নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৩ হাজার ৮৪১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
ডিএসসিসির নগর ভবনের মিলনায়তনে আজ বুধবার প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া এই বাজেট ঘোষণা করেন।
ডিএসসিসির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ৮৪৫ দশমিক ১৬ কোটি টাকা প্রারম্ভিক আয় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৩২০ দশমিক ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়, ১২৭ কোটি টাকা সরকারি ও বিশেষ বরাদ্দ, ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে প্রাপ্তি এবং অন্যান্য আয় ৭৯ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
ব্যয়ের হিসাবে ৬৩৫ দশমিক ৩৩ কোটি টাকা মোট পরিচালনা ব্যয় ধরা হয়েছে; অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক শূন্য ১ কোটি টাকা। এ ছাড়া ৮৭৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন ব্যয়, ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি টাকা ডিএসসিসি, সরকারি ও বৈদেশিক সহায়তায় উন্নয়ন ব্যয়, ২ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৮৮ কোটি টাকা উন্নয়ন ব্যয় এবং সমাপনী স্থিতি (এফডিআরসহ) ৮৪৫ দশমিক ১৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সরকারি ও বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পে, যার পরিমাণ ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৩৮ শতাংশ।
‘অন্যান্য ব্যয়’ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ১৫০ দশমিক ২৬ কোটি টাকা, যা বাজেটের ২৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। সড়ক ও ট্রাফিক অবকাঠামো ৩৬৫ দশমিক ১১ কোটি টাকা, যা ১০ শতাংশ।
খাল উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসন খাতে মোট বাজেটের ৩ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে—১১৫ কোটি টাকা। ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ রক্ষণাবেক্ষণের বাজেট ১২৬ দশমিক ৪৮ কোটি।
বেতন-ভাতা খাতে ৩৫৫ কোটি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে ৫৭ দশমিক ২০ কোটি, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ উন্নয়ন খাতে ৫ দশমিক ২৬ কোটি, মশকনিধন ও স্বাস্থ্য খাতে ৫৭ দশমিক ৪৪ কোটি, কল্যাণমূলক ব্যয়ে ১৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৬০ দশমিক ৭৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিল ডিএসসিসি। পরে সংশোধিত বাজেট ছিল ২ হাজার ৬৬৭ দশমিক ৫৯ টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৩ হাজার ৮৪১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
ডিএসসিসির নগর ভবনের মিলনায়তনে আজ বুধবার প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া এই বাজেট ঘোষণা করেন।
ডিএসসিসির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ৮৪৫ দশমিক ১৬ কোটি টাকা প্রারম্ভিক আয় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৩২০ দশমিক ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়, ১২৭ কোটি টাকা সরকারি ও বিশেষ বরাদ্দ, ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে প্রাপ্তি এবং অন্যান্য আয় ৭৯ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
ব্যয়ের হিসাবে ৬৩৫ দশমিক ৩৩ কোটি টাকা মোট পরিচালনা ব্যয় ধরা হয়েছে; অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক শূন্য ১ কোটি টাকা। এ ছাড়া ৮৭৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন ব্যয়, ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি টাকা ডিএসসিসি, সরকারি ও বৈদেশিক সহায়তায় উন্নয়ন ব্যয়, ২ হাজার ৩৪৫ দশমিক ৮৮ কোটি টাকা উন্নয়ন ব্যয় এবং সমাপনী স্থিতি (এফডিআরসহ) ৮৪৫ দশমিক ১৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সরকারি ও বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পে, যার পরিমাণ ১ হাজার ৪৬৯ দশমিক ২৪ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৩৮ শতাংশ।
‘অন্যান্য ব্যয়’ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ১৫০ দশমিক ২৬ কোটি টাকা, যা বাজেটের ২৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ। সড়ক ও ট্রাফিক অবকাঠামো ৩৬৫ দশমিক ১১ কোটি টাকা, যা ১০ শতাংশ।
খাল উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসন খাতে মোট বাজেটের ৩ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে—১১৫ কোটি টাকা। ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ রক্ষণাবেক্ষণের বাজেট ১২৬ দশমিক ৪৮ কোটি।
বেতন-ভাতা খাতে ৩৫৫ কোটি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে ৫৭ দশমিক ২০ কোটি, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ উন্নয়ন খাতে ৫ দশমিক ২৬ কোটি, মশকনিধন ও স্বাস্থ্য খাতে ৫৭ দশমিক ৪৪ কোটি, কল্যাণমূলক ব্যয়ে ১৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৬০ দশমিক ৭৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিল ডিএসসিসি। পরে সংশোধিত বাজেট ছিল ২ হাজার ৬৬৭ দশমিক ৫৯ টাকা।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৬ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
২০ ঘণ্টা আগে