নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শেয়ারের বেঁধে দেওয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন কমেছে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। অথচ মূলধনের হিসাবে শীর্ষ দশে থাকা দুটি কোম্পানিরই মূলধন কমেছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বা এক-তৃতীয়াংশ। কোম্পানি দুটি হলো ওয়ালটন ও ইউনাইটেড পাওয়ার। সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
কোম্পানির শেয়ারের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে বাজার মূলধনের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। এ বিষয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ নির্বাহী মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, বড় মূলধনি কোম্পানি ওয়ালটন ও ইউনাইটেডের শেয়ারের দরপতন হয়েছে, যার কারণে মূলধনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্য বড় মূলধনি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর বাড়ায় সেগুলোর মূলধনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তবে পুঁজিবাজারে এখনো ১২টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বহাল রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বাজার মূলধনের শীর্ষ দশের পাঁচটি কোম্পানি। তা ছাড়া সেগুলোর দু-একটাতেও দরপতনের আশঙ্কা ছিল, তাতে ডিএসইর বাজার মূলধনে আরও পতন দেখা যেত।
অন্যদিকে ফ্লোরমুক্ত বড় মূলধনি পাঁচটি কোম্পানি হলো ওয়ালটন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনাইটেড পাওয়ার, বার্জার পেইন্টস ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ। এগুলোর মধ্যে ওয়ালটন ও ইউনাইটেড পাওয়ারের বাজার মূলধন গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ১১ হাজার ৭৫৫ কোটি ১০ লাখ টাকা কমেছে।
বিপরীতে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বার্জার পেইন্টস ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার হওয়ার প্রথম সপ্তাহে বড় দর সংশোধন হয়েছে ওয়ালটনের। কোম্পানির শেয়ারদর সপ্তাহের ব্যবধানে ১ হাজার ৪৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ৭৬৪ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছে। এতে বাজার মূলধন ৮ হাজার ৫৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ২৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১৭১ কোটি টাকায়।
বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ারও। ২৩৩ টাকা ৭০ পয়সার শেয়ারদর ১৭৮ টাকা ৭০ পয়সায় নেমেছে। সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন ৩ হাজার ১৮৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকায়।
এ ছাড়া ফ্লোর প্রাইসে থাকায় বাজার মূলধনের হিসাবে শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে গ্রামীণফোনের বাজার মূলধন ৩৮ হাজার ৬৯৯ কোটি ৬০ লাখ টাকায়, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ২৮ হাজার ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায়, রবি আজিয়াটার ১৫ হাজার ৭১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকায়, রেনাটা লিমিটেডের ১৩ হাজার ৯৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকায় এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের মূলধন ১০ হাজার ৩৫৭ কোটি ১০ লাখ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ৬৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেড়ে মূলধন ১৯ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, বার্জার পেইন্টসের ৫৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকা বেড়ে ৯ হাজার ২৫৪ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ৬৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৭৩ কোটি ৫০ লাখ টাকায়।

শেয়ারের বেঁধে দেওয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন কমেছে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। অথচ মূলধনের হিসাবে শীর্ষ দশে থাকা দুটি কোম্পানিরই মূলধন কমেছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বা এক-তৃতীয়াংশ। কোম্পানি দুটি হলো ওয়ালটন ও ইউনাইটেড পাওয়ার। সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
কোম্পানির শেয়ারের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে বাজার মূলধনের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। এ বিষয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ নির্বাহী মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, বড় মূলধনি কোম্পানি ওয়ালটন ও ইউনাইটেডের শেয়ারের দরপতন হয়েছে, যার কারণে মূলধনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্য বড় মূলধনি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর বাড়ায় সেগুলোর মূলধনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তবে পুঁজিবাজারে এখনো ১২টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস বহাল রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বাজার মূলধনের শীর্ষ দশের পাঁচটি কোম্পানি। তা ছাড়া সেগুলোর দু-একটাতেও দরপতনের আশঙ্কা ছিল, তাতে ডিএসইর বাজার মূলধনে আরও পতন দেখা যেত।
অন্যদিকে ফ্লোরমুক্ত বড় মূলধনি পাঁচটি কোম্পানি হলো ওয়ালটন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনাইটেড পাওয়ার, বার্জার পেইন্টস ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ। এগুলোর মধ্যে ওয়ালটন ও ইউনাইটেড পাওয়ারের বাজার মূলধন গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ১১ হাজার ৭৫৫ কোটি ১০ লাখ টাকা কমেছে।
বিপরীতে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বার্জার পেইন্টস ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার হওয়ার প্রথম সপ্তাহে বড় দর সংশোধন হয়েছে ওয়ালটনের। কোম্পানির শেয়ারদর সপ্তাহের ব্যবধানে ১ হাজার ৪৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ৭৬৪ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছে। এতে বাজার মূলধন ৮ হাজার ৫৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ২৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১৭১ কোটি টাকায়।
বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ারও। ২৩৩ টাকা ৭০ পয়সার শেয়ারদর ১৭৮ টাকা ৭০ পয়সায় নেমেছে। সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন ৩ হাজার ১৮৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকায়।
এ ছাড়া ফ্লোর প্রাইসে থাকায় বাজার মূলধনের হিসাবে শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে গ্রামীণফোনের বাজার মূলধন ৩৮ হাজার ৬৯৯ কোটি ৬০ লাখ টাকায়, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ২৮ হাজার ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায়, রবি আজিয়াটার ১৫ হাজার ৭১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকায়, রেনাটা লিমিটেডের ১৩ হাজার ৯৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকায় এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের মূলধন ১০ হাজার ৩৫৭ কোটি ১০ লাখ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ৬৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেড়ে মূলধন ১৯ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, বার্জার পেইন্টসের ৫৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকা বেড়ে ৯ হাজার ২৫৪ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ৬৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৭৩ কোটি ৫০ লাখ টাকায়।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে