আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ ও সবচেয়ে কঠোর শুল্ক ঘোষণার পরেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারই এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ঘোষণার পর প্রাথমিক লেনদেনে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ সূচক ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পড়ে গেছে, যা অন্যান্য প্রধান শেয়ার বাজারের তুলনায় বেশি। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) ১ হাজার ২০৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ নিচে নেমেছে।
অপরিশোধিত তেল থেকে শুরু করে বড় প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ার, এমনকি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগকারী ছোট কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও কমেছে। সম্প্রতি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো সোনার দামও নিম্নমুখী হয়েছে। ইউরো ও কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে কমে গেছে মার্কিন ডলারের মান।
বিনিয়োগকারীরা জানতেন, ট্রাম্প ব্যাপক শুল্ক আরোপের বিষয়টি কার্যকর করতে যাচ্ছেন। এই আশঙ্কায় গত মাসে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ তার সর্বোচ্চ স্তর থেকে ১০ শতাংশ নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে, স্যাঙ্কচুয়ারি ওয়েলথের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা মেরি অ্যান বার্টেলসের মতে, ট্রাম্পের ঘোষণা ‘শুল্কের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ হিসেবে বিনিয়োগকারীদেরই বেশি ক্ষতি করেছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক এবং আর্থিক পরিষেবা সংস্থা ইউবিএসের মতে, এক শতাব্দীর মধ্যে এই শুল্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ের। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে।
ইউবিএসের কৌশলবিদ ভানু বাওয়েজা এবং অন্য বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ক্ষতি এতটাই ভয়াবহ যে কিছু প্রতিষ্ঠানের ‘দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকার সম্ভাবনা কমে যাবে’।
এদিকে ওয়াল স্ট্রিট ভেবে নিয়েছিল, ট্রাম্প এই শুল্ক আরোপের হুমকিকে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন। কিন্তু তাঁর ঘোষণা ইঙ্গিত দেয়, তিনি শুল্ককে একটি মতাদর্শগত লক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। তিনি শুল্ককে উৎপাদন ব্যবস্থা ও এই খাতের বিভিন্ন চাকরি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার উপায় হিসেবে দেখছেন।
কিন্তু ট্রাম্প যদি এই শুল্ক বহাল রাখেন, তবে শেয়ারের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমতে পারে। এটি বিশ্বব্যাপী মন্দা এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর মুনাফায় বড় ধরনের আঘাত হতে পারে।
থর্নবার্গ ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের পোর্টফোলিও ম্যানেজার শন সান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে এখনো এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু এই শুল্ক আরোপের হার চূড়ান্ত হলে, বিশ্বব্যাপী মানুষের ব্যয় এবং বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।’
এমন পরিস্থিতিতে একটি বড় প্রশ্ন হলো, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) কি সুদের হার কমাবে?
ফেড সাধারণত সুদের হার কমিয়ে বাজারকে চাঙা করার চেষ্টা করে। কিন্তু নতুন শুল্কের ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকলে ফেডের পক্ষে সুদহার কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। আর কম সুদের হার অর্থনীতিকে উৎসাহিত করলেও মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে। তাই শুল্কের কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন পরিবারগুলো এখন থেকেই মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কিন্তু ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ (যেখানে অর্থনীতি স্থবির এবং মূল্যস্ফীতি উচ্চ থাকে) সমাধানে ফেডের কাছে কোনো ভালো উপায় নেই। আর এই স্ট্যাগফ্লেশনের আশঙ্কাতেই বিশ্বজুড়ে শেয়ারের দাম কমছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর প্রতি চারটির মধ্যে তিনটি শেয়ারই পড়েছে। নাইকি ১২ শতাংশ কমেছে, কারণ তাদের বেশির ভাগ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তৈরি হয়। ইউনাইটেড এয়ারলাইন ১০ দশমিক ৬ শতাংশ হারিয়েছে, কারণ বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন গ্রাহকেরা ব্যবসা বা ছুটির জন্য বিমান কম ব্যবহার করেন।
সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কিছু প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ার আকাশচুম্বী হয়েছিল। কিন্তু এখন এই কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও কমে গেছে। যেমন—এনভিডিয়ার শেয়ার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ কমে, এ বছর এখন পর্যন্ত ২২ শতাংশ লোকসানে রয়েছে। গত বছর এটি দ্বিগুণের বেশি এবং ২০২৩ সালে তিন গুণ বেড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের শেয়ারবাজারেও ব্যাপক দরপতন দেখা গেছে। ইউরোপে ফ্রান্সের সিএসি-৪০ ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং জার্মানির ড্যাক্স ২ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। জাপানের নিক্কেই-২২৫ ২ দশমিক ৮ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাং সেং ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ নিচে নেমেছে।

বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ ও সবচেয়ে কঠোর শুল্ক ঘোষণার পরেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারই এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ঘোষণার পর প্রাথমিক লেনদেনে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ সূচক ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পড়ে গেছে, যা অন্যান্য প্রধান শেয়ার বাজারের তুলনায় বেশি। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) ১ হাজার ২০৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ নিচে নেমেছে।
অপরিশোধিত তেল থেকে শুরু করে বড় প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ার, এমনকি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগকারী ছোট কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও কমেছে। সম্প্রতি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো সোনার দামও নিম্নমুখী হয়েছে। ইউরো ও কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে কমে গেছে মার্কিন ডলারের মান।
বিনিয়োগকারীরা জানতেন, ট্রাম্প ব্যাপক শুল্ক আরোপের বিষয়টি কার্যকর করতে যাচ্ছেন। এই আশঙ্কায় গত মাসে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ তার সর্বোচ্চ স্তর থেকে ১০ শতাংশ নিচে নেমে গিয়েছিল। তবে, স্যাঙ্কচুয়ারি ওয়েলথের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা মেরি অ্যান বার্টেলসের মতে, ট্রাম্পের ঘোষণা ‘শুল্কের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ হিসেবে বিনিয়োগকারীদেরই বেশি ক্ষতি করেছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক এবং আর্থিক পরিষেবা সংস্থা ইউবিএসের মতে, এক শতাব্দীর মধ্যে এই শুল্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ের। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে।
ইউবিএসের কৌশলবিদ ভানু বাওয়েজা এবং অন্য বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ক্ষতি এতটাই ভয়াবহ যে কিছু প্রতিষ্ঠানের ‘দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকার সম্ভাবনা কমে যাবে’।
এদিকে ওয়াল স্ট্রিট ভেবে নিয়েছিল, ট্রাম্প এই শুল্ক আরোপের হুমকিকে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন। কিন্তু তাঁর ঘোষণা ইঙ্গিত দেয়, তিনি শুল্ককে একটি মতাদর্শগত লক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। তিনি শুল্ককে উৎপাদন ব্যবস্থা ও এই খাতের বিভিন্ন চাকরি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার উপায় হিসেবে দেখছেন।
কিন্তু ট্রাম্প যদি এই শুল্ক বহাল রাখেন, তবে শেয়ারের দাম ১০ শতাংশের বেশি কমতে পারে। এটি বিশ্বব্যাপী মন্দা এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর মুনাফায় বড় ধরনের আঘাত হতে পারে।
থর্নবার্গ ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের পোর্টফোলিও ম্যানেজার শন সান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে এখনো এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু এই শুল্ক আরোপের হার চূড়ান্ত হলে, বিশ্বব্যাপী মানুষের ব্যয় এবং বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে।’
এমন পরিস্থিতিতে একটি বড় প্রশ্ন হলো, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) কি সুদের হার কমাবে?
ফেড সাধারণত সুদের হার কমিয়ে বাজারকে চাঙা করার চেষ্টা করে। কিন্তু নতুন শুল্কের ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকলে ফেডের পক্ষে সুদহার কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। আর কম সুদের হার অর্থনীতিকে উৎসাহিত করলেও মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে। তাই শুল্কের কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন পরিবারগুলো এখন থেকেই মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কিন্তু ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ (যেখানে অর্থনীতি স্থবির এবং মূল্যস্ফীতি উচ্চ থাকে) সমাধানে ফেডের কাছে কোনো ভালো উপায় নেই। আর এই স্ট্যাগফ্লেশনের আশঙ্কাতেই বিশ্বজুড়ে শেয়ারের দাম কমছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০-এর প্রতি চারটির মধ্যে তিনটি শেয়ারই পড়েছে। নাইকি ১২ শতাংশ কমেছে, কারণ তাদের বেশির ভাগ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তৈরি হয়। ইউনাইটেড এয়ারলাইন ১০ দশমিক ৬ শতাংশ হারিয়েছে, কারণ বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন গ্রাহকেরা ব্যবসা বা ছুটির জন্য বিমান কম ব্যবহার করেন।
সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কিছু প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ার আকাশচুম্বী হয়েছিল। কিন্তু এখন এই কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও কমে গেছে। যেমন—এনভিডিয়ার শেয়ার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ কমে, এ বছর এখন পর্যন্ত ২২ শতাংশ লোকসানে রয়েছে। গত বছর এটি দ্বিগুণের বেশি এবং ২০২৩ সালে তিন গুণ বেড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের শেয়ারবাজারেও ব্যাপক দরপতন দেখা গেছে। ইউরোপে ফ্রান্সের সিএসি-৪০ ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং জার্মানির ড্যাক্স ২ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। জাপানের নিক্কেই-২২৫ ২ দশমিক ৮ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাং সেং ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ নিচে নেমেছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
১১ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
১১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিন
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় এবং এ লক্ষ্যে দলের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে