কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেনেভা থেকে ওয়েব প্ল্যাটফর্মে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আঙ্কটাড ও আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বিভাগের পরিচালক পল আকিউমি।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ কীভাবে আঙ্কটাডের সহায়তা পাবে জানতে চাইলে পল আকিউমি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ হয়ে গেলেই কাজ সব শেষ হয়ে যাচ্ছে না। এটি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ একটি মাইলফলক। এর পর বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। আর এ নিয়ে একটি সঠিক পরিকল্পনাও লাগবে। কারণ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর তা ধরে রাখা একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হবে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ও ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আঙ্কটাড আলোচনা চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর জন্য নীতিগত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে আঙ্কটাড।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি ও সামনের দিনগুলোর প্রতিবন্ধকতা নিয়ে প্রশ্ন করলে পল আকিউমি বলেন, বাংলাদেশের জন্য সামনের দিনগুলোতে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে, বাংলাদেশ যখন উত্তরণ করবে, তখন শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যিক সুবিধাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে সে সময়টি মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি অভাবনীয় পূর্ণ ভালো করেছে। বিশ্বের দেশগুলো এ বিষয়ে বেশ ভালো করেই জানে। বিশেষ করে টেক্সটাইলে বাংলাদেশ শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আঙ্কটাডের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইসাবেলা ডুরান্ট সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে টিকাসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনে মেধাস্বত্ব ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে আঙ্কটাডের করণীয় নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতাধীন। আঙ্কটাড শুধু নীতিগত সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে আমি বলব এ সময়ে মেধাস্বত্বের ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া উচিত। বিশ্বের ভবিষ্যৎ মহামারি আগে থেকে অনুমান করে শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্যও মেধাস্বত্ব ছাড় জরুরি। তবে এখানে দেখতে হবে দেশগুলোর সেই পরিমাণ বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রয়েছে কি না।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেনেভা থেকে ওয়েব প্ল্যাটফর্মে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আঙ্কটাড ও আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বিভাগের পরিচালক পল আকিউমি।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ কীভাবে আঙ্কটাডের সহায়তা পাবে জানতে চাইলে পল আকিউমি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ হয়ে গেলেই কাজ সব শেষ হয়ে যাচ্ছে না। এটি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ একটি মাইলফলক। এর পর বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। আর এ নিয়ে একটি সঠিক পরিকল্পনাও লাগবে। কারণ, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর তা ধরে রাখা একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হবে। ইতিমধ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ও ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আঙ্কটাড আলোচনা চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর জন্য নীতিগত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে আঙ্কটাড।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি ও সামনের দিনগুলোর প্রতিবন্ধকতা নিয়ে প্রশ্ন করলে পল আকিউমি বলেন, বাংলাদেশের জন্য সামনের দিনগুলোতে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে, বাংলাদেশ যখন উত্তরণ করবে, তখন শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যিক সুবিধাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে সে সময়টি মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি অভাবনীয় পূর্ণ ভালো করেছে। বিশ্বের দেশগুলো এ বিষয়ে বেশ ভালো করেই জানে। বিশেষ করে টেক্সটাইলে বাংলাদেশ শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আঙ্কটাডের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইসাবেলা ডুরান্ট সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে টিকাসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনে মেধাস্বত্ব ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে আঙ্কটাডের করণীয় নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতাধীন। আঙ্কটাড শুধু নীতিগত সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে আমি বলব এ সময়ে মেধাস্বত্বের ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া উচিত। বিশ্বের ভবিষ্যৎ মহামারি আগে থেকে অনুমান করে শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর জন্যও মেধাস্বত্ব ছাড় জরুরি। তবে এখানে দেখতে হবে দেশগুলোর সেই পরিমাণ বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রয়েছে কি না।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
২ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
২ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৬ ঘণ্টা আগে