সিগারেট তথা তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর আরও বাড়ানো হলে তা ব্যবহারে মানুষকে নিরুৎসাহিত করবে। তাই আসছে অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের ওপর করারোপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই আহ্বান জানান।
বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত প্রাক্-বাজেট আলোচনায় সভায় নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের খুচরা মূল্য যথাক্রমে ৩৩ শতাংশ, ১৯ শতাংশ, ১৫ শতাংশ এবং ১৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ ছাড়া কয়েকটি তামাকবিরোধী সংগঠনের পক্ষে সিগারেটে কার্যকর কর আরোপের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন উন্নয়ন সমন্বয়ের গবেষণা পরিচালক আব্দুল্লাহ নাদভী।
আলোচনা সভায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেন, তামাকের তিনটি পক্ষ রয়েছে—উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও ব্যবহারকারী। এই তিন পক্ষকেই নিরুৎসাহিত করতে হবে।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, যত্রতত্র তামাক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট আইন করে জরিমানার আওতায় আনতে হবে। ‘নো স্মোকিং জোন’-এর পরিধি আরও বাড়াতে হবে। তামাক ব্যবহারের কুফল জানাতে সমাজের বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের সামনে আনতে হবে।
সমাপনী বক্তব্যে ড. আতিউর রহমান বলেন, সিগারেটে কার্যকর করারোপই এই ক্ষতিকারক পণ্যের ব্যবহার কমিয়ে আনার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এ কারণেই দেশের তামাকবিরোধী নাগরিক সংগঠনগুলো সিগারেটে কার্যকর করারোপের পক্ষ অবস্থান নিয়েছে।
আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ, ড. মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরি, নাজমা আক্তার প্রমুখ।

ঈদ উপলক্ষে সরকারি ছুটির হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকপাড়ায় ছুটি শুরু হয়েছে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে আজ ১৮ মার্চ ও আগামীকাল ১৯ মার্চ কিছু এলাকায় খোলা থাকবে কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা। এই দুই দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত লেনদেন চালু থাকবে।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই বাজারে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক—রপ্তানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, তবে আগের মতো আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এর মূল কারণ হলো দেশটির ক্রেতারা বাংলাদেশের প্রতি ইউনিট পোশাকের দাম ২ শতাংশের বেশি কমিয়ে দিয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাস বিবেচনায় চলতি মার্চে বিশেষ প্রচেষ্টায় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা গেলেও আগামী মাসে (এপ্রিল) গরম বাড়লে লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এপ্রিলে গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। কিন্তু উৎপাদন সেই অনুপাতে বাড়বে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চাঙা হয়ে ওঠায় অর্থনীতিতে সাময়িক হলেও কিছুটা স্বস্তির হাওয়া বইছে। প্রথা অনুযায়ী, কেনা নতুন জামা-জুতা ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ছাড়াও খাদ্য, পর্যটন, জাকাত ও পরিবহন খাতের মতো বিভিন্ন বিষয় মিলিয়ে এবারের ঈদ অর্থনীতির আকার দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার...
১৬ ঘণ্টা আগে