যাংকারকেও চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়নি। এসময় তারা বৈষম্যবিরোধী আচরণ দূর করে দ্রুত চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, করোনাকালীন ২০২০ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত বেসরকারি ছয় ব্যাংকের তিন হাজার ৩১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি ছেড়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিপত্রে বলা হয়, ব্যাংক যেন ইচ্ছামাফিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাঁটাই করতে না পারে, সে বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। সম্প্রতি কিছুসংখ্যক ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও করেনাকালীন শুধু লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করা বা অদক্ষতার অজুহাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা হয় এবং চাকরি থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পদত্যাগ করার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে না, যা নির্দেশনার পরিপন্থী।

পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে গড়ে তোলা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নতুন বছরের প্রথম দিনে লেনদেন চালু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা থেকে চাহিদামতো সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পেরেছেন বিলুপ্ত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা।
১ ঘণ্টা আগে
চীনের অটোমোবাইল জায়ান্ট বিওয়াইডি ২০২৫ সালে ২ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ইলেকট্রিক ভেহিকেল বিক্রি করেছে, যা কোনো কোম্পানির জন্য বিশ্বব্যাপী নতুন রেকর্ড।
২ ঘণ্টা আগে
সরকার জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১০.৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৮.৭৪ শতাংশ, যা ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার....
৩ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে ইউটিলাইজেশন পারমিশন বা ইউপি-সংক্রান্ত সেবা শতভাগ অনলাইনে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
৩ ঘণ্টা আগে