আয়নাল হোসেন, ঢাকা

ডিম আমদানির জন্য ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান সামান্য পরিমাণ আমদানি করতে সক্ষম হয়। অন্য ২৪টি প্রতিষ্ঠানই আমদানিতে ব্যর্থ হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, আমদানি করা নয়, দাম নিয়ন্ত্রণে আনাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এদিকে ডিম ও বাচ্চার দাম নিয়ন্ত্রণে পোলট্রি খামারিরা নিজস্ব ১০টি আড়ত গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।
একমাত্র ডিম আমদানিকারক বিডিএস করপোরেশনের কর্ণধার দিপংকর সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিম আমদানিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সার্টিফিকেট ইস্যু। আরও ২ লাখ ১০ হাজার ডিম দেশে ঢুকবে। ভারত থেকে আমদানি ও ঢাকায় পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ডিমে খরচ পড়েছিল ৮ টাকা ৮৭ পয়সা। ডিমের প্রথম চালানে লাভ হলেও ভারতে এক মাস থাকা-খাওয়া বাবদ খরচ তোলা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেখানেও ডিমের দাম কিছুটা বাড়তি। এরপরও আমদানি করলে লোকসান হবে না।
প্রথম দফায় ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল চারটি প্রতিষ্ঠানকে। এদের মধ্যে মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মো. ইয়ার হোসেন বলেন, দামে পড়তা হয়নি। উচ্চমূল্যের ট্যাক্স দিয়ে আমদানি করা কঠিন ছিল। ট্যাক্স কমানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনও করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ডিম আমদানি করা সম্ভব হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর আরও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে চার কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর ৮ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর আরও ১০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান ৬১ হাজার ৯৫০টি ডিম আমদানি করতে সক্ষম হয়েছে। এরপর আর একটি ডিমও দেশে ঢোকেনি।
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে ডিম, মুরগি ও বাচ্চার দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। এই সিন্ডিকেট মূলত তেজগাঁও বাজার থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। তবে সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজধানীতে ১০টি আড়ত গড়ে তোলা হচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে স্মার্ট পোলট্রিশিল্প গড়া, ফিড ও মুরগির বাচ্চার সিন্ডিকেট ভাঙতে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানায়।
ডিম আমদানি না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিম আমদানি নয়, দাম নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল; সে কারণে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আমদানির অনুমোদন দেওয়ার পরই বাজারে দাম কমতে থাকে।
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন জানায়, গত মঙ্গলবার রাজধানীর শনির আখড়ার গোবিন্দপুর বাজারে আড়ত উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে কাপ্তান বাজার, তেজগাঁও, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার, উত্তরা, মিরপুর, খিলক্ষেত বাজার, রামপুরা বাজার, বাড্ডা ও কামরাঙ্গীরচরে আড়ত গড়ে তোলা হবে।
গতকাল রাজধানীর পাইকারি বাজারে প্রতিটি ডিম বিক্রি হয়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সায়। আর খুচরা বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৫০ পয়সায়। তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানত উল্লাহ বলেন, সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ডিমের দাম কম থাকে। এ সময় বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, মাছ ছাড়াও হাঁসের ডিমের সরবরাহ থাকে। এ কারণে ফার্মের ডিমের দাম কম থাকে।

ডিম আমদানির জন্য ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান সামান্য পরিমাণ আমদানি করতে সক্ষম হয়। অন্য ২৪টি প্রতিষ্ঠানই আমদানিতে ব্যর্থ হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, আমদানি করা নয়, দাম নিয়ন্ত্রণে আনাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এদিকে ডিম ও বাচ্চার দাম নিয়ন্ত্রণে পোলট্রি খামারিরা নিজস্ব ১০টি আড়ত গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।
একমাত্র ডিম আমদানিকারক বিডিএস করপোরেশনের কর্ণধার দিপংকর সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিম আমদানিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সার্টিফিকেট ইস্যু। আরও ২ লাখ ১০ হাজার ডিম দেশে ঢুকবে। ভারত থেকে আমদানি ও ঢাকায় পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ডিমে খরচ পড়েছিল ৮ টাকা ৮৭ পয়সা। ডিমের প্রথম চালানে লাভ হলেও ভারতে এক মাস থাকা-খাওয়া বাবদ খরচ তোলা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেখানেও ডিমের দাম কিছুটা বাড়তি। এরপরও আমদানি করলে লোকসান হবে না।
প্রথম দফায় ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল চারটি প্রতিষ্ঠানকে। এদের মধ্যে মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মো. ইয়ার হোসেন বলেন, দামে পড়তা হয়নি। উচ্চমূল্যের ট্যাক্স দিয়ে আমদানি করা কঠিন ছিল। ট্যাক্স কমানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনও করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ডিম আমদানি করা সম্ভব হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চারটি প্রতিষ্ঠানকে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। ২১ সেপ্টেম্বর আরও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে চার কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর ৮ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর আরও ১০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান ৬১ হাজার ৯৫০টি ডিম আমদানি করতে সক্ষম হয়েছে। এরপর আর একটি ডিমও দেশে ঢোকেনি।
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে ডিম, মুরগি ও বাচ্চার দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। এই সিন্ডিকেট মূলত তেজগাঁও বাজার থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। তবে সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজধানীতে ১০টি আড়ত গড়ে তোলা হচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে স্মার্ট পোলট্রিশিল্প গড়া, ফিড ও মুরগির বাচ্চার সিন্ডিকেট ভাঙতে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানায়।
ডিম আমদানি না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ডিম আমদানি নয়, দাম নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল; সে কারণে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আমদানির অনুমোদন দেওয়ার পরই বাজারে দাম কমতে থাকে।
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন জানায়, গত মঙ্গলবার রাজধানীর শনির আখড়ার গোবিন্দপুর বাজারে আড়ত উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে কাপ্তান বাজার, তেজগাঁও, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার, উত্তরা, মিরপুর, খিলক্ষেত বাজার, রামপুরা বাজার, বাড্ডা ও কামরাঙ্গীরচরে আড়ত গড়ে তোলা হবে।
গতকাল রাজধানীর পাইকারি বাজারে প্রতিটি ডিম বিক্রি হয়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সায়। আর খুচরা বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৫০ পয়সায়। তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমানত উল্লাহ বলেন, সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ডিমের দাম কম থাকে। এ সময় বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, মাছ ছাড়াও হাঁসের ডিমের সরবরাহ থাকে। এ কারণে ফার্মের ডিমের দাম কম থাকে।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৯ ঘণ্টা আগে