আয়নাল হোসেন, ঢাকা

গত এক মাসের ব্যবধানে দেশে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৭ থেকে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে বিভিন্ন জেলায় বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে আমনের উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে, যা চালের ঘাটতি তৈরির শঙ্কা বাড়াচ্ছে। এ পর্যায়ে স্বস্তি নেই আন্তর্জাতিক বাজারেও। তথ্যানুযায়ী থাইল্যান্ডে প্রতি টন চালের দাম ৫৫০ ডলার এবং ভারতে ৪৫০ ডলার। দেশে এই দামে চাল আমদানি হলে তার ওপর আবার ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক গুনতে হবে। পরিবহন ও ব্যবসা পরিচালনার খরচ সঙ্গে যোগ হবে। এতে সবকিছু মিলিয়ে বাজারে আমদানি করা চালের দাম পড়বে প্রতি কেজি ৯২-৯৫ টাকা।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন গতকাল মঙ্গলবার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে এ-সংক্রান্ত আধা সরকারি পত্র (ডিও) পাঠিয়েছে। এতে করণীয় হিসেবে চাল আমদানিতে এই মুহূর্তে বহাল ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ আমদানিকারকদের উৎসাহিত করবে এবং স্থানীয়ভাবে পণ্যটির নিরাপদ মজুত গড়ে উঠবে। চালের ওপর শুল্ক না থাকলে ভোক্তারও চাল কেনায় হাপিত্যেশ কমবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৬ আগষ্ট থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই দফা বন্যা দেখা দেয়। এতে ৮ লাখ ৩৯ হাজার টন চালের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে চালের মোট চাহিদা রয়েছে ৩ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৯০ লাখ টন। দেশে বছরে চাল উৎপাদিত হচ্ছে ৪ কোটি টন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি গুদামে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট চালের মজুত রয়েছে ৯ লাখ ৮১ হাজার ৭০৩ টন।
টিসিবির বাজার তদারকির প্রতিবেদন বলছে, গতকাল রাজধানীতে চিকন চাল বিক্রি হয়েছে ৭২-৮০ টাকা। একইভাবে মাঝারি মানের চাল ৫৮-৬৩ টাকা এবং মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫২-৫৫ টাকা কেজি।
চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্কহার তুলে দেওয়ার প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনের সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, শুল্কমুক্ত সুবিধায় চাল আমদানি করা হলে বাজারে চালের দাম কিছুটা কমবে। তবে আমদানির পরিমাণ বা নির্ধারিত সময় বেঁধে দিতে হবে। এটি না করলে দেশের কৃষকেরা নিরুৎসাহিত হবেন। তবে সরকার জিটুজি পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল আমদানি করে তা খোলাবাজারে বিক্রি করা গেলে আরও ভালো হতো বলে তিনি জানান।
ট্যারিফ কমিশনের তথ্যমতে, চাল আমদানিতে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য ছিল। তবে দেশে চালের সম্ভাব্য ঘাটতি বিবেচনায় সরকার ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চাল আমদানির শুল্ক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয়। ইতিমধ্যে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়েছে। ফলে চালে শুল্কহার সেই আগের অবস্থাতেই পুনর্বহাল হয়েছে।
ট্যারিফ কমিশনের পর্যালোচনায় দেখানো হয়েছে, থাইল্যান্ডে প্রতি টন চালের দাম ৫৫০ ডলার। প্রতি ডলারের দাম ১২০ টাকা হিসাবে প্রতি টন চালের আমদানি মূল্য দাঁড়াবে ৬৬ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজি এফওবি মূল্য দাঁড়াবে ৬৬ টাকা। এর সঙ্গে শুল্ক ও অন্যান্য খরচ যোগ করলে দেশের বাজারে দাম পড়বে ৯ ২-৯৫ টাকা। ভারতে প্রতি টন চালের দাম ৪৫০ ডলার, যা দেশে আনার পর ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৭৫-৭৮ টাকা।

গত এক মাসের ব্যবধানে দেশে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৭ থেকে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে বিভিন্ন জেলায় বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে আমনের উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে, যা চালের ঘাটতি তৈরির শঙ্কা বাড়াচ্ছে। এ পর্যায়ে স্বস্তি নেই আন্তর্জাতিক বাজারেও। তথ্যানুযায়ী থাইল্যান্ডে প্রতি টন চালের দাম ৫৫০ ডলার এবং ভারতে ৪৫০ ডলার। দেশে এই দামে চাল আমদানি হলে তার ওপর আবার ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক গুনতে হবে। পরিবহন ও ব্যবসা পরিচালনার খরচ সঙ্গে যোগ হবে। এতে সবকিছু মিলিয়ে বাজারে আমদানি করা চালের দাম পড়বে প্রতি কেজি ৯২-৯৫ টাকা।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন গতকাল মঙ্গলবার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে এ-সংক্রান্ত আধা সরকারি পত্র (ডিও) পাঠিয়েছে। এতে করণীয় হিসেবে চাল আমদানিতে এই মুহূর্তে বহাল ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ট্যারিফ কমিশন জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ আমদানিকারকদের উৎসাহিত করবে এবং স্থানীয়ভাবে পণ্যটির নিরাপদ মজুত গড়ে উঠবে। চালের ওপর শুল্ক না থাকলে ভোক্তারও চাল কেনায় হাপিত্যেশ কমবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৬ আগষ্ট থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই দফা বন্যা দেখা দেয়। এতে ৮ লাখ ৩৯ হাজার টন চালের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে চালের মোট চাহিদা রয়েছে ৩ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৯০ লাখ টন। দেশে বছরে চাল উৎপাদিত হচ্ছে ৪ কোটি টন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি গুদামে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট চালের মজুত রয়েছে ৯ লাখ ৮১ হাজার ৭০৩ টন।
টিসিবির বাজার তদারকির প্রতিবেদন বলছে, গতকাল রাজধানীতে চিকন চাল বিক্রি হয়েছে ৭২-৮০ টাকা। একইভাবে মাঝারি মানের চাল ৫৮-৬৩ টাকা এবং মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫২-৫৫ টাকা কেজি।
চাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্কহার তুলে দেওয়ার প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনের সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান এ বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, শুল্কমুক্ত সুবিধায় চাল আমদানি করা হলে বাজারে চালের দাম কিছুটা কমবে। তবে আমদানির পরিমাণ বা নির্ধারিত সময় বেঁধে দিতে হবে। এটি না করলে দেশের কৃষকেরা নিরুৎসাহিত হবেন। তবে সরকার জিটুজি পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল আমদানি করে তা খোলাবাজারে বিক্রি করা গেলে আরও ভালো হতো বলে তিনি জানান।
ট্যারিফ কমিশনের তথ্যমতে, চাল আমদানিতে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য ছিল। তবে দেশে চালের সম্ভাব্য ঘাটতি বিবেচনায় সরকার ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চাল আমদানির শুল্ক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয়। ইতিমধ্যে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়েছে। ফলে চালে শুল্কহার সেই আগের অবস্থাতেই পুনর্বহাল হয়েছে।
ট্যারিফ কমিশনের পর্যালোচনায় দেখানো হয়েছে, থাইল্যান্ডে প্রতি টন চালের দাম ৫৫০ ডলার। প্রতি ডলারের দাম ১২০ টাকা হিসাবে প্রতি টন চালের আমদানি মূল্য দাঁড়াবে ৬৬ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজি এফওবি মূল্য দাঁড়াবে ৬৬ টাকা। এর সঙ্গে শুল্ক ও অন্যান্য খরচ যোগ করলে দেশের বাজারে দাম পড়বে ৯ ২-৯৫ টাকা। ভারতে প্রতি টন চালের দাম ৪৫০ ডলার, যা দেশে আনার পর ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৭৫-৭৮ টাকা।

দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১৫ ঘণ্টা আগে