নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে কম পানিতে দ্রুত বাড়বে মাছ। এমন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। আর পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১০৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২৯টি উপজেলায় ৪৯টি মৎস্য অভয়াশ্রম এবং ২৯টি শুঁটকি প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে।
জানা গেছে, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের মাধ্যমে কম সময়ে মাছের উৎপাদন করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলা করে মাছ চাষ এবং চাষ করা মাস তিন মাসে খাওয়ার উপযোগী করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪৫টি বিলে মাছের নার্সারি স্থাপন করা হবে। প্রকল্পে ১৯৪টি পুকুর ও জলাশয় পুনঃখনন, ১৪৫টি মৎস্যবান্ধব ফিশিং নেট সরবরাহ এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ প্রযুক্তির প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আতায় ৬০০ দরিদ্র মৎস্য চাষিকে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সহায়তাও দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোহা. আতিয়ার রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অল্প পানিতে এবং স্বল্প সময়ে দ্রুত বর্ধনশীল মাছের চাষ করা হবে। প্রকল্পটি মঙ্গলবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ৮৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে। বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিল থেকে এ ঋণ দেওয়া হবে। আর সরকারি তহবিল থেকে সংস্থান করা হবে ২১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদকাল হবে ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে কম পানিতে দ্রুত বাড়বে মাছ। এমন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। আর পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১০৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২৯টি উপজেলায় ৪৯টি মৎস্য অভয়াশ্রম এবং ২৯টি শুঁটকি প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে।
জানা গেছে, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের মাধ্যমে কম সময়ে মাছের উৎপাদন করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলা করে মাছ চাষ এবং চাষ করা মাস তিন মাসে খাওয়ার উপযোগী করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪৫টি বিলে মাছের নার্সারি স্থাপন করা হবে। প্রকল্পে ১৯৪টি পুকুর ও জলাশয় পুনঃখনন, ১৪৫টি মৎস্যবান্ধব ফিশিং নেট সরবরাহ এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ প্রযুক্তির প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আতায় ৬০০ দরিদ্র মৎস্য চাষিকে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সহায়তাও দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোহা. আতিয়ার রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অল্প পানিতে এবং স্বল্প সময়ে দ্রুত বর্ধনশীল মাছের চাষ করা হবে। প্রকল্পটি মঙ্গলবার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ৮৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে। বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিল থেকে এ ঋণ দেওয়া হবে। আর সরকারি তহবিল থেকে সংস্থান করা হবে ২১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদকাল হবে ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে