নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা চেষ্টা করেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হওয়ার পর খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে তোড়জোড় সৃষ্টি করেছে। গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে স্টেকহোল্ডারদের বৈঠকে এসব তথ্য জানায় বলে বৈঠকসূত্রে জানা গেছে। আর গতানুগতিক ধারাবাহিকতা না মেনে মুদ্রানীতি এবার সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হবে না বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি উপেক্ষা করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি সংবাদ সম্মেলন না করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৮ জুলাই বেলা ৩টায় মুদ্রানীতির তথ্য প্রকাশ করা হবে। এখনো পর্যন্ত এটাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিশিয়াল সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে মুদ্রানীতিসংক্রান্ত স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এবারের মুদ্রানীতিতে খেলাপি ঋণ আদায়ের বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পথনির্দেশনা আসছে। কারণ গত মুদ্রানীতিতেও একই ঘোষণা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। ইতিমধ্যে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই এখনো ঠিকমতো কাজ করছে না। কবে নাগাদ কাজ শুরু করবে, তাও বলা যাচ্ছে না। তাই নীতি সুদহার বৃদ্ধি ক্রলিংপেগে অটল এবং খেলাপি ঋণ কমানোর মতো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তই আবারও আসতে পারে নতুন অর্থবছরের প্রথম অধ্যায়ের মুদ্রানীতিতে।
উল্লেখ্য, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মার্কিন ডলারের পাশাপাশি স্থানীয় টাকার সংকট, বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা এবং সুশাসনের অভাবে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাংক খাত—মোটাদাগে এ সবই হচ্ছে এখন দেশের আর্থিক খাতে প্রধান সমস্যা। এসব চ্যালেঞ্জ নিয়েই জুলাই মাসের ১৮ তারিখ নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিবিএসের তথ্যমতে, এখন মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১০ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে ধারাবাহিকভাবে ঋণের সুদহার বাড়ানো হচ্ছে। যদিও সুদহার বৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে দেখা যায়নি। সর্বশেষ গত মে মাসে দেশে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৯.৮৯ শতাংশ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগের মুদ্রানীতিগুলোর মতো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতেও সংকুলানমুখী ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে সুদহার আরও বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। বাড়ানো হতে পারে নীতি সুদহার, রেপো, রিভার্স রেপোর মতো মুদ্রানীতির মৌলিক সুদ কাঠামোগুলোও।
সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ কম। ব্যাংকঋণের সুদহার এরই মধ্যে ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এরপরও নীতি সুদের হার বাড়িয়ে টাকাকে আরও দামি করে তোলা হতে পারে। এতে ঋণের সুদের হার আরও বাড়বে।
এদিকে, মঙ্গলবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মিরধা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বের অবস্থানে থেকেই মুদ্রানীতি কাভার করার জন্য আমাদের আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মোবাইল করে পাস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা সমর্থন করি না। আগের মতো অবাধ প্রবেশাধিকার না দেওয়ায় আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম। সেই বৈঠকে ইআরএফ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মিরধাসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা চেষ্টা করেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হওয়ার পর খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে তোড়জোড় সৃষ্টি করেছে। গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে স্টেকহোল্ডারদের বৈঠকে এসব তথ্য জানায় বলে বৈঠকসূত্রে জানা গেছে। আর গতানুগতিক ধারাবাহিকতা না মেনে মুদ্রানীতি এবার সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হবে না বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি উপেক্ষা করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি সংবাদ সম্মেলন না করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৮ জুলাই বেলা ৩টায় মুদ্রানীতির তথ্য প্রকাশ করা হবে। এখনো পর্যন্ত এটাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিশিয়াল সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে মুদ্রানীতিসংক্রান্ত স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এবারের মুদ্রানীতিতে খেলাপি ঋণ আদায়ের বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির পথনির্দেশনা আসছে। কারণ গত মুদ্রানীতিতেও একই ঘোষণা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। ইতিমধ্যে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই এখনো ঠিকমতো কাজ করছে না। কবে নাগাদ কাজ শুরু করবে, তাও বলা যাচ্ছে না। তাই নীতি সুদহার বৃদ্ধি ক্রলিংপেগে অটল এবং খেলাপি ঋণ কমানোর মতো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তই আবারও আসতে পারে নতুন অর্থবছরের প্রথম অধ্যায়ের মুদ্রানীতিতে।
উল্লেখ্য, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মার্কিন ডলারের পাশাপাশি স্থানীয় টাকার সংকট, বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা এবং সুশাসনের অভাবে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাংক খাত—মোটাদাগে এ সবই হচ্ছে এখন দেশের আর্থিক খাতে প্রধান সমস্যা। এসব চ্যালেঞ্জ নিয়েই জুলাই মাসের ১৮ তারিখ নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিবিএসের তথ্যমতে, এখন মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১০ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে ধারাবাহিকভাবে ঋণের সুদহার বাড়ানো হচ্ছে। যদিও সুদহার বৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে দেখা যায়নি। সর্বশেষ গত মে মাসে দেশে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৯.৮৯ শতাংশ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগের মুদ্রানীতিগুলোর মতো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতেও সংকুলানমুখী ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে সুদহার আরও বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। বাড়ানো হতে পারে নীতি সুদহার, রেপো, রিভার্স রেপোর মতো মুদ্রানীতির মৌলিক সুদ কাঠামোগুলোও।
সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন করে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ কম। ব্যাংকঋণের সুদহার এরই মধ্যে ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এরপরও নীতি সুদের হার বাড়িয়ে টাকাকে আরও দামি করে তোলা হতে পারে। এতে ঋণের সুদের হার আরও বাড়বে।
এদিকে, মঙ্গলবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মিরধা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বের অবস্থানে থেকেই মুদ্রানীতি কাভার করার জন্য আমাদের আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মোবাইল করে পাস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা সমর্থন করি না। আগের মতো অবাধ প্রবেশাধিকার না দেওয়ায় আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম। সেই বৈঠকে ইআরএফ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মিরধাসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে