আরব আমিরাত যাচ্ছে দুই টাগবোট
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চার বছর পর আবারও রপ্তানিতে ফিরল দেশের অন্যতম জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারওয়ান শিপিং কোম্পানির কাছে দুটি টাগবোট হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিল প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘খালিদ’ ও ‘ঘায়া’ নামের টাগবোট দুটি হস্তান্তর করা হয়। ওয়েস্টার্ন মেরিনের তথ্যমতে, খালিদ ৬৪ টন এবং ঘায়া ৮০ টন বোলার্ড পুল (একটি টাগাবোটের অন্য জাহাজকে টানার ক্ষমতা) ক্ষমতাসম্পন্ন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ বলেন, বিশ্বে জাহাজ নির্মাণশিল্পের বাজার প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ যে ধরনের জাহাজ তৈরি করে, তার বাজারই প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারের মাত্র ১ শতাংশ দখল করতে পারলে বছরে ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু এই খাতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হয়নি। এখনই সময় দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর, সরকারকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়েস্টার্ন মেরিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, ২০২৩ সালে মারওয়ান শিপিংয়ের সঙ্গে আটটি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন। এর মধ্যে রয়েছে—২টি টাগবোট, ৪টি ল্যান্ডিং ক্রাফট ও ২টি অয়েল ট্যাংকার। এবারের রপ্তানি তারই অংশ।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘রায়ান’ নামে একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট হস্তান্তর করা হয়েছে। চুক্তির আওতায় বাকি পাঁচটি জাহাজ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জন্য নির্মিত দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি রুপসা’ ও ‘এমভি সুগন্ধা’ শিগগির হস্তান্তর করা হবে।
২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ওয়েস্টার্ন মেরিন ৩১টি জাহাজ রপ্তানি করে। একই সময়ে দেশীয় গ্রাহকদের জন্য নির্মাণ করে আরও ৫০টির বেশি জলযান। তবে ২০১৯ সালের বৈশ্বিক মন্দা ও করোনা মহামারির ধাক্কায় রপ্তানি কার্যক্রমে স্থবিরতা নামে। ২০২০ সালে তারা সর্বশেষ দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ রপ্তানি করেছিল।

চার বছর পর আবারও রপ্তানিতে ফিরল দেশের অন্যতম জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারওয়ান শিপিং কোম্পানির কাছে দুটি টাগবোট হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিল প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘খালিদ’ ও ‘ঘায়া’ নামের টাগবোট দুটি হস্তান্তর করা হয়। ওয়েস্টার্ন মেরিনের তথ্যমতে, খালিদ ৬৪ টন এবং ঘায়া ৮০ টন বোলার্ড পুল (একটি টাগাবোটের অন্য জাহাজকে টানার ক্ষমতা) ক্ষমতাসম্পন্ন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ বলেন, বিশ্বে জাহাজ নির্মাণশিল্পের বাজার প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ যে ধরনের জাহাজ তৈরি করে, তার বাজারই প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারের মাত্র ১ শতাংশ দখল করতে পারলে বছরে ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি হতো। কিন্তু এই খাতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হয়নি। এখনই সময় দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর, সরকারকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
ওয়েস্টার্ন মেরিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, ২০২৩ সালে মারওয়ান শিপিংয়ের সঙ্গে আটটি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন। এর মধ্যে রয়েছে—২টি টাগবোট, ৪টি ল্যান্ডিং ক্রাফট ও ২টি অয়েল ট্যাংকার। এবারের রপ্তানি তারই অংশ।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘রায়ান’ নামে একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট হস্তান্তর করা হয়েছে। চুক্তির আওতায় বাকি পাঁচটি জাহাজ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জন্য নির্মিত দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি রুপসা’ ও ‘এমভি সুগন্ধা’ শিগগির হস্তান্তর করা হবে।
২০১০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ওয়েস্টার্ন মেরিন ৩১টি জাহাজ রপ্তানি করে। একই সময়ে দেশীয় গ্রাহকদের জন্য নির্মাণ করে আরও ৫০টির বেশি জলযান। তবে ২০১৯ সালের বৈশ্বিক মন্দা ও করোনা মহামারির ধাক্কায় রপ্তানি কার্যক্রমে স্থবিরতা নামে। ২০২০ সালে তারা সর্বশেষ দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ রপ্তানি করেছিল।

কাস্টমস স্টেশনভিত্তিক শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য আগের মতো এনবিআর থেকে পূর্বানুমোদন নিতে হবে না। ফলে আগের তুলনায় লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ বর্তমানে আরও কম সময়ের মধ্যে শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স প্রদান করতে পারবে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ।
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের শুরুতেই পাওয়া গেল দারুণ এক স্বস্তির খবর। সদ্য বিদায়ী বছরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার; যা আগের বছরের (২০২৪ সাল) তুলনায় প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার বা ২২ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।
১৬ ঘণ্টা আগে
নতুন বছর শুরু হতেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে দেশের পুঁজিবাজার। ২০২৬ সালের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল বৃহস্পতিবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে