জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা

সরকারি উদ্যোগে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংকটে থাকা পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত এই ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার সরাসরি ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে, যা ইতিমধ্যে ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের আমানতকে শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে সমন্বয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, এক্সিম ও ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির পৃথক কার্যক্রম বন্ধ করে সব কার্যক্রম এখন নতুন ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
সরকারের লক্ষ্য শুধু একটি নতুন ব্যাংক দাঁড় করানো নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে আস্থাহীনতায় ভোগা গ্রাহকদের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আস্থা ফিরলেই বিভিন্ন শ্রেণির আমানতকারী আবার ব্যাংকে টাকা রাখবেন এবং নিয়মিত লেনদেনে ফিরবেন।
বর্তমানে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে আমানতের গড় সুদহার সাড়ে ৮ থেকে ১০ শতাংশ। একীভূত হওয়ার আগে পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে এই হার ছিল সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। এ বাস্তবতায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানত টানতে আগের গড় হারের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি মুনাফা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী মার্চ থেকেই নতুন মুনাফাকাঠামোর আওতায় আমানত সংগ্রহ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমানত আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে চড়া মুনাফার আগেই গ্রাহকের আস্থা নিশ্চিত করতে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতকারীদের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন এই উদ্যোগটি পিছিয়ে ছিল আইনি জটিলতার কারণে। বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া বা অবসায়ন হলে ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স স্কিমের আওতায় সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ফেরতের বিধান থাকলেও একীভূত ব্যাংকগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসায়ন ঘোষণা করা হয়নি।
এই জট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুদসহ ২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, টাকা পেলেই গ্রাহকের আস্থা দ্রুত ফিরবে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই আমানত ফেরত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে, গত ২ ডিসেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করা ব্যাংকটির ডেটা সফটওয়্যার প্রস্তুত, গ্রাহকের তথ্য যাচাই, নতুন হিসাব খোলা, অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া, একীভূতকরণ স্কিম ও বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন সম্পন্ন করে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া জানান, প্রথম ধাপে মুনাফাসহ সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা তোলা যাবে। এর বেশি থাকলে পরবর্তী সময়ে প্রতি তিন মাসে ১ লাখ করে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা তোলার সুযোগ থাকবে, পুরো অর্থ পেতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। তবে কিডনি ডায়ালাইসিস ও ক্যানসারে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, গ্রাহক যে ব্যাংকের ছিলেন, তিনি সেই ব্যাংক থেকেই টাকা পাবেন—কাউকে খালি হাতে ফেরত দেওয়া হবে না।

সরকারি উদ্যোগে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংকটে থাকা পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত এই ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার সরাসরি ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে, যা ইতিমধ্যে ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের আমানতকে শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে সমন্বয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, এক্সিম ও ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির পৃথক কার্যক্রম বন্ধ করে সব কার্যক্রম এখন নতুন ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
সরকারের লক্ষ্য শুধু একটি নতুন ব্যাংক দাঁড় করানো নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে আস্থাহীনতায় ভোগা গ্রাহকদের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আস্থা ফিরলেই বিভিন্ন শ্রেণির আমানতকারী আবার ব্যাংকে টাকা রাখবেন এবং নিয়মিত লেনদেনে ফিরবেন।
বর্তমানে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে আমানতের গড় সুদহার সাড়ে ৮ থেকে ১০ শতাংশ। একীভূত হওয়ার আগে পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে এই হার ছিল সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। এ বাস্তবতায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানত টানতে আগের গড় হারের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি মুনাফা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী মার্চ থেকেই নতুন মুনাফাকাঠামোর আওতায় আমানত সংগ্রহ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমানত আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে চড়া মুনাফার আগেই গ্রাহকের আস্থা নিশ্চিত করতে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতকারীদের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন এই উদ্যোগটি পিছিয়ে ছিল আইনি জটিলতার কারণে। বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যাংক দেউলিয়া বা অবসায়ন হলে ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স স্কিমের আওতায় সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ফেরতের বিধান থাকলেও একীভূত ব্যাংকগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসায়ন ঘোষণা করা হয়নি।
এই জট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুদসহ ২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, টাকা পেলেই গ্রাহকের আস্থা দ্রুত ফিরবে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই আমানত ফেরত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে, গত ২ ডিসেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করা ব্যাংকটির ডেটা সফটওয়্যার প্রস্তুত, গ্রাহকের তথ্য যাচাই, নতুন হিসাব খোলা, অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া, একীভূতকরণ স্কিম ও বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন সম্পন্ন করে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া জানান, প্রথম ধাপে মুনাফাসহ সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা তোলা যাবে। এর বেশি থাকলে পরবর্তী সময়ে প্রতি তিন মাসে ১ লাখ করে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা তোলার সুযোগ থাকবে, পুরো অর্থ পেতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। তবে কিডনি ডায়ালাইসিস ও ক্যানসারে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, গ্রাহক যে ব্যাংকের ছিলেন, তিনি সেই ব্যাংক থেকেই টাকা পাবেন—কাউকে খালি হাতে ফেরত দেওয়া হবে না।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
৫ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিন
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় এবং এ লক্ষ্যে দলের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে