আজকের পত্রিকা ডেস্ক

এসিআই হারবাল অ্যান্ড নিউট্রাসিউটিক্যালস লিমিটেড নামে নতুন একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই লিমিটেডের পর্ষদ। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন হবে ১০০ কোটি আর পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। কোম্পানির ৮৫ শতাংশ শেয়ার থাকবে এসিআই লিমিটেডের কাছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইতে গতকাল এসিআই লিমিটেডের শেয়ার সর্বশেষ ১৪৭ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১১১ টাকা ৫০ থেকে ১৯৭ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এসিআই লিমিটেডের পর্ষদ।
চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ৩০ পয়সা। এদিকে চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৬৮ টাকা ৩৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৮৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা ৮ কোটি ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৯টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪১ দশমিক ৬৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ২২ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এসিআই হারবাল অ্যান্ড নিউট্রাসিউটিক্যালস লিমিটেড নামে নতুন একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই লিমিটেডের পর্ষদ। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন হবে ১০০ কোটি আর পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। কোম্পানির ৮৫ শতাংশ শেয়ার থাকবে এসিআই লিমিটেডের কাছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইতে গতকাল এসিআই লিমিটেডের শেয়ার সর্বশেষ ১৪৭ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১১১ টাকা ৫০ থেকে ১৯৭ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এসিআই লিমিটেডের পর্ষদ।
চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এসিআইয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ৩০ পয়সা। এদিকে চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৬৮ টাকা ৩৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৮৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা ৮ কোটি ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৯টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪১ দশমিক ৬৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ২২ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৮ ঘণ্টা আগে