
ফলজাত পণ্য রপ্তানির জন্য বিশেষ সুবিধা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফলজাত পাল্প থেকে প্রস্তুত করা জুস ও ড্রিংকস রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানিকারকেরা এখন মোট রপ্তানি আয়ের ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পাবেন। আজ বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আগের নির্দেশনা সংশোধন করে নতুন এই সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে মূল ফল ও সবজি থেকে উৎপাদিত পেস্ট, ফ্রুটবার, টিনজাত এবং ডিহাইড্রেটেড পণ্য ছাড়াও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফলজাত পাল্প থেকে তৈরি জুস ও ড্রিংকসের রপ্তানির বিপরীতে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
২০১৯ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুসারে শাকসবজি, ফল ও প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে নগদ সহায়তা চালু ছিল। এ নির্দেশনার আওতায় চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাচ্ছেন রপ্তানিকারকেরা। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।
ফলজাত জুস ও ড্রিংকসের এই প্রণোদনা রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্থানীয় কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়াতে এবং রপ্তানি আয়ের উৎস বহুমুখী করতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালংকার ও রৌপলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
৩৬ মিনিট আগে
তীব্র গ্যাস সংকট, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কাঁচামাল সংকটে চট্টগ্রামের তিনটিসহ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি সার কারখানাই বন্ধ রয়েছে। শুধু একটি কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। এতে সামনের আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ নিয়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সেখান থেকে সার...
১১ ঘণ্টা আগে
বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, একচেটিয়া ব্যবসা ও যোগসাজশ ঠেকানো এবং প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের (বিসিসি)। অথচ সেই কমিশনেরই গত দুই অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরও ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান বা স্প্রেড কমেনি। বরং জুন শেষে ব্যাংক খাতের গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ৪ শতাংশ সীমার চেয়ে ১ দশমিক ৭০ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। কোনো কোনো বিদেশি ব্যাংকে এ ব্যবধান ৮ শতাংশের বেশি।
১১ ঘণ্টা আগে