নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা ট্যাপ ট্রাস্ট। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ট্রাস্ট ব্যাংকের সহযোগী সেবা। সেনা, নৌ, বিমান, বিজিবিসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্য, বাংলাদেশের সব ক্যান্টনমেন্ট এবং ক্যাম্পগুলোতে সহজে সব ধরনের আর্থিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্যাপ যাত্রা শুরু করে। এ সেবার নানান বিষয়ে কথা হয় এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আকরাম সাঈদের সঙ্গে।
তিনি ব্যবসার শুরুতে চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ট্যাপ বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ২০২১ সালের জুলাই মাসে। যেখানে ২০১০ সাল থেকে অন্যান্য কোম্পানি বাংলাদেশের এমএফএস খাতে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। ফলে যাত্রার শুরুতে ট্যাপকে বাজারে প্রতিষ্ঠিত হতে ব্যাপক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠিত বাজারে নতুন গ্রাহকভিত্তি তৈরি করতেও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। নিজেদের এমএফএস সেবার ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি নিয়ে এস এম আকরাম সাঈদ বলেন, ট্যাপ প্রায় তিন বছর ধরে গ্রাহকদের এমএফএস সেবা দিয়ে আসছে। সেই তুলনায় ট্যাপের অবস্থানকে আমরা সন্তোষজনক বলতে পারি। বাংলাদেশে এমএফএসের বিস্তার বা ব্যবহারের বিষয়টি মূল্যায়ন করে এস এম আকরাম সাঈদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জানায়, দেশে এমএফএস অ্যাকাউন্টের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২২ কোটিতে। যেখানে করোনার আগে ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল কেবল ৮ কোটি। অর্থাৎ গত চার বছরে এই খাতে গ্রাহকসংখ্যায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬০ শতাংশ। এতে বোঝা যাচ্ছে এমএফএসের ব্যবহার প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।
আর্থসামাজিক উন্নয়নে এমএফএসের ইতিবাচক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ট্রাস্ট আজিয়াটার সিইও বলেন, শুধু দৈনন্দিন লেনদেনই নয়, এখন সব ধরনের আর্থিক সেবাই গ্রাহকদের হাতের মুঠোয়। গ্রাহকেরা সশরীরে কোথাও না গিয়েই মোবাইল ওয়ালেট দিয়ে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারেন।
এস এম আকরাম সাঈদ এমএফএস সেবা ব্যবহার করে হুন্ডি, মাদক ও চোরাচালানের টাকা লেনদেনের ঝুঁকির বিষয়টি এবং তা প্রতিরোধে নিজের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, বিভিন্ন সময়ে এর মাধ্যমে হুন্ডি, মাদক বা চোরাচালানের টাকা লেনদেনেরও অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে সব ঝুঁকির ক্ষেত্রে সচেতনতাই বড় প্রতিকার। তাই আমাদের এমএফএস ব্যবহার করে কেউ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না করতে পারেন, সে জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিশ্চিত করেছি।
সবশেষে এমএফএস নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বলেন, এমএফএস নিয়ে আমাদের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমত, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে এর ব্যবহার আরও সহজ করা, এজেন্ট ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও মজবুত করা এবং গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি ও নতুন গ্রাহক অনুসন্ধানের মাধ্যমে আমাদের ব্যবসার সার্বিক সম্প্রসারণ ঘটানো।
ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা ট্যাপ ট্রাস্ট। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ট্রাস্ট ব্যাংকের সহযোগী সেবা। সেনা, নৌ, বিমান, বিজিবিসহ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্য, বাংলাদেশের সব ক্যান্টনমেন্ট এবং ক্যাম্পগুলোতে সহজে সব ধরনের আর্থিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ট্যাপ যাত্রা শুরু করে। এ সেবার নানান বিষয়ে কথা হয় এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আকরাম সাঈদের সঙ্গে।
তিনি ব্যবসার শুরুতে চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ট্যাপ বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ২০২১ সালের জুলাই মাসে। যেখানে ২০১০ সাল থেকে অন্যান্য কোম্পানি বাংলাদেশের এমএফএস খাতে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। ফলে যাত্রার শুরুতে ট্যাপকে বাজারে প্রতিষ্ঠিত হতে ব্যাপক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠিত বাজারে নতুন গ্রাহকভিত্তি তৈরি করতেও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। নিজেদের এমএফএস সেবার ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি নিয়ে এস এম আকরাম সাঈদ বলেন, ট্যাপ প্রায় তিন বছর ধরে গ্রাহকদের এমএফএস সেবা দিয়ে আসছে। সেই তুলনায় ট্যাপের অবস্থানকে আমরা সন্তোষজনক বলতে পারি। বাংলাদেশে এমএফএসের বিস্তার বা ব্যবহারের বিষয়টি মূল্যায়ন করে এস এম আকরাম সাঈদ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জানায়, দেশে এমএফএস অ্যাকাউন্টের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২২ কোটিতে। যেখানে করোনার আগে ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল কেবল ৮ কোটি। অর্থাৎ গত চার বছরে এই খাতে গ্রাহকসংখ্যায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬০ শতাংশ। এতে বোঝা যাচ্ছে এমএফএসের ব্যবহার প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।
আর্থসামাজিক উন্নয়নে এমএফএসের ইতিবাচক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ট্রাস্ট আজিয়াটার সিইও বলেন, শুধু দৈনন্দিন লেনদেনই নয়, এখন সব ধরনের আর্থিক সেবাই গ্রাহকদের হাতের মুঠোয়। গ্রাহকেরা সশরীরে কোথাও না গিয়েই মোবাইল ওয়ালেট দিয়ে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারেন।
এস এম আকরাম সাঈদ এমএফএস সেবা ব্যবহার করে হুন্ডি, মাদক ও চোরাচালানের টাকা লেনদেনের ঝুঁকির বিষয়টি এবং তা প্রতিরোধে নিজের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, বিভিন্ন সময়ে এর মাধ্যমে হুন্ডি, মাদক বা চোরাচালানের টাকা লেনদেনেরও অভিযোগ পাওয়া যায়। তবে সব ঝুঁকির ক্ষেত্রে সচেতনতাই বড় প্রতিকার। তাই আমাদের এমএফএস ব্যবহার করে কেউ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না করতে পারেন, সে জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিশ্চিত করেছি।
সবশেষে এমএফএস নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বলেন, এমএফএস নিয়ে আমাদের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমত, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে এর ব্যবহার আরও সহজ করা, এজেন্ট ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও মজবুত করা এবং গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি ও নতুন গ্রাহক অনুসন্ধানের মাধ্যমে আমাদের ব্যবসার সার্বিক সম্প্রসারণ ঘটানো।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ দিয়ে ১৪ জানুয়ারি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইজারা পদ্ধতিতে ১০ বছর মেয়াদি এই বন্ড থেকে বছরে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মুনাফা মিলবে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
৩ ঘণ্টা আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৬ ঘণ্টা আগে