আজকের পত্রিকা ডেস্ক

করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়াল। আর অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য নিবন্ধনের সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা সহজে এবং দ্রুত ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করে রিটার্নের কপি, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, আয়কর সনদ, টিআইএন সনদ ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারছেন।
এছাড়াও ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড পেমেন্ট (ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড) ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করদাতারা কর পরিশোধের সুবিধা ও কর সমন্বয়ের (অ্যাডজাস্টমেন্ট অব ট্যাক্স রিফান্ড) সুবিধা পাচ্ছেন। এই বিষয়ে কল সেন্টার ও ইমেইলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
এনবিআর বলছে, ইতোমধ্যেই ই-রিটার্ন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অধিকতর করদাতাবান্ধব করা হয়েছে। ই-রিটার্নে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে সম্মানিত করদাতার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত বায়োমেট্রিক সিমের প্রয়োজন হয়। করদাতার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার্ড কি না, তা *১৬০০১# নম্বরে ডায়াল করে সহজেই যাচাই করে নিতে পারেন।
এছাড়াও অনলাইন রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া সহজীকরণের অংশ হিসেবে যে সকল করদাতা জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার পরও আঙ্গুলের ছাপ না থাকার কারণে বায়োমেট্রিক মোবাইল সিম নিতে পারেননি এবং সে কারণে ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন না, তাদের জন্য এনবিআর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এনবিআর জানিয়েছে, এ রকম করদাতারা অফিস চলাকালে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিবের (কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও মূল্যায়ন) ৭১৭ নম্বর কক্ষে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত আবেদন দাখিলের মাধ্যমে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।
আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সকল করদাতাকে সহজে ও নির্বিঘ্নে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে আহ্বান জানাচ্ছে এনবিআর।

করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়াল। আর অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য নিবন্ধনের সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা সহজে এবং দ্রুত ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করে রিটার্নের কপি, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, আয়কর সনদ, টিআইএন সনদ ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারছেন।
এছাড়াও ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড পেমেন্ট (ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড) ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করদাতারা কর পরিশোধের সুবিধা ও কর সমন্বয়ের (অ্যাডজাস্টমেন্ট অব ট্যাক্স রিফান্ড) সুবিধা পাচ্ছেন। এই বিষয়ে কল সেন্টার ও ইমেইলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
এনবিআর বলছে, ইতোমধ্যেই ই-রিটার্ন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অধিকতর করদাতাবান্ধব করা হয়েছে। ই-রিটার্নে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে সম্মানিত করদাতার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত বায়োমেট্রিক সিমের প্রয়োজন হয়। করদাতার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার্ড কি না, তা *১৬০০১# নম্বরে ডায়াল করে সহজেই যাচাই করে নিতে পারেন।
এছাড়াও অনলাইন রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া সহজীকরণের অংশ হিসেবে যে সকল করদাতা জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার পরও আঙ্গুলের ছাপ না থাকার কারণে বায়োমেট্রিক মোবাইল সিম নিতে পারেননি এবং সে কারণে ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন না, তাদের জন্য এনবিআর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এনবিআর জানিয়েছে, এ রকম করদাতারা অফিস চলাকালে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিবের (কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও মূল্যায়ন) ৭১৭ নম্বর কক্ষে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত আবেদন দাখিলের মাধ্যমে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।
আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সকল করদাতাকে সহজে ও নির্বিঘ্নে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে আহ্বান জানাচ্ছে এনবিআর।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে