নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আইনে বেশ কয়েকবার সংশোধন আনা হয়েছে। শুরুতে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতি ছিল। পরে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আনা হয়েছে। তারপরও কিছু দুর্বলতার কারণে প্রাইসিং বা শেয়ারদর নির্ধারণ স্বচ্ছ হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন আইপিও আইনে সেই বিষয়গুলোতে সংশোধন আনা হয়েছে। ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছ ও ভালো শেয়ারদর নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। ভালো কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২৫-এর ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম।
এ সময় বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক শরিফুল আলমসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও রুলস সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।’
বিএসইসির পরিচালক বলেন, ‘ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো আমাদের কাছে দাবি জানিয়েছিল প্রাইসিং স্বচ্ছ করার জন্য। এটি না হওয়ার কারণে অনেকগুলো ভালো কোম্পানি তখন পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আমরা সেই জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম।’
বিএসইসির পরিচালক আরও বলেন, আইপিও রুলস সংশোধনের কাজ চললেও এ সময়ে আবেদন বন্ধ রাখা হয়নি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আগের রুলসে কোম্পানিগুলো আবেদন করতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে আগের পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫-এর আইনে তারা আবেদন করতে পারত।

পুঁজিবাজারে কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আইনে বেশ কয়েকবার সংশোধন আনা হয়েছে। শুরুতে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতি ছিল। পরে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আনা হয়েছে। তারপরও কিছু দুর্বলতার কারণে প্রাইসিং বা শেয়ারদর নির্ধারণ স্বচ্ছ হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন আইপিও আইনে সেই বিষয়গুলোতে সংশোধন আনা হয়েছে। ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছ ও ভালো শেয়ারদর নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। ভালো কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২৫-এর ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম।
এ সময় বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক শরিফুল আলমসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আবুল কালাম বলেন, ‘নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা বিদ্যমান। পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ ও সুপারিশ অনুযায়ী আইপিও রুলস সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।’
বিএসইসির পরিচালক বলেন, ‘ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো আমাদের কাছে দাবি জানিয়েছিল প্রাইসিং স্বচ্ছ করার জন্য। এটি না হওয়ার কারণে অনেকগুলো ভালো কোম্পানি তখন পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আমরা সেই জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম।’
বিএসইসির পরিচালক আরও বলেন, আইপিও রুলস সংশোধনের কাজ চললেও এ সময়ে আবেদন বন্ধ রাখা হয়নি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আগের রুলসে কোম্পানিগুলো আবেদন করতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে আগের পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫-এর আইনে তারা আবেদন করতে পারত।

উন্নয়নশীল বিশ্বের প্রতি চারটি দেশের মধ্যে একটি দেশ এখনো ২০১৯ সালের তুলনায় দরিদ্র। ২০১৯ সাল ছিল কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়। এমনটাই জানিয়েছে, বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, নিম্নআয়ের অনেক দেশ গত বছরের শেষ পর্যন্ত ৬ বছরে বড় ধরনের নেতিবাচক ধাক্কা খেয়েছে।
১১ মিনিট আগে
২০২৫ সাল জুড়ে একের পর শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই শুল্কের আঘাত সয়ে নিয়েই চীন রেকর্ড বাণিজ্য করে দেখাল। আজ বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চীন। গত বছর দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা
৪ ঘণ্টা আগে
নতুন বিধিমালায় অধিক্ষেত্র সংযোজনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে লাইসেন্সধারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা অন্য যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন রুটে দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ছিল আলোচিত ও বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের অন্যতম বড় ব্যবসা। পুরোনো সেই তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন একটি আর্থিক জটিলতা। গ্রুপটি সংকটে পড়ার ঠিক এক বছর আগে, আগের প্রায় ২০০টি বাসের সঙ্গে আরও ১৩৪টি বিলাসবহুল হিনো বাস নামানোর পরিকল্পনায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ...
১৪ ঘণ্টা আগে